অষ্টম শ্রেণি – বাংলা – নির্মিতি ব্যাকরণ – বাংলা প্রবাদ

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণের “নির্মিতি” থেকে “বাংলা প্রবাদ” নিয়ে আলোচনা করবো। এই অংশ অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

নির্মিতি ব্যাকরণ - বাংলা প্রবাদ - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা
Contents Show

‘প্রবাদ’ কাকে বলে?

‘প্রবাদ’ হলো প্রকৃষ্ট লোকবাদ। বহুকাল ধরে জনমানসের মুখে মুখে প্রচলিত জনপ্রিয় উক্তিকেই ‘প্রবাদ’ বলা হয়। প্রবাদ কোনো একক ব্যক্তির নয়, গোষ্ঠীজীবনের সম্মিলিত সৃষ্টি।

প্রবাদের বাক্যে সার্থক প্রয়োগ (উদাহরণসহ)

নীচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ এবং সেগুলোর বাক্যে ব্যবহারের উদাহরণ দেওয়া হলো –

তাল ঘষলে গন্ধ মিঠা, নেবু ঘষলে হয় তিতা।

নীচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ এবং সেগুলোর বাক্যে ব্যবহারের উদাহরণ দেওয়া হলো:

উত্তর – পরামর্শ জ্ঞানীজনের কাছ থেকে নিলে তা সুফলদায়ক, মূর্খের পরামর্শ প্রায়শই অহিতকর। এই জন্যই কথায় বলে, ‘তাল ঘষলে গন্ধ মিঠা, নেবু ঘষলে হয় তিতা’।

শূন্য কলশির আওয়াজ বেশি।

উত্তর – রীমা নিজে ভীষণ খারাপ গান গায়, অথচ লোকজনকে এমন ভাব দেখায় যেন সে লতা মঙ্গেশকর। কথায় আছে, ‘শূন্য কলশির আওয়াজ বেশি’।

নুন আনতে পান্তা ফুরোয়।

উত্তর – গত বছর কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেকার রবিবাবুর সংসারে এখন ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোয়’ অবস্থা।

অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট।

উত্তর – সবাই মিলে হেডমাস্টারের কাছে ছুটি চাইতে যেয়ো না, সবটাই পণ্ড হবে। কথায় আছে, ‘অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট’।

যার কর্ম তারে সাজে, অন্য লোকে লাঠি বাজে।

উত্তর – শহর থেকে আসা অমৃত কাকা চাষিদের মতো মাঠে ধান লাগাতে গিয়ে একেবারে নাজেহাল হয়ে বাড়ি ফিরলেন। কথায় বলে, ‘যার কর্ম তারে সাজে, অন্য লোকে লাঠি বাজে’।

যার ধন তার ধন নয়, নেপোয় মারে দই।

উত্তর – সারাজীবন ধরে তিল তিল করে অর্থ জমালেন শ্যামাকান্তবাবু, আর তাঁর সেই অর্থ নিয়ে এখন তাঁর ভাগনেরা বিলাসিতায় গা ভাসিয়েছে। ‘যার ধন তার ধন নয়, নেপোয় মারে দই’—একেই বলে বোধহয়।

গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না।

উত্তর – ক্লাবের অনুষ্ঠানে আয়েশার মতো সুগায়িকাকে না ডেকে, আনা হলো কলকাতা থেকে নিম্নমানের এক শিল্পীকে। একেই বলে, ‘গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না’।

রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।

উত্তর – রাজনৈতিক দলের নেতারা মিলে ঝামেলা করবে আর ভোগান্তি হবে সাধারণ মানুষের। কথায় আছে, ‘রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।’

কাজের বেলায় কাজি, কাজ ফুরোলে পাজি।

উত্তর – তোমার তো ‘কাজের বেলায় কাজি, কাজ ফুরোলে পাজি’ পন্থা! তোমার কাজ করতে আর যাব না কখনও, আগেরবারের কথা ভুলিনি।

দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।

উত্তর – বাড়িতে রামদাসের মতো একজন দুষ্ট, বদমাশ চাকর থাকার চেয়ে না-থাকা ভালো। কথায় আছে, ‘দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।’

পিপীলিকার পাখা ওঠে মরিবার তরে।

উত্তর – অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না করে এই বয়সেই পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে বিপুল যাত্রাদলে ভিড়েছে। একেই বলে বোধহয়, ‘পিপীলিকার পাখা ওঠে মরিবার তরে’।

ঘরে নেই ভাত, কোঁচা তিন হাত।

উত্তর – সৌভিককে দেখলে বোঝার উপায় নেই যে, ওর ঘরে ছেলে-বউ আধপেটা খেয়ে দিন কাটায়। একেই বলে, ‘ঘরে নেই ভাত, কোঁচা তিন হাত’।

কাজের মধ্যে দুই, খাই আর শুই।

উত্তর – তোমার তো ‘কাজের মধ্যে দুই, খাই আর শুই’ অবস্থা, তাই কোনো দরকারের সময় পাওয়া যায় না তোমায়।

থোড় বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোড়।

উত্তর – ‘থোড় বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোড়’ জীবনযাপন করলে একঘেয়েমি আসতে বাধ্য। পরিবর্তন আনার জন্য মাঝে মাঝেই নতুন কিছু করা দরকার।

তাদের সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায়।

উত্তর – রমেনবাবু ও সীতানাথবাবুকে একই মিটিং-এ একসঙ্গে কখনোই আশা করা যায় না; তাঁদের সম্পর্ক ‘আদায়-কাঁচকলায়’।

ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়।

উত্তর – আকাশ-ভাঙা বৃষ্টি দেখে সন্ত্রস্ত ও চিন্তিত হয়ে পড়ল গ্রামের সকলে। কথায় আছে, ‘ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়’।

হেলে ধরতে পারে না, কেউটে ধরতে যায়।

উত্তর – গ্রামের রাস্তা সংস্কারের জন্য কিরণবাবু গ্রামপ্রধানের সঙ্গে এ যাবৎ একবার দেখা করে কথা বলতে পারলেন না, আবার তিনি নাকি এ বিষয়ে মন্ত্রীর কাছে জানাতে যাবেন! একেই বলে, ‘হেলে ধরতে পারে না, কেউটে ধরতে যায়’।

মারি তো গণ্ডার, লুটি তো ভাণ্ডার।

উত্তর – পাড়ায় রবীন্দ্রজন্মোৎসবই হোক আর বাড়িতে কোনো বিবাহ অনুষ্ঠানই হোক, অবিনাশবাবুর সবেতেই এলাহি কর্মকাণ্ড। একেই বলে, ‘মারি তো গণ্ডার, লুটি তো ভাণ্ডার।’

বাজারে আগুন লাগলে পীরের ঘর মানে না।

উত্তর – স্কুলের বদমাশ ছেলেগুলোর সঙ্গে মিশছ, যেদিন হেডমাস্টারের কাছে শাস্তি পাবে সেদিন মজা বুঝবে। কথায় আছে, ‘বাজারে আগুন লাগলে পীরের ঘর মানে না’।

এক হাতে তালি বাজে না।

উত্তর – শাশুড়ি-বৌমা মিলে ঝগড়া করছ আর একে-অন্যের নামে দোষ দিচ্ছ, কিন্তু জেনে রেখো, ‘এক হাতে তালি বাজে না’।


প্রবাদের অর্থ ও বাক্যরচনা

নিম্নে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদের অর্থসহ বাক্যরচনা দেওয়া হলো –

সাপের হাঁচি বেদেয় চেনে

(অভিজ্ঞ ব্যক্তি আভাস পাওয়া মাত্রই মূল ব্যাপার বোঝেন) – ক্লাসে পড়া না পারায় নানা অজুহাত খাড়া করল অরিত্র, কিন্তু শিক্ষিকা তা বুঝতে পেরে শাস্তি দিলেন। কারণ, ‘সাপের হাঁচি বেদেয় চেনে।’

ফোঁপরা ঢেঁকির চোপরা বেশি

(অন্তঃসারশূন্য ব্যক্তির আস্ফালন) – রমেশ বছর বছর ফেল করছে, অথচ সবসময় তার সবজান্তার ভাব। কথায় বলে, ‘ফোঁপরা ঢেঁকির চোপরা বেশি’।

অতি চালাকের গলায় দড়ি

(বেশি চালাকি করতে গিয়ে শেষে নিজেই ঠকে যাওয়া) – সস্তায় অতগুলো আম কিনে রীতা ভেবেছিল খুব লাভ করেছে, কিন্তু বাড়ি গিয়ে দেখা গেল সবগুলোই খারাপ। একেই বলে, ‘অতি চালাকের গলায় দড়ি’।

ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে

(অন্যের এমন বিপদে উৎফুল্ল হওয়া যে বিপদে সে নিজেও পড়তে পারে) – ঝড়ে রমাপদর বাড়ির চাল উড়ে গেছে দেখে রমাকান্তর সে কী হাসি! অথচ তারও নড়বড়ে চাল। কথায় বলে, ‘ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে’।

অনভ্যাসের ফোঁটায় কপাল চড়চড় করে

(অভ্যাস না থাকলে ভালো জিনিসও সহ্য হয় না) – চিরকাল মাটির দাওয়ায় ছেঁড়া মাদুরে শুয়ে অভ্যস্ত রঘুনাথের বড়োলোক মেয়ে-জামাইয়ের বাড়ির নরম গদিতে শুয়ে রাতে ঘুমই হলো না। একেই বলে, ‘অনভ্যাসের ফোঁটায় কপাল চড়চড় করে’।

আপনি ভালো তো জগৎ ভালো

(ভালো মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে সবই ভালো) – সুবীরবাবু এত ভালোমানুষ যে, তিনি অন্যের গুণ ছাড়া আর কিছু দেখতে পান না। এজন্যেই বোধহয় কথায় বলে, ‘আপনি ভালো তো জগৎ ভালো’।

কারও পৌষ মাস কারও সর্বনাশ

(একজনের বিপদে অন্যের সুখভোগ) – এ বছর বন্যায় গ্রামের কত ঘর নষ্ট হয়ে গেছে। আশপাশের গ্রাম থেকে ঘরামিদের ডাক পড়ছে, তারা সব সুযোগ বুঝে বেশি বেশি মজুরি নিয়ে নিজেদের আখের গোছাচ্ছে। কথায় বলে, ‘কারও পৌষ মাস কারও সর্বনাশ’।

নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা

(নিজের অক্ষমতার দায়ভার অন্যের উপর চাপানো) – মৌসুমি পাড়ার জলসায় গাইতে উঠে নিজের খারাপ গানের সমস্ত দায়ভার যন্ত্রশিল্পীদের উপর চাপাল। একেই বলে, ‘নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা’।

গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল

(যে নিজেই নিজেকে মাতব্বর ভাবে, অথচ যাকে কেউ মানে না) – পাড়ার সব ব্যাপারে শ্যামাপদর সর্দারি না করলেই চলে না, অথচ ওকে কেউ পছন্দই করে না। কথায় বলে, ‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’।

যেমন বুনো ওল তেমন বাঘা তেঁতুল

(উপযুক্ত ও যোগ্য সাজা) – ফাঁকিবাজ টুকুন কড়া মাস্টার শিশিরবাবুর হাতেই একমাত্র জব্দ। যেমন ‘বুনো ওল তেমন বাঘা তেঁতুল’।

যাচলে সোনা চোদ্দ আনা

(যেচে দেওয়া জিনিস প্রকৃত মর্যাদা পায় না) – নিতান্ত অর্থের প্রয়োজনেই অত ভালো হারমোনিয়ামটা বিক্রি করতে দোকানে নিয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু যা দর দিল তাতে আমার গা কচকচ করছে। কথায় বলে, ‘যাচলে সোনা চোদ্দ আনা’।

যাকে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা

(অপ্রিয় জনের গুণগুলিও দোষের সমগোত্রীয়) – সুব্রত রায়কে নিয়ে রতনবাবু সবসময় পাড়ায় কেচ্ছা রটিয়ে বেড়ান। আসলে, ‘যাকে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা’।

সবুরে মেওয়া ফলে

(ধৈর্য ধরলে বাঞ্ছিত ফল পাওয়া যায়) – চাকরির পরীক্ষা দিয়েছ, এখন অত অস্থির না হয়ে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করো। কথায় আছে, ‘সবুরে মেওয়া ফলে’।

যত গর্জে তত বর্ষে না

(আড়ম্বরের আধিক্য কিন্তু আন্তরিকতার অভাব) – নেতা প্রদীপ মিত্রের মুখে বড়ো বড়ো আস্ফালন বাক্য, কিন্তু কাজের বেলায় বেশিরভাগটাই ফাঁকি। আসলে, ‘যত গর্জে তত বর্ষে না’।

অতি লোভে তাঁতি নষ্ট

(বেশি লোভে নিজেরই সর্বনাশ ঘটে) – বন্যাত্রাণে সরকারপক্ষ থেকে যতটুকু পেয়েছ তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো, বেশি লোভ করতে যেয়ো না। কথায় আছে, ‘অতি লোভে তাঁতি নষ্ট’।

উঠন্তি মুলো পত্তনে চেনা যায়

(ভবিষ্যতে কে কেমন হবে প্রথম জীবনেই তার আভাস পাওয়া যায়) – রাজু যে আমাদের গ্রামের মুখ রাখবে বড়ো হয়ে, সেটা এখন ওকে দেখলেই বোঝা যায়। কথায় আছে, ‘উঠন্তি মুলো পত্তনে চেনা যায়’।

গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল

(কাজ শুরুর আগেই ফললাভের প্রত্যাশা) – এখনও চাকরি পেল না, অথচ চাকরি পেয়ে কী কী করবে তাই নিয়ে ভেবে যাচ্ছে রঞ্জিনী। একেই বলে, ‘গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল’।

ইল্লত যায় না ধুলে, স্বভাব যায় না মলে

(নিজের স্বভাব কেউ ছাড়তে পারে না) – দু-বছর জেল খেটে রাঘব গুন্ডার মধ্যে আমূল পরিবর্তন আসবে ভাবা বৃথা, ওর থেকে সাবধানে থাকতেও হবে। কথায় আছে, ‘ইল্লত যায় না ধুলে, স্বভাব যায় না মলে।’

দশ চক্রে ভগবান ভূত

(দুষ্ট লোকেদের সংস্পর্শে ভালো লোকও খারাপ বলে প্রতিপন্ন হয়) – পাড়ার বখাটে ছেলেদের সঙ্গে মিশে মিশে রোহনের মতো ভালো ছেলের নামেও আজকাল অপবাদ শোনা যাচ্ছে। কথায় বলে, ‘দশ চক্রে ভগবান ভূত’।

জলে কুমির ডাঙায় বাঘ

(উভয় সংকট) – একদিকে মায়ের আদেশ ‘খেলতে যাবে না’, অন্যদিকে খেলার টিমের কাপ্তেন হওয়ায় সমস্ত দায়দায়িত্ব হঠাৎ করে শুভম ছাড়তেও পারছে না। তার এখন ‘জলে কুমির ডাঙায় বাঘ’ অবস্থা।


এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণের “নির্মিতি” থেকে “বাংলা প্রবাদ” নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে উপকারে আসবে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

নির্মিতি ব্যাকরণ - এক শব্দের একাধিক অর্থে প্রয়োগ - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – নির্মিতি ব্যাকরণ – এক শব্দের একাধিক অর্থে প্রয়োগ

অষ্টম শ্রেণি বাংলা - ছোটোদের পথের পাঁচালী - সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ছোটোদের পথের পাঁচালী – সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

ব্যাকরণ বিভাগ - সাধু ও চলিত রীতি - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সাধু ও চলিত রীতি

About The Author

Souvick

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – নির্মিতি ব্যাকরণ – এক শব্দের একাধিক অর্থে প্রয়োগ

অষ্টম শ্রেণি – বাংলা – নির্মিতি ব্যাকরণ – বাংলা প্রবাদ

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ছোটোদের পথের পাঁচালী – সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সাধু ও চলিত রীতি

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সমাস