এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “অটোগ্যামি এবং গেইটোনোগ্যামি কাকে বলে? অটোগ্যামি এবং গেইটোনোগ্যামির মধ্যে পার্থক্য কী?” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা”-এর “সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

অটোগ্যামি এবং গেইটোনোগ্যামি কাকে বলে?
- অটোগ্যামি – যে পরাগযোগে একটি উভলিঙ্গ ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণু ওই ফুলেরই গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হয়, তাকে অটোগ্যামি বলে। যেমন – দোপাটি।
- গেইটোনোগ্যামি – যে পরাগযোগে একটি ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণু ওই উদ্ভিদেরই অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হয়, তাকে গেইটোনোগ্যামি বলে। যেমন – কুমড়ো ফুল।
অটোগ্যামি এবং গেইটোনোগ্যামির মধ্যে পার্থক্য
অটোগ্যামি এবং গেইটোনোগ্যামির মধ্যে পার্থক্য –
| অটোগ্যামি (Autogamy) | গেইটোনোগ্যামি (Geitonogamy) |
| একটি উদ্ভিদের একটি নির্দিষ্ট ফুলের মধ্যে স্বপরাগযোগ ঘটে। | একটি উদ্ভিদের দুটি ভিন্ন ফুলের মধ্যে স্বপরাগযোগ ঘটে। |
| বাহকের প্রয়োজন হয় না। | ভৌত বাহক (যেমন – বায়ু) এবং জৈব বাহক (যেমন – পতঙ্গ)-এর প্রয়োজন হতেও পারে, নাও হতে পারে। |
| এক্ষেত্রে জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয় না। | এক্ষেত্রে জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা থাকে। |
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “অটোগ্যামি এবং গেইটোনোগ্যামি কাকে বলে? অটোগ্যামি এবং গেইটোনোগ্যামির মধ্যে পার্থক্য কী?” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা”-এর “সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন