এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ “প্রিজম” নিয়ে আলোচনা করব। এই অংশটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “প্রিজম” অংশটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় “আলো“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই প্রিজম থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান – আলো – প্রিজম

প্রিজম (Prism) –
তিনটি আয়তাকার ও দুটি ত্রিভুজাকার তল দ্বারা গঠিত সমসত্ত্ব ও স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে প্রিজম বলে।
প্রিজমের প্রতিসারক তল –
আলোকরশ্মি প্রিজমের যে তলে আপতিত হয় এবং প্রতিসরণের পর যে তল থেকে নির্গত হয়, সেই তলগুলিকে প্রিজমের প্রতিসারক তল বলে। চিত্রে, DFGK এবং DEHK প্রতিসারক তল।
প্রিজমের মুখ্য বা প্রধান ছেদ –
যে তল প্রিজমের প্রতিসারক তলকে লম্বভাবে ছেদ করে, তাকে প্রিজমের প্রধান ছেদ বা মুখ্য ছেদ বলে। চিত্রে ABC হল প্রধান ছেদ।
প্রিজমের প্রতিসারক কোণ –
দুটি প্রতিসারক তল মিলিত হয়ে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে প্রিজমের প্রতিসারক কোণ বলে। চিত্রে ∠BAC হল প্রতিসারক কোণ।
প্রিজমের প্রান্তরেখা –
দুটি প্রতিসারক তল যে রেখায় মিলিত হয় তাকে প্রান্তরেখা বলে। চিত্রে DK, EH, FG প্রান্তরেখা।
প্রিজমের ভূমি –
প্রিজমের যে-কোনো প্রান্তরেখার বিপরীত তলকে প্রিজমের ভূমি বলে। চিত্রে EFGH হল ভূমি। সাধারণত প্রতিসারক তল দুটি ছাড়া অন্য তল তিনটি ঘষা থাকে।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ “প্রিজম” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই অংশটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “প্রিজম” অংশটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় “আলো“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই “প্রিজম” অংশটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment