এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “তেভাগা আন্দোলন কাকে বলে এবং এর মূল দাবি কী ছিল? তেভাগা আন্দোলনের নাম ‘তেভাগা’ কেন হয়েছিল?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “তেভাগা আন্দোলন কাকে বলে এবং এর মূল দাবি কী ছিল? তেভাগা আন্দোলনের নাম ‘তেভাগা’ কেন হয়েছিল?“ প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের ষষ্ট অধ্যায় “বিশ শতকের ভারতে কৃষক, শ্রমিক ও বামপন্থী আন্দোলন: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

তেভাগা আন্দোলন কাকে বলে এবং এর মূল দাবি কী ছিল?
ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশ অনুসারে বর্গাদার বা ভাগচাষিরা উৎপন্ন ফসলের দুই-তৃতীয়াংশ দাবি করে 1946-1947 খ্রিস্টাব্দে মেদিনীপুর, দিনাজপুর, মালদা, রংপুর, জলপাইগুড়ি প্রভৃতি এলাকার জোতদার ও ধনী কৃষকদের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন গড়ে তোলে তাকে বলা হয় তেভাগা আন্দোলন।
তেভাগা আন্দোলনের মূল দাবি –
তেভাগা আন্দোলনের দাবি ছিল দুটি। যথা –
- উৎপাদিত ফসলের তিনভাগের দুভাগ কৃষকরা নিজেদের অধিকারে রাখবে এবং
- উৎপাদিত ফসল দেওয়ার জন্য কৃষকদের রসিদ দিতে হবে।
তেভাগা আন্দোলনের নাম ‘তেভাগা’ কেন হয়েছিল?
বাংলাদেশের ভাগচাষি বা বর্গাদার কৃষকেরা মালিকের জমি নিজ খরচে চাষ করত এবং উৎপন্ন ফসলের অর্ধাংশ মালিককে দিতে বাধ্য হত। এই পন্থার বিরুদ্ধে 1946 খ্রিস্টাব্দে তারা শতকরা 75 ভাগ ফসলের দাবিতে এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম গড়ে তোলে। উৎপাদিত মোট ফসলের তিন ভাগের উপর তারা দাবি জানিয়েছিল বলে এই আন্দোলন ইতিহাসে ‘তেভাগা’ আন্দোলন নামে পরিচিতি পেয়েছে।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “তেভাগা আন্দোলন কাকে বলে এবং এর মূল দাবি কী ছিল? তেভাগা আন্দোলনের নাম ‘তেভাগা’ কেন হয়েছিল?” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “তেভাগা আন্দোলন কাকে বলে এবং এর মূল দাবি কী ছিল? তেভাগা আন্দোলনের নাম ‘তেভাগা’ কেন হয়েছিল?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের ষষ্ঠ অধ্যায় “বিশ শতকের ভারতে কৃষক, শ্রমিক ও বামপন্থী আন্দোলন: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment