এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণের “ব্যাকরণ বিভাগ” থেকে “ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়ার ভাব” নিয়ে আলোচনা করবো। এই অংশ অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অষ্টম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

‘ক্রিয়ার কাল’ কাকে বলে?
যে সময়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় বা সংঘটিত হয়, তাকে ‘ক্রিয়ার কাল’ বলে।
কালকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়?
কালকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলি হল –
- অতীত
- বর্তমান
- ভবিষ্যৎ
বর্তমান কাল বলতে কী বোঝায় একটি উদাহরণসহ লেখো।
কোনো কাজ যখন বর্তমানে হচ্ছে বা এখনও হচ্ছে বা চিরকালই হয়ে চলে বোঝায়, তখন তাকে বর্তমান কাল বলে। যেমন – আমি খাচ্ছি। তুমি গান গাইছ। পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
ক্রিয়ার বর্তমান কালকে ক্রিয়া সংঘটন কালের সূক্ষ্মতা অনুযায়ী কত ভাগে ভাগ করা সম্ভব লেখো।
ক্রিয়ার বর্তমান কালকে ক্রিয়া-সংঘটন কালের সূক্ষ্মতা অনুযায়ী চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলি হল –
- সাধারণ বা নিত্য বর্তমান
- ঘটমান বর্তমান
- পুরাঘটিত বর্তমান
- বর্তমান কালের অনুজ্ঞা
সাধারণ বা নিত্য বর্তমান কাল কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যে ক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে ঘটে বা নিত্য বা বরাবর ঘটে থাকে, তাকে বলে সাধারণ বা নিত্য বর্তমান কাল। সাধারণ বা নিত্য বর্তমান কালে মূলত কোনো কালবাচক প্রত্যয় যুক্ত হয় না। যেমন – মায়েরা স্নেহময়ী হন। আমি ভগবানে বিশ্বাস করি।
ঐতিহাসিক বর্তমান কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
সাধারণ বর্তমানের কোনো ক্রিয়াপদকে অতীতে সংঘটিত কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার ক্রিয়াপদ হিসেবে ব্যবহার করলে তাকে ঐতিহাসিক বর্তমান বলা হয়। যেমন – তুলসী দাস ‘রামচরিত মানস’ রচনা করেন।
অতীত কালের অর্থে বর্তমান কালের ক্রিয়ার ব্যবহার বলতে কী বোঝো? উদাহরণ দাও।
অনেকসময় অতীত কাল বোঝাতে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়াপদকে ব্যবহার করা হয়, একেই বলে অতীত কালের অর্থে বর্তমান কালের ক্রিয়ার ব্যবহার। যেমন – 2000 সালে আমি ঐকতান ক্লাবে যোগদান করি।
অতীত অর্থে বর্তমান কালের ক্রিয়ার একটি উদাহরণ দাও।
অতীত অর্থে বর্তমান কালের ক্রিয়ার একটি উদাহরণ হল – গত বছর রীতা যখন গ্রামের বাড়িতে যায় তখনই তার অসুস্থ বাবাকে কলকাতায় নিয়ে আসে।
ঘটমান বর্তমান কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
ঘটমান অর্থাৎ ঘটছে এমন। বর্তমানে যে কাজটা ঘটছে বা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাকে ঘটমান বর্তমান কাল বলে। সাধুভাষায় এদের রূপ হয় – করিতেছি, যাইতেছি, খাইতেছি ইত্যাদি। আর চলিত ভাষায় এদের রূপ হয় – করছি, যাচ্ছি, খাচ্ছি ইত্যাদি। যেমন – রাজু স্কুলে যাচ্ছে।
ঘটমান বর্তমান কালে ‘বল্’ ধাতুর (চলিতভাষায়) উত্তম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ এবং প্রথম পুরুষে কী কী রূপ হবে লেখো।
ঘটমান বর্তমান কালে ‘বল্’ ধাতুর (চলিতভাষায়) উত্তম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ এবং প্রথম পুরুষের রূপগুলি হল যথাক্রমে – বলছি (উত্তম পুরুষ), বলছ (মধ্যম পুরুষ), বলছে (প্রথম পুরুষ)।
পুরাঘটিত বর্তমান কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যে কাজ শেষ হয়ে গেছে কিন্তু তার ফল বর্তমান, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান বলে। সাধুভাষায় এর রূপ হয় মূলত – করিয়াছি, করিয়াছে ইত্যাদি। আর চলিতভাষায় এর রূপ হয় – করেছি, করেছে ইত্যাদি। যেমন – আমি সকালে ভাত খেয়েছি।
পুরাঘটিত বর্তমান ও ঘটমান বর্তমানের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
পুরাঘটিত বর্তমান ও ঘটমান বর্তমানের মধ্যে পার্থক্য হল – পুরাঘটিত বর্তমানে কাজটি শেষ হয়ে যায় অতীতে, কিন্তু তার ফলটি বর্তমানে চলতে থাকে, যেমন – রূপা সকালে দুধ-রুটি খেয়েছে। ঘটমান বর্তমানে কাজটা ঘটতে থাকে বর্তমানে, যেমন – দিয়া বই পড়ছে।
বর্তমান কালের অনুজ্ঞা বা বর্তমান অনুজ্ঞা কাকে বলে?
অনুজ্ঞা অর্থাৎ আদেশ, অনুরোধ, প্রার্থনা, উপদেশ, আশীর্বাদ, যে ক্রিয়াপদ বর্তমান কালের কোনো অনুজ্ঞাকে বোঝায় তাকে বর্তমান অনুজ্ঞা বলে। যেমন – মন দিয়ে শোনো।
অতীত কাল কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
অতীতে শেষ হয়ে গেছে যে ক্রিয়া এবং তার রেশ বর্তমানে আর অনুভূত হয় না, সেই ক্রিয়ার কালকে অতীত কাল বলে। যেমন – রবি পরশু দিন স্কুলে গিয়েছিল।
অতীত কালকে কত ভাগে ভাগ করা যায় এবং কী কী?
অতীত কালকে চার ভাগে ভাগ করা যায়, ক্রিয়া সংঘটনের সূক্ষ্মতার বিচারে। এগুলি হল –
- সাধারণ বা নিত্য অতীত
- ঘটমান অতীত
- পুরাঘটিত অতীত
- নিত্যবৃত্ত অতীত
সাধারণ বা নিত্য অতীত কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
অতীতে যে কাজ হয়ে গেছে তাকে সাধারণ বা নিত্য বা সামান্য অতীত কাল বলে। সাধারণ বা নিত্য অতীতে মূল ধাতুর সঙ্গে অতীত কাল-বাচক ‘ইল্’ প্রত্যয় এবং পুরুষ অনুসারে ‘আম’, ‘এ’, ‘অ’, ‘এন’, ‘ই’ ইত্যাদি যুক্ত হয়। যেমন – সৌরভবাবু পরশু দিল্লি গেলেন।
ঘটমান অতীত কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
অতীতে কোনো ক্রিয়া ঘটছিল বা চলছিল বোঝালে, তার কালকে ঘটমান অতীত কাল বলা হয়। সাধুভাষায় এই কালের রূপগুলি হল – করিতেছিলাম, করিতেছিলে ইত্যাদি। আর চলিত ভাষায় এর রূপগুলি হল – করছিলাম, করছিলে ইত্যাদি। যেমন – তপন গান গাইছিল। তানিয়া বই পড়ছিল।
পুরাঘটিত অতীত কাল কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
অনেক আগে ঘটে গেছে বর্তমানে তার প্রভাব নেই এমন কাজ বোঝালে পুরাঘটিত অতীত কাল হয়। সাধুভাষায় এই কালের রূপগুলি হল – করিয়াছিলেন, করিয়াছিলে ইত্যাদি। আর চলিত ভাষায় এর রূপগুলি হল – করেছিলেন, করেছিলে ইত্যাদি। যেমন – আমি কলেজ স্ট্রিটে বই কিনতে গিয়েছিলাম।
পুরাঘটিত অতীত কালে ‘কর্’ ধাতুর চলিতভাষায় উত্তম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ ও প্রথম পুরুষের রূপ লেখো।
পুরাঘটিত অতীত কালে ‘কর্’ ধাতুর চলিতভাষায় উত্তম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ ও প্রথম পুরুষের রূপগুলি হল – করেছিলাম (উত্তম পুরুষ), করেছিলে (মধ্যম পুরুষ), করেছিল (প্রথম পুরুষ)।
নিত্যবৃত্ত অতীত কাল কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
অতীতে কোনো কাজ নিয়মিত হত বোঝালে, নিত্যবৃত্ত অতীতকাল হয়। যেমন – রেশমি সপ্তাহে তিনদিন সাঁতারে যেত।
নিত্যবৃত্ত অতীত কালে ‘নাচ্’ ধাতুর তিন পুরুষের তিনটি রূপ দিয়ে চলিতভাষায় তিনটি বাক্যরচনা করো।
নিত্যবৃত্ত অতীত কালে ‘নাচ্’ ধাতুর তিন পুরুষের তিনটি রূপ দিয়ে চলিতভাষায় তিনটি বাক্যরচনা করলে হয় –
- আমি রোজ নাচতাম। (উত্তম পুরুষ)
- তুমি সপ্তাহে তিনদিন নাচতে। (মধ্যম পুরুষ)
- সে রোজ নাচত। (প্রথম পুরুষ)
ভবিষ্যৎ কাল কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
ক্রিয়াপদের কোনো কাজ ভবিষ্যতে বা পরে হবে বোঝালে ভবিষ্যৎ কাল হয়। যেমন – পুজোর ছুটিতে কালিম্পং যাব।
ভবিষ্যৎ কালকে কত ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?
ভবিষ্যৎ কালকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলি হল –
- সাধারণ ভবিষ্যৎ
- ঘটমান ভবিষ্যৎ
- পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ
- ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা
সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যে ক্রিয়া এখনও না ঘটলেও ভবিষ্যতে নিশ্চিতভাবে ঘটবেই, তার কালকে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল বলে। সাধারণ ভবিষ্যতে মূল ধাতুর সঙ্গে ভবিষ্যৎ কালবাচক ‘ইব্’ প্রত্যয় এবং পুরুষানুযায়ী, ‘অ’, ‘এ’, ‘এন’, ‘ই’ ইত্যাদি যুক্ত হয়ে ক্রিয়ারূপ গঠিত হয়।
ভবিষ্যৎ কালে ‘বল্’ ধাতুর পুরুষভেদে চলিতভাষার রূপগুলি লেখো।
ভবিষ্যৎ কালে ‘বল্’ ধাতুর পুরুষভেদে চলিতভাষার রূপগুলি হল – বলব (উত্তম পুরুষ), বলবে (মধ্যম পুরুষ), বলবে (প্রথম পুরুষ)।
ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
কোনো ক্রিয়া ভবিষ্যতে ঘটতে থাকবে বোঝালে তার কালকে ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল বলে। যেমন – মানুষ সচেতন না হলে পৃথিবী আরও উষ্ণ হতে থাকবে।
‘চল্’ ধাতুর পুরুষ ভেদে ঘটমান ভবিষ্যৎ কালের বিভিন্ন রূপ লেখো।
‘চল্’ ধাতুর পুরুষ ভেদে ঘটমান ভবিষ্যৎ কালের বিভিন্ন রূপ হল – চলতে থাকব (উত্তম পুরুষ)। চলতে থাকবে (মধ্যম পুরুষ)। চলতে থাকবে (প্রথম পুরুষ)।
পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ বা পুরাঘটিত সম্ভাব্য কাকে বলে?
কোনো ক্রিয়া ভবিষ্যতে সংঘটিত হয়ে থাকবে বা সম্ভবত সংঘটিত হয়ে থাকবে – এরূপ অর্থ বোঝায় যে ক্রিয়ার কাল, তাকে বলা হয় পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ বা পুরাঘটিত সম্ভাব্য।
পুরাঘটিত ভবিষ্যতের ক্রিয়াটি খানিকটা অতীতের ভাবও বহন করে বলে একে সম্ভাব্য অতীতও বলা হয়। যেমন – হয়তো আমিই বলে থাকব। কেউ বলবে না, তবুও হয়তো সে সমস্ত কাজ সেরে রাখবে।
ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
ভবিষ্যতের জন্য কোনো অনুজ্ঞা অর্থাৎ আদেশ, অনুরোধ, উপরোধ বোঝালে তাকে ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা বলা হয়। যেমন – তুমি কাল একবার এসো।
সারণির সাহায্যে ক্রিয়াপদের কালের তিনটি রূপভেদ উদাহরণসহ দেখাও।
| পুরুষ | বর্তমান (সাধারণ) সাধু/চলিত | অতীত (সাধারণ) সাধু/চলিত | ভবিষ্যৎ (সাধারণ) সাধু/চলিত |
| আমি | খাই / খাই | খেলাম / খাইলাম | খাব / খাইব |
| তুমি | খাও / খাও | খেলে / খাইলে | খাবে / খাইবে |
| আপনি | খান / খান | খেলেন / খাইলেন | খাবেন / খাইবেন |
| তুই | খাস / খাস | খেলি / খাইলি | খাবি / খাইবি |
| সে | খায় / খায় | খেল / খাইল | খাবে / খাইবে |
| তিনি | খান / খান | খেলেন / খাইলেন | খাবেন / খাইবেন |
ঘটমান অতীতের উত্তম পুরুষ যদি হয় ‘ছিলাম’ তাহলে ঘটমান ভবিষ্যতের মধ্যম পুরুষ কী হবে?
ঘটমান অতীতের উত্তম পুরুষ যদি হয় ‘ছিলাম’ তাহলে ঘটমান ভবিষ্যতের মধ্যম পুরুষ হবে – ‘তে থাকবে’।
নিত্যবৃত্ত বলতে কী বোঝায়? যে-কোনো একটি কালের সাপেক্ষে উদাহরণ দাও।
নিত্যবৃত্ত বলতে বোঝায়, কোনো কাজ অতীতে রোজ হত বা বর্তমানে রোজ হয় তাকে। অতীত কালের সাপেক্ষে নিত্যবৃত্তের একটি উদাহরণ হবে – রমেনবাবু রোজ সকালে বাজার যেতেন।
‘রূপ’ ও ‘অর্থ’ অনুসারে ক্রিয়ার কালকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
‘রূপ’ ও ‘অর্থ’ অনুসারে ক্রিয়ার কালকে দু-ভাগে ভাগ করা যায়। যথা –
- মৌলিক কাল বা সরল কাল।
- যৌগিক কাল বা মিশ্র কাল।
মৌলিক কাল বা সরল কাল কাকে বলে?
যে কালে ধাতুর সঙ্গে অন্য ধাতু যুক্ত হয় না, শুধুমাত্র ক্রিয়া বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয় সেই কালকে মৌলিক কাল বা সরল কাল বলে।
বাংলায় মৌলিক কালের রূপ ক-টি ও কী কী?
বাংলায় মৌলিক বা সরল কালের রূপ প্রধানত চারটি –
- সাধারণ বা নিত্য বর্তমান,
- সাধারণ অতীত,
- নিত্যবৃত্ত অতীত এবং
- সাধারণ ভবিষ্যৎ।
মিশ্র বা যৌগিক কাল কাকে বলে?
যে কালে ধাতুর সঙ্গে অন্য কোনো ধাতু ও ক্রিয়া বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, সেই কালকে মিশ্র বা যৌগিক কাল বলে।
বাংলায় মিশ্র বা যৌগিক কালরূপ ক-টি?
বাংলায় মিশ্র বা যৌগিক কালরূপ দশটি। এগুলি হল –
- ঘটমান বর্তমান,
- পুরাঘটিত বর্তমান,
- ঘটমান অতীত,
- পুরাঘটিত অতীত,
- ঘটমান ভবিষ্যৎ,
- পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ বা পুরাঘটিত সম্ভাব্য বা সম্ভাব্য অতীত,
- নিত্যবৃত্ত বর্তমান,
- নিত্যবৃত্ত ঘটমান বর্তমান,
- ঘটমান পুরা নিত্যবৃত্ত,
- পুরাঘটিত নিত্যবৃত্ত বা পুরাসম্ভাব্য নিত্যবৃত্ত।
ক্রিয়ার ভাব বলতে কী বোঝো? উদাহরণ দাও।
ক্রিয়ার ভাব বলতে বোঝানো হয় বাক্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার রীতিকে। যেমন – আমার বইটি এসে দিয়ে যাও। (এখানে ক্রিয়ার ভাবটি আদেশ বোঝাচ্ছে)
ক্রিয়ার ভাব কত প্রকার ও কী কী?
ক্রিয়ার ভাব তিন প্রকার। যথা –
- নির্দেশক ভাব,
- অনুজ্ঞা ভাব ও
- আপেক্ষিক ভাব।
নির্দেশক ভাব কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
ক্রিয়ার মাধ্যমে যখন কাজ হওয়া, না হওয়া, না করা বোঝায় বা কোনো প্রশ্ন বা বিস্ময়ের দ্বারা কাজটি নির্দেশিত হয়, ক্রিয়ার সেই ভাবকে নির্দেশক ভাব বলা হয়। যেমন – সে কখনও দার্জিলিং যায়নি।
অনুজ্ঞা ভাব বলতে কী বোঝো?
আদেশ, অনুরোধ, আমন্ত্রণ, প্রার্থনা, আশীর্বাদ, উপদেশ, উপেক্ষা ইত্যাদি অনুজ্ঞা ভাব ক্রিয়ার দ্বারা প্রকাশিত হলে ক্রিয়ার সেই ভাবটিকে অনুজ্ঞা ভাব বলা হয়।
অনুজ্ঞা ভাবকে কালের দিক থেকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
অনুজ্ঞাকে কালের দিক থেকে দু-ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলি হল –
- বর্তমান কালের অনুজ্ঞা ও
- ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা।
‘বল্’ ধাতুর বর্তমান কালের অনুজ্ঞায় প্রথম পুরুষের সম্ভ্রমার্থে এবং তুচ্ছার্থে কী কী রূপ হয় লেখো।
‘বল্’ ধাতুর বর্তমান কালের অনুজ্ঞায় প্রথম পুরুষের সম্ভ্রমার্থে এবং তুচ্ছার্থে রূপ হবে – বলুক (তুচ্ছার্থে রূপ)। বলুন (সম্ভ্রমার্থে রূপ)।
আপেক্ষিক ভাব কাকে বলে?
মিশ্র বা জটিল বাক্যের অন্তর্গত একটি বাক্যের অর্থ যদি অন্য একটি বাক্যের উপর নির্ভরশীল থাকে, তাহলে যে বাক্যটির উপর নির্ভরশীল থাকে সেই বাক্যের ক্রিয়াভাবকে আপেক্ষিক ভাব বা ঘটনান্তরাপেক্ষিত ভাব বলা হয় যেমন –
- তুমি যদি বাজার না যাও তাহলে আজ খাওয়া জুটবে না।
- যদি আজ বৃষ্টি হয় তবে আমি যাব না।
আপেক্ষিক ভাবের একটি উদাহরণ দাও।
আপেক্ষিক ভাবের একটি উদাহরণ হল – যদি লোভ জয় করতে পারো তবেই জীবনে উন্নতি করতে পারবে।
ক্রিয়া বিভক্তি কাকে বলে?
ধাতুর সঙ্গে যে বিভক্তিগুলি বা শব্দগুলি যোগ হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে ক্রিয়া বিভক্তি বলে। যেমন – বল্ (ধাতু) + লে (ক্রিয়া বিভক্তি) = বললে।
বাক্যের মধ্যে ক্রিয়াপদটি কীভাবে গঠিত হয়?
বাংলায় কালবাচক প্রত্যয় এবং পুরুষবাচক বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়া বিভক্তি গঠিত হয়। ধাতুর সঙ্গে এই ক্রিয়া বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
সারণির মাধ্যমে ক্রিয়ার কালভেদে এবং ক্রিয়ার বিভক্তি উদাহরণসহ দেখাও।
| কাল | প্রকার | ক্রিয়াবিভক্তি | উদাহরণ |
| বর্তমান | 1. সাধারণ | ‘এ’ বা ‘শূন্য’ বিভক্তি। | করি, করে, দেখে, শুনি। |
| 2. ঘটমান | ‘ছি’, ‘ছে’, ‘ছ’ (ইতেছি, ইতেছ, ইতেছে) যোগে। | বলছি, শুনছ, করছে, দেখিতেছি। | |
| 3. পুরাঘটিত | ‘এছি’, ‘এছ’, (ইয়াছে, ইয়াছি, ইয়াছ) ইত্যাদি যোগ। | করেছ, দেখেছে, শুনেছি, বলিয়াছি, আসিয়াছে। | |
| 4. অনুজ্ঞা | – | করো, হও। | |
| অতীত | 1. সাধারণ | ‘ল’, ‘লি’, ‘লাম’ (‘ইল’, ‘ইলি’, ‘ইলাম’) যোগে। | করিল, বলিলাম, দেখল, গেলাম। |
| 2. ঘটমান | ‘ছিল’, ‘ছিলাম’, ‘ছিলে’ (‘ইতেছিল’, ‘ইতেছিলাম’, ‘ইতে ছিল’) যোগ। | করছিল, দেখছিলাম, বলিতেছিলাম, যাইতেছিল। | |
| 3. পুরাঘটিত | ‘এছিলাম’, ‘এছিল’, ‘এছিলে’ (‘ইয়াছিল’, ‘ইয়াছিলাম’, ‘ইয়াছিলে’) যোগে। | বলেছিল, গিয়েছিলাম, করিয়াছিলে, শুনিয়াছিল। | |
| 4. নিত্যবৃত্ত | ‘ত’, ‘তে’, ‘তাম’ (‘ইত’, ‘ইতে’, ‘ইতাম’) যোগে। | যেতাম, শুনত, দেখিতে, বলিতে। | |
| ভবিষ্যৎ | 1. সাধারণ | ‘ব’, ‘বে’, ‘বি’ (‘ইব’, ‘ইবে’, ‘ইবি’) যোগে। | করব, বলবে, শুনবি, দেখিব, যাইবে। |
| 2. ঘটমান | ‘তে থাকব’, ‘তে থাকবে’, ‘তে থাকবি’, (‘ইতে থাকিব’, ‘ইতে থাকিবে’, ‘ইতে থাকিবি’) যোগে। | করিতে থাকিব, দেখতে থাকবে, শুনতে থাকবি, যাইতে থাকিবে। | |
| 3. পুরাঘটিত | ‘এ থাকবে’, ‘এ থাকব’, ‘এ থাকবি’, (‘ইয়া থাকিব’, ‘ইয়া থাকিবে’) যোগে। | করে থাকব, শুনে থাকবে, দেখিয়া থাকিব, যাইয়া থাকিবে। | |
| 4. অনুজ্ঞা | – | থেকো, যেয়ো ইত্যাদি। |
বর্তমান কালে পুরুষভেদে ক্রিয়া বিভক্তির রূপগুলি সারণির সাহায্যে দেখাও।
| বর্তমান কালের প্রকার | উত্তম পুরুষ | মধ্যম পুরুষ | প্রথম পুরুষ |
| সাধারণ/নিত্য বর্তমান | ই | অ, ইস্, এন | এ, এন |
| ঘটমান বর্তমান | ইতেছি (ছি) | ইতেছ (ছ), ইতেছিস (ছিস), ইতেছেন (ছেন) | ইতেছে (ছে), ইতেছেন (ছেন) |
| পুরাঘটিত বর্তমান | ইয়াছি (এছি) | ইয়াছ (এছ), ইয়াছিস (এছিস), অ, উন | ইয়াছে (এছে), ইয়াছেন (এছেন) |
| বর্তমানের অনুজ্ঞা | – | অ, উন | উক, উন |
‘বল্’ ধাতুর বর্তমান কালে পুরুষভেদে যে যে রূপ হবে তা সারণির সাহায্যে দেখাও।
| বর্তমান কালের প্রকার | উত্তম পুরুষ | মধ্যম পুরুষ | প্রথম পুরুষ |
| সাধারণ/নিত্য বর্তমান | বলি | বল, বলিস, বলেন | বলে, বলেন |
| ঘটমান বর্তমান | বলিতেছি (বলছি) | বলিতেছ (বলছ), বলিতেছিস (বলছিস) | বলিতেছে (বলছে), বলিতেছেন (বলছেন) |
| পুরাঘটিত বর্তমান | বলিয়াছি (বলেছি) | বলিয়াছ (বলেছ), বলিয়াছিস (বলেছিস), বলিয়াছেন (বলেছেন) | বলিয়াছে (বলেছে), বলিয়াছেন (বলেছেন) |
| বর্তমানের অনুজ্ঞা | – | বল, বলুন | বলুক, বলুন |
অতীত কালে পুরুষভেদে ক্রিয়া বিভক্তির রূপগুলি সারণির সাহায্যে দেখাও।
| অতীত কালের প্রকার | উত্তম পুরুষ | মধ্যম পুরুষ | প্রথম পুরুষ |
| সাধারণ/নিত্য অতীত | ইলাম (লাম, লুম, লেম) | ইলে (লে), ইলি (লি) | ইল (ল), ইলেন (লেন) |
| নিত্যবৃত্ত অতীত | ইততাম (তাম, তুম, তেম) | ইতে, ইতিস্ (তিস্) | ইত (ত), ইতেন (তেন) |
| ঘটমান অতীত | ইতেছিলাম (ছিলাম, ছিলুম, ছিলেম) | ইতেছিলে (ছিলে), ইতিছিলি (ছিলি), ইতেছিলেন (ছিলেন) | ইতেছিল (ছিল), ইতেছিলেন (ছিলেন) |
| পুরাঘটিত অতীত | ইয়াছিলাম (এছিলাম, এছিলুম, এছিলেম) | ইয়েছিলে (এছিলে), ইয়াছিলি (এছিলি), ইয়াছিলেন (এছিলেন) | ইয়াছিল (এছিল), ইয়াছিলেন (এছিলেন) |
‘বল্’ ধাতুর অতীত কালে পুরুষভেদে যে যে রূপ হবে তা সারণির সাহায্যে দেখাও।
| অতীত কালের প্রকার | উত্তম পুরুষ | মধ্যম পুরুষ | প্রথম পুরুষ |
| সাধারণ/নিত্য অতীত | বলিলাম (বললাম, বল্লুম, বললেম) | বলিলে (বললে), বলিলি (বললি), বলিলেন (বললেন) | বলিল (বলল), বলিলেন (বললেন) |
| নিত্যবৃত্ত অতীত | বলিতাম (বলতাম, বলতুম, বলতেম) | বলিতে (বলতে), বলিতিস (বলতিস), বলিতেন (বলতেন) | বলিত (বলত), বলিতেন (বলতেন) |
| ঘটমান অতীত | বলিতেছিলাম (বলছিলাম, বলছিলুম, বলছিলেম) | বলিতেছিলে (বলছিলে), বলিতেছিলি (বলছিলি), বলিতেছিলেন (বলছিলেন) | বলিতেছিল (বলছিল), বলিতেছিলেন (বলছিলেন) |
| পুরাঘটিত অতীত | বলিয়াছিলাম (বলেছিলাম) | বলিয়াছিলে (বলেছিলে), বলিয়াছিলি (বলেছিলি), বলিয়াছিলেন (বলেছিলেন) | বলিয়াছিল (বলেছিল), বলিয়াছিলেন (বলেছিলেন) |
ভবিষ্যৎ কালে পুরুষভেদে ক্রিয়া বিভক্তির রূপগুলি সারণির সাহায্যে দেখাও।
| ভবিষ্যৎ কালের প্রকার | উত্তম পুরুষ | মধ্যম পুরুষ | প্রথম পুরুষ |
| সাধারণ ভবিষ্যৎ | ইব (ব) | ইবে (বে), ইবি (বি), ইবেন (বেন) | ইবে (বে), ইবেন (বেন) |
| ঘটমান ভবিষ্যৎ | ইতে থাকিব (তে থাকব) | ইতে থাকিবে (তে থাকবে), ইতে থাকিবি (তে থাকবি), ইতে থাকিবেন (তে থাকবেন) | ইতে থাকিবে (তে থাকবে), ইতে থাকিবেন (তে থাকবেন) |
| পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ | ইয়া থাকিব (এ থাকব) | ইয়া থাকিবে (এ থাকবে), ইয়া থাকিবি (এ থাকবি), ইয়া থাকিবেন (এ থাকবেন) | ইয়া থাকিবে (এ থাকবে), ইয়া থাকিবেন (এ থাকবেন) |
| ভবিষ্যতের অনুজ্ঞা | – | ইবে (বে), ইবেন, ইও (ও), ইবি (বি), ইস্ (ইস) | ইবে (বে), ইবেন (বেন) |
‘বল্’ ধাতুর ভবিষ্যৎকালে পুরুষভেদে যে যে রূপ হবে তা সারণির সাহায্যে দেখাও।
| ভবিষ্যৎ কালের প্রকার | উত্তম পুরুষ | মধ্যম পুরুষ | প্রথম পুরুষ |
| সাধারণ ভবিষ্যৎ | বলিব (বলব) | বলিবে (বলবে), বলিবি (বলবি), বলিবেন (বলবেন) | বলিবে (বলবে), বলিবেন (বলবেন) |
| ঘটমান ভবিষ্যৎ | বলিতে থাকিব (বলতে থাকব) | বলিতে থাকিবে (বলতে থাকবে), বলিতে থাকিবি (বলতে থাকবি), বলিতে থাকিবেন (বলতে থাকবেন) | বলিতে থাকিবে (বলতে থাকবে), বলিতে থাকিবেন (বলতে থাকবেন) |
| পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ | বলিয়া থাকিব (বলে থাকব) | বলিয়া থাকিবে (বলে থাকবে), বলিয়া থাকিবি (বলে থাকবি), বলিয়া থাকিবেন (বলে থাকবেন) | বলিয়া থাকিবে (বলে থাকবে), বলিয়া থাকিবেন (বলে থাকবেন) |
| ভবিষ্যতের অনুজ্ঞা | – | বলিবে (বলবে), বলিবেন (বলবেন), বলিও (বলো), বলিবি (বলবি), বলিস্ (বলিস) | বলিবে (বলবে), বলিবেন (বলবেন) |
ঠিক বিকল্পটি বেছে নিয়ে বাক্যটি আবার লেখো।
1. কালকে আমরা প্রধানত যে ক-ভাগে ভাগ করতে পারি –
- দুই
- তিন
- চার
- পাঁচ
উত্তর – 2. তিন
2. যে ক্রিয়া এখন সংঘটিত হচ্ছে তাকে বলা হয় –
- নিত্য বর্তমান
- ঘটমান বর্তমান
- পুরাঘটিত বর্তমান
- ঘটমান অতীত
উত্তর – 2. ঘটমান বর্তমান
3. আমি তো এসে গেছি। – এই বাক্যের ক্রিয়ার কালটি হল –
- অতীত কাল
- পুরাঘটিত অতীত
- পুরাঘটিত বর্তমান
- ঘটমান বর্তমান
উত্তর – 3. পুরাঘটিত বর্তমান
4. ভারত সরকার তাঁকে পদ্মভূষণ উপাধিদানে সম্মানিত করেন। – এই বাক্যের ক্রিয়ার কালটি হল –
- নিত্য বর্তমান
- ঘটমান বর্তমান
- পুরাঘটিত বর্তমান
- সাধারণ অতীত
উত্তর – 1. নিত্য বর্তমান
5. আমি যখন চেঁচাতে থাকব, তুই এসে আমাকে সামলানোর অভিনয় করতে থাকবি। – এই বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া দুটির কাল হল –
- সাধারণ বর্তমান ও সাধারণ ভবিষ্যৎ
- ঘটমান বর্তমান ও ঘটমান ভবিষ্যৎ
- দুটিই ঘটমান বর্তমান
- দুটিই ঘটমান ভবিষ্যৎ
উত্তর – 4. দুটিই ঘটমান ভবিষ্যৎ (সমাপিকা ক্রিয়া দুটি হল – ‘থাকব’, ‘থাকবি’)।
6. কাল ও পুরুষানুসারে যে ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠন করে, সেই ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে বলে –
- ক্রিয়া বিভক্তি
- ক্রিয়ার কাল
- ক্রিয়ার ভাব
- ক্রিয়ার ধাতু
উত্তর – 1. ক্রিয়া বিভক্তি
7. ‘আমি যদি ক্যাপ্টেন হই, তাহলে চারজন স্ট্রাইকার নিয়ে খেলব।’ – এটি ক্রিয়ার কোন্ ভাবের উদাহরণ?
- নির্দেশক
- বর্তমান অনুজ্ঞা
- ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা
- আপেক্ষিক ভাব
উত্তর – 4. আপেক্ষিক ভাব
8. ‘আগামী তিনদিনের মধ্যে কাজটি দাও।’ – এটি ক্রিয়ার কোন্ ভাবের উদাহরণ –
- নির্দেশক
- বর্তমান অনুজ্ঞা
- ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা
- আপেক্ষিক ভাব
উত্তর – 3. ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা ভাব
9. ‘সত্য সেলুকাস! কী বিচিত্র এই দেশ!’ – এই বাক্যটি সম্পর্কে নীচের কোন্ বক্তব্যটি ঠিক –
- এটি বর্তমান কাল ও বর্তমান অনুজ্ঞার উদাহরণ
- এটি বর্তমান কাল ও নির্দেশক ভাবের উদাহরণ
- এটি অতীত কাল ও অতীত অনুজ্ঞার উদাহরণ
- এটি অতীত কাল ও নির্দেশক ভাবের উদাহরণ
উত্তর – 2. এটি বর্তমান কাল ও নির্দেশক ভাবের উদাহরণ
10. নীচের কোনটি মৌলিক কালের উদাহরণ –
- পুরাঘটিত নিত্যবৃত্ত
- পুরাসম্ভাব্য নিত্যবৃত্ত
- নিত্যবৃত্ত অতীত
- নিত্যবৃত্ত বর্তমান
উত্তর – 3. নিত্যবৃত্ত অতীত
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণের “ব্যাকরণ বিভাগ” থেকে “ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়ার ভাব” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই অংশটি অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অষ্টম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে এসেছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।





Leave a Comment