ভারতের প্রাকৃতিক পরিবেশ – ভারতের মৃত্তিকা – ব্যাখ্যামূলক উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন

আপনি যদি এর ভূগোল অধ্যয়ন করেন তবে ভারতে পাওয়া যায় এমন অনেক ধরণের মাটি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নীচে দেওয়া ভারতীয় মাটি সম্পর্কে প্রশ্নগুলি আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সাহায্য করতে পারে এবং আপনাকে বিষয়টি সম্পর্কে আরও জানতে সাহায্য করতে পারে। এই অনুসন্ধানগুলির উত্তর দিয়ে, আপনি ভারতের বিভিন্ন অংশে বিদ্যমান মাটির ধরন, তাদের বৈশিষ্ট্য এবং কীভাবে তারা দেশের কৃষি ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কার্যকলাপকে প্রভাবিত করে সে সম্পর্কে আরও জানতে পারেন। আপনি মাটি-সম্পর্কিত পরীক্ষার প্রশ্নগুলির উত্তর দেওয়ার জন্য আরও ভালভাবে প্রস্তুত হবেন এবং এই প্রশ্নগুলি শিখে এবং উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে ভারতের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নির্ধারণে মাটির তাত্পর্য সম্পর্কে আরও বৃহত্তর উপলব্ধি অর্জন করতে পারবেন।

ভারতের তিনটি প্রধান মৃত্তিকা অঞ্চলের নাম করো।

উর্বরতা ও উৎপাদনশীলতার বিচারে ভারতের তিনটি প্রধান মৃত্তিকা অঞ্চল হল —

মৃত্তিকা অঞ্চলভৌগোলিক অবস্থান
পলি মৃত্তিকা অঞ্চলসিন্ধু-গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র নদী বিধৌত উত্তর ভারতের সমভূমি ও গাঙ্গেয় বদ্বীপ অঞ্চল এবং পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলের সমভূমি অঞ্চল এর অন্তর্গত।
কৃষ্ণ মৃত্তিকা অঞ্চলমহারাষ্ট্র মালভূমি, গুজরাতের দক্ষিণ-পূর্বাংশ, মধ্যপ্রদেশের দক্ষিণাংশ, কর্ণাটকের উত্তরাংশ প্রভৃতি অঞ্চল এই এলাকার অন্তর্গত।
লোহিত মৃত্তিকা অঞ্চলতামিলনাড়ু, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওডিশা – প্রভৃতি রাজ্যের মালভূমি অঞ্চলে লোহিত মৃত্তিকা দেখা যায়।

ভারতের বিভিন্ন অংশে নদী উপত্যকার পলিমাটি কী কী নামে পরিচিত ?

ভারতের বিভিন্ন অংশে নদী উপত্যকার পলিমাটি বিভিন্ন নামে পরিচিত —

পলিমাটির নামভৌগোলিক অবস্থান
খাদার ও ভাঙ্গরউচ্চ গঙ্গা সমভূমির নবীন পলিমাটির নাম খাদার ও প্রাচীন পলিমাটির নাম ভাঙ্গর।
বেটপাঞ্জাব বা শতদ্রু সমভূমি।
বভুর বা ঘুটিংউত্তর-পশ্চিম ভারতের চুনমিশ্রিত প্রাচীন পলি।
রে বা উষর বা কালারউত্তর রাজস্থানের শুষ্ক অঞ্চলের নুন ও ক্ষারধর্মী পলিমাটি।
তরাইশিবালিক পর্বতের পাদদেশের জলাভূমিপূর্ণ সমতল অঞ্চলের পলিমাটি।
কারেওয়াকাশ্মীর উপত্যকার হিমবাহ বাহিত পলিমাটি।
লোয়েসরাজস্থানের লুনি অববাহিকার বালি দিয়ে গঠিত পলিমাটি।

পার্থক্য লেখো

লোহিত মাটি ও ল্যাটেরাইট মাটি পার্থক্য লেখো।

লোহিত মাটি ও ল্যাটেরাইট মাটির মধ্যে পার্থক্যগুলি হল —

বিষয়লোহিত মাটিল্যাটেরাইট মাটি
সৃষ্টি প্রাচীন গ্র্যানাইট ও নিস শিলার আবহবিকার থেকে লোহিত মাটির সৃষ্টি হয়।লোহা ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড জমাট বেঁধে ল্যাটেরাইট মাটির সৃষ্টি হয়।
অবস্থানদাক্ষিণাত্য মালভূমির অন্তর্গত তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র রাজ্যের মালভূমি অঞ্চল,ঝাড়খণ্ডের ছোটোনাগপুর মালভূমি, উত্তর-পূর্ব ভারতের পার্বত্য অঞ্চল ও মেঘালয় মালভূমি অঞ্চলে দেখা যায়।পশ্চিমঘাট, নীলগিরি, কার্তামম প্রভৃতি পার্বত্য অঞ্চল, ওডিশার পাহাড়ি অঞ্চল এবং ঝাড়খণ্ডের ছোটোনাগপুর মালভূমি অঞ্চলে দেখা যায়।
কৃষিফসলজলসেচের সাহায্যে ধান, গম, জোয়ার, বাজরা প্রভৃতি চাষ হয়।ভুট্টা, জোয়ার, বাজরা, কফি, কাজুবাদামের চাষ হয়।

খাদার ও ভাঙ্গর মৃত্তিকার মধ্যে দুটি পার্থক্য নির্দেশ করো।

খাদার ও ভাঙ্গরের মধ্যে পার্থক্যগুলি হল —

বিষয়খাদারভাঙ্গর
অবস্থাননদীর উভয় তীরের নতুন প্লাবনভূমিতে অর্থাৎ নদীর কাছাকাছি অঞ্চলে খাদার পলি দেখা যায়।নদী থেকে কিছু দূরে পুরোনো প্লাবনভূমিতে এই মাটি দেখা যায়।
উর্বরতাপ্রতি বছর নতুন পলি সঞ্চিত হয় বলে খাদার খুব উর্বর হয়।প্রতি বছর নতুন পলির সংযোজন না ঘটার ফলে এই পলির উর্বরতা তুলনা-মূলকভাবে কম হয়।

পলিমাটি ও কালোমাটির পার্থক্য গুলি আলোচনা করো।

পলিমাটি ও কালোমাটির মধ্যে পার্থক্যগুলি হল —

বিষয়পলিমাটিকালোমাটি
সৃষ্টিনদীর পলি, বালি, কাদা, জৈব পদার্থ সঞ্চিত হয়ে পলিমাটির সৃষ্টি হয়।ব্যাসল্ট শিলার ক্ষয়ে কালোমাটির সৃষ্টি হয়েছে।
রংএই মাটি ধূসর রঙের হয়।এই মাটি ঘন কালো রঙের হয়।
বণ্টনভারতের বিভিন্ন নদীর মধ্য ও নিম্নসমভূমিতে পলিমাটি দেখা যায়।মহারাষ্ট্র মালভূমি, গুজরাটের বহু স্থানে, মধ্যপ্রদেশের কোথাও কোথাও এই মাটি দেখা যায়।
উৎপন্ন ফসলধান, গম, আখ, পাট প্রভৃতি।তুলো, তামাক, মিলেট, গম প্রভৃতি।

ধাপচাষ ও ফালিচাষের পার্থক্য গুলি আলোচনা করো।

ধাপচাষ ও ফলিচাষের মধ্যে পার্থক্যগুলি হল —

পার্থক্যের বিষয়ধাপচাষফালিচাষ
অর্থপাহাড়ের ঢালে ধাপ কেটে কৃষিক্ষেত্র নির্মাণ করে চাষ।পাহাড়ের ঢালে সম উচ্চতায় সারি সারি ফালি জমি নির্মাণ করে চাষ।
জমির প্রকৃতিপাহাড়ি ঢালের সমান্তরালে সিঁড়ির মতো ধাপে ধাপে কৃষিজমি প্রস্তুত করা হয়।পাহাড়ি ঢালের আড়াআড়ি একফালি কৃষিজমি প্রস্তুত করা হয়।
ভূমিক্ষয়এখানে ভূমিক্ষয়রোধক শস্য চাষের প্রয়োজন হয় না।এখানে ভূমিক্ষয়রোধক শস্য (চিনাবাদাম, সয়াবিন চাষ ) করা হয়।

ভারতের প্রাকৃতিক পরিবেশ – ভারতের মৃত্তিকা – রচনাধর্মী উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন

ভারতের প্রধান প্রধান মৃত্তিকার বৈশিষ্ট্যসহ বণ্টন আলোচনা করো।

ভারতের মৃত্তিকার বণ্টন ও বৈশিষ্ট্য – ভারতের প্রধান মৃত্তিকাগুলির মধ্যে 1. পলিমাটি, 2. কৃষ্ণ মৃত্তিকা বা কালোমাটি, 3. লোহিত মৃত্তিকা, 4. ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা, 5. মরু মৃত্তিকা ও 6. পার্বত্য মৃত্তিকা উল্লেখযোগ্য।

মৃত্তিকাভৌগোলিক বণ্টনপ্রধান বৈশিষ্ট্য
নদী উপত্যকার পলিমাটিসিন্ধু, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, প্রভৃতি নদনদীর বিস্তীর্ণ উপত্যকা ও বদ্বীপ অঞ্চল।1. প্লাবনের ফলে নদীবাহিত বালি, পলি ও কাদা নদী। উপত্যকায় সঞ্চিত হয়ে পলিমাটির সৃষ্টি হয়। 2. পলির উপস্থিতির কারণে এই মাটি খুবই উর্বর হয়, যদিও পলিমাটিতে নাইট্রোজেন ও জৈব পদার্থের ঘাটতি দেখা যায়। 3. পলিমাটি পটাশ ও চুনজাতীয় পদার্থে সমৃদ্ধ। 4. এই মাটি ধান, গম, জোয়ার, বাজরা, ডাল, তৈলবীজ, তুলো, ইক্ষু, পাট ও সবজি উৎপাদনের উপযোগী।
উপকূলের পলিমাটিভারতের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলে এই মাটি পাওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনসহ ভারতের বিভিন্ন বদ্বীপ ও নীচু উপকূল অঞ্চলে লবণাক্ত পলিমাটি দেখা যায়।1. প্রধানত সামুদ্রিক পলি সঞ্চিত হয়ে এই মৃত্তিকার সৃষ্টি হয়। 2. বালি ও লবণের প্রভাবে উর্বরাশক্তি মাঝারি ধরনের। 3. এই মাটিতে নারকেল ও সুপারি গাছ ভালো জন্মায়। 4. নীচু ও বদ্বীপ| অঞ্চলের লবণাক্ত পলিমাটিতে ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ জন্মায়।
পিট ও জৈব মৃত্তিকাকেরলের আলাপুঝা জেলা এবং উত্তরপ্রদেশের তরাই অঞ্চল।1. এই মৃত্তিকায় পলিমাটির সঙ্গে প্রচুর তৃণজাতীয় জৈব পদার্থের অবক্ষেপ ঘটে। 2. মালভূমি -অধ্যুষিত বনাঞ্চলে এই মৃত্তিকা দেখা যায়।
কৃষ্ণ মৃত্তিকা বা কালোমাটিদাক্ষিণাত্য মালভূমির উত্তর-পশ্চিমাংশের ডেকান ট্র্যাপ অঞ্চল, বিশেষত মহারাষ্ট্র মালভূমি, গুজরাতের ভারুচ, ভাদোদরা ও সুরাত, পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তর কর্ণাটক।1. লাভা থেকে সৃষ্ট ব্যাসল্ট শিলা ক্ষয় হয়ে এই মাটি উৎপন্ন হয়েছে। 2. এই মাটির রং কালো। 3. কৃষ্ণমৃত্তিকার জলধারণ ক্ষমতা খুব বেশি। 4. এই মৃত্তিকা কার্পাসচাষের জন্য বিশেষ| উপযোগী হওয়ায়, কৃষ্ণমৃত্তিকাকে কৃষ্ণ-কার্পাস মৃত্তিকাও বলা হয়। 5. প্রকৃতিতে উর্বর এই মৃত্তিকায় তুলো ছাড়াও খাদ্যশস্য, তেলবীজ, টকযুক্ত ফল, সবজি ইত্যাদির চাষ খুব ভালো হয়।
লোহিত মৃত্তিকা বা লালমাটিদাক্ষিণাত্য মালভূমির অন্তর্গত তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র রাজ্যের মালভূমি অঞ্চল, ঝাড়খণ্ডের ছোটোনাগপুর মালভূমি, উত্তর-পূর্ব ভারতের পার্বত্য অঞ্চল ও মেঘালয় মালভূমি।1. প্রাচীন গ্র্যানাইট, নিস প্রভৃতি আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলা| ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে এই মাটি উৎপন্ন হয়। 2. মাটিতে লৌহকণার ভাগ বেশি থাকে বলে এর রং লাল হয়। 3. এই প্রকার মাটির জল ধরে রাখার ক্ষমতা কম। 4. লোহিত মৃত্তিকা পটাশ ও ফসফেট খনিজে সমৃদ্ধ। 5. এই মাটিতে রাগি, ধান, তামাক, চিনাবাদাম, আলু ও সবজির চাষ ভালো হয়।
ল্যাটেরাইট মৃত্তিকাপশ্চিমঘাট, নীলগিরি, কার্ডামম প্রভৃতি পার্বত্য অঞ্চল, ওডিশার পাহাড়ি অঞ্চল এবং ঝাড়খণ্ডের ছোটোনাগপুর মালভূমি অঞ্চল।1. অ্যালুমিনিয়াম ও লোহার সোদক দিয়ে গঠিত এই মৃত্তিকার রং লাল। 2. এই মাটি ইটের মতো শক্ত ও কাঁকর পূর্ণ হয়। 3. ল্যাটেরাইট মৃত্তিকায় নাইট্রোজেন, ফসফোরিক অম্ল, পটাশ, চুন ও ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি দেখা যায়। 4. সাধারণভাবে অনুর্বর এই মাটিতে জলসেচ করা গেলে ধান, রাগি, ইক্ষু প্রভৃতি ফসলের চাষ করা সম্ভব।
মরু অঞ্চলের মৃত্তিকারাজস্থানের মরু অঞ্চল এবং গুজরাতের কচ্ছ ও কাথিয়াবাড় উপদ্বীপের উত্তরাংশ।1. জৈব পদার্থহীন ও দ্রবীভূত লবণে পূর্ণ এই মাটিতে বালির পরিমাণ খুব বেশি থাকে। 2. এই প্রকার মাটি ফসফেটে সমৃদ্ধ কিন্তু নাইট্রোজেনের অভাব দেখা যায়। 3. জলসেচ করা সম্ভব হলে মরু অঞ্চলের মৃত্তিকায় জোয়ার, বাজরা, গম, তুলো প্রভৃতি ফসল চাষ করা যায়।
পার্বত্য মৃত্তিকাপশ্চিম ও পূর্ব হিমালয়, পশ্চিমঘাট ও পূর্বঘাট পর্বতমালা, কার্ডামম পাহাড়।1. ভূমির ঢাল বেশি বলে পার্বত্য মৃত্তিকা অগভীর। 2. পার্বত্য মৃত্তিকায় পটাশ, ফসফরাস ও চুনের ঘাটতি থাকলেও জৈব পদার্থে এই মৃত্তিকা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। 3. পর্বতের উঁচু অংশে অম্লধর্মী পডসল এবং সামান্য নীচু অংশে বাদামি চেস্টনাট মৃত্তিকা পাওয়া যায়। 4. রবার, চা, কফি, মশলা, ফল প্রভৃতি উৎপাদনে পার্বত্য মৃত্তিকা অত্যন্ত উপযোগী।

ভারতীয় মাটির উপরে-উপস্থাপিত ব্যাখ্যামূলক উত্তর-ভিত্তিক প্রশ্নগুলি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হওয়া বা উপাদান শেখার জন্য একটি দুর্দান্ত অধ্যয়নের সহায়ক। এই প্রশ্নগুলির দ্বারা আচ্ছাদিত বিষয়গুলি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত, ভারতে পাওয়া বিভিন্ন ধরণের মাটি থেকে তার বিতরণ এবং গুণাবলী পর্যন্ত। এই প্রশ্নগুলির উত্তর দিয়ে ছাত্ররা ভারতে মাটির তাৎপর্য, সেইসাথে কৃষি, ভূমি ব্যবহার এবং পরিবেশের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তৃত উপলব্ধি অর্জন করতে পারে। উপরন্তু, মাটি, জলবায়ু এবং ভূমি ব্যবহারের মধ্যে জটিল সংযোগগুলি বিবেচনা করার জন্য শিক্ষার্থীদের চ্যালেঞ্জ করে, এই প্রশ্নগুলি সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার ক্ষমতা বিকাশে সহায়তা করতে পারে। সামগ্রিকভাবে, ভারতীয় মাটি সম্পর্কে যে প্রশ্নগুলির ব্যাখ্যামূলক উত্তর প্রয়োজন তাদের জন্য একটি দরকারী তথ্য যারা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের উপলব্ধি গভীর করতে এবং পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করতে চায়।

Rate this post


Join WhatsApp Channel For Free Study Meterial Join Now
Join Telegram Channel Free Study Meterial Join Now

মন্তব্য করুন