এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “শীতপ্রধান দেশে মরীচিকা সৃষ্টির জন্য দায়ী বায়ুমণ্ডলীয় স্তরগুলোর তাপমাত্রা ও ঘনত্বের কী ধরনের স্তরক্রম প্রয়োজন?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “শীতপ্রধান দেশে মরীচিকা সৃষ্টির জন্য দায়ী বায়ুমণ্ডলীয় স্তরগুলোর তাপমাত্রা ও ঘনত্বের কী ধরনের স্তরক্রম প্রয়োজন?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় “আলো“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

শীতপ্রধান দেশে মরীচিকা সৃষ্টির জন্য দায়ী বায়ুমণ্ডলীয় স্তরগুলোর তাপমাত্রা ও ঘনত্বের কী ধরনের স্তরক্রম প্রয়োজন?
শীতপ্রধান দেশের মরীচিকা – শীতপ্রধান দেশে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা খুব কম থাকে। তাই ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর ঠান্ডা ও যথেষ্ট ঘনত্ববিশিষ্ট হয়। ওপরের দিকে বায়ুস্তরগুলি ক্রমশ উষ্ণতা বাড়ার জন্য লঘু হতে থাকে। দূরের কোনো বস্তু থেকে আলোকরশ্মি ওপরের দিকে যাওয়ার সময় ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে প্রতিসৃত হয়। এর ফলে প্রতিসৃত রশ্মি অভিলম্ব থেকে ক্রমশ দূরে সরে যেতে থাকে। এক সময় আপতন কোণের মান সংকট কোণের চেয়ে বড়ো হয়; তখন রশ্মিটির অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন হয়। রশ্মিটি এর ফলে নীচের দিকে নামতে থাকে এবং ক্রমশ অভিলম্বের দিকে সরে এসে দর্শকের চোখে পৌঁছোয়। দর্শক ওপরের কোনো বিন্দু থেকে রশ্মিটি আসছে বলে মনে করেন। ফলে আকাশের গায়ে অসদ্ এবং অবশীর্ষ প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “শীতপ্রধান দেশে মরীচিকা সৃষ্টির জন্য দায়ী বায়ুমণ্ডলীয় স্তরগুলোর তাপমাত্রা ও ঘনত্বের কী ধরনের স্তরক্রম প্রয়োজন?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “শীতপ্রধান দেশে মরীচিকা সৃষ্টির জন্য দায়ী বায়ুমণ্ডলীয় স্তরগুলোর তাপমাত্রা ও ঘনত্বের কী ধরনের স্তরক্রম প্রয়োজন?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় “আলো“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment