এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “বায়ুপরাগী এবং জলপরাগী ফুলের বৈশিষ্ট্যগুলি উদাহরণসহ লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বায়ুপরাগী ফুল
যেসব ফুলের পরাগযোগ বাতাসের সাহায্যে সম্পন্ন হয়, তাদের বায়ুপরাগী ফুল বলে। বাতাস যেহেতু একটি জড় বাহক, তাই এই ফুলগুলোর পোকামাকড় বা পাখিকে আকৃষ্ট করার প্রয়োজন হয় না।
বায়ুপরাগী ফুলের বৈশিষ্ট্য
- বায়ুপরাগী ফুলের পরাগধানী থেকে অসংখ্য পরাগরেণু উৎপন্ন হয়।
- এই ফুলগুলি ক্ষুদ্র, অনুজ্জ্বল প্রকৃতিবিশিষ্ট হয়।
- এই ফুলের কোনো গন্ধ থাকে না এবং মূলত মকরন্দবিহীন হয়।
- পরাগধানী দলমণ্ডল থেকে বাইরে বেরিয়ে থাকে।
- পরাগরেণুগুলি সূক্ষ্ম এবং হালকা হয়, তাই সহজেই বাতাসে উড়তে পারে। যেমন-ধান, নারকেল, ঘাস ইত্যাদি।

জলপরাগী ফুল
যেসব জলজ উদ্ভিদের পরাগযোগ জলের স্রোতের সাহায্যে সম্পন্ন হয়, তাদের জলপরাগী ফুল বলে।
জলপরাগী ফুলের বৈশিষ্ট্য –
- জলপরাগী ফুলগুলি ছোটো, গন্ধহীন এবং অনুজ্জ্বল প্রকৃতিবিশিষ্ট হয়।
- ফুলগুলি প্রধানত একলিঙ্গ প্রকৃতির হয় অর্থাৎ পুরুষ ফুল এবং স্ত্রী ফুল দুটি পৃথক উদ্ভিদে জন্মায়।
- এই ফুলের গর্ভমুণ্ডটি জলের ওপরে অবস্থান করে এবং গর্ভকেশর, পুংকেশরটি পাপড়ি দ্বারা আবৃত থাকে না।
- ফুলগুলি হালকা হয় এবং ফুলের পরাগরেণুগুলিতে মোম জাতীয় পদার্থের প্রলেপ থাকে।
- উদাহরণ – পাতাশ্যাওলা, পাতাঝাঁঝি ইত্যাদি ফুল।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “বায়ুপরাগী এবং জলপরাগী ফুলের বৈশিষ্ট্যগুলি উদাহরণসহ লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন