এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “বৃদ্ধি কাকে বলে? একজন ব্যক্তির বৃদ্ধির ক-টি দশা ও কী কী এবং সেগুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “বৃদ্ধি ও বিকাশ” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বৃদ্ধি কাকে বলে? একজন ব্যক্তির বৃদ্ধির ক-টি দশা ও কী কী এবং সেগুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।
যে উপচিতিমূলক বিপাকক্রিয়ায় জীবদেহের আকার, আয়তন ও শুষ্ক ওজনের স্থায়ী ও অপরিবর্তনীয়ভাবে বেড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে, তাকে বৃদ্ধি বলে।
জীবদেহের বৃদ্ধির দশা –
জীবদেহে বৃদ্ধির দশা প্রধানত তিনটি –
- কোশ বিভাজন,
- কোশের আকার বৃদ্ধি এবং
- কোশীয় বিভেদন।
বৃদ্ধির তিনটি দশার বর্ণনা –
কোশ বিভাজন –
কোশ বিভাজন দশায় একটি কোশ মাইটোসিস কোশ বিভাজন পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়ে নতুন কোশ গঠন করে এবং কোশের সংখ্যা বৃদ্ধি করে। উদ্ভিদের ক্ষেত্রে অগ্রস্থ ভাজক কলায় মাইটোটিক বিভাজনের দ্বারা উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ অর্থাৎ, মূল ও কাণ্ডের দৈর্ঘ্য বেড়ে যায়। প্রাণীদের ক্ষেত্রে এককোষী জাইগোটটি মাইটোসিস কোশ বিভাজন পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়ে প্রথমে মরুলা গঠন করে। মরুলার কোশগুলি ক্রমান্বয়ে বিভাজিত হয়ে গোলাকৃতি ব্লাস্টুলা এবং পরে গ্যাস্ট্রুলা গঠন করে, গ্যাস্ট্রুলায় তিনটি স্তর থাকে, যেমন-এক্টোডার্ম, এন্ডোডার্ম, মেসোডার্ম। গ্যাস্ট্রুলার কোশগুলি পরিবর্তিত হয়ে এবং আকার ও আয়তনে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে ভ্রূণ গঠন করে।

কোশের আকার বৃদ্ধি –
কোশের মধ্যে জল, খনিজ মৌল, পুষ্টিকর বস্তু এবং প্রোটোপ্লাজমীয় পদার্থের সংশ্লেষের মাধ্যমে কোশের আকার ও আয়তন অপরিবর্তনীয়ভাবে বেড়ে যায়। কোশের আকার ও আয়তন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে সমগ্র জীবদেহের বৃদ্ধি ঘটে। যেমন – অস্থির আকার বৃদ্ধি।

কোশীয় বিভেদন –
এই দশায় কোশগুলি বিশেষ গুণসম্পন্ন হয়। পরিণত ও বিশেষ গুণসম্পন্ন কোশগুলি কলা, অঙ্গ এবং তন্ত্র গঠন করে। কোশীয় বিভেদনের ফলে সৃষ্ট কোশগুলি বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি করে জীবদেহে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

জীবদেহে কী কী ধরনের বৃদ্ধি ঘটে?
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “বৃদ্ধি কাকে বলে? একজন ব্যক্তির বৃদ্ধির ক-টি দশা ও কী কী এবং সেগুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “বৃদ্ধি ও বিকাশ” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন