এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “মেন্ডেলকে ‘সুপ্রজননবিদ্যার জনক’ বলা হয় কেন? সংকরায়ণ পরীক্ষাটিতে মেন্ডেলের সাফল্যলাভের কারণগুলি উল্লেখ করো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় “বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ” -এর “বংশগতি” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

মেন্ডেলকে ‘সুপ্রজননবিদ্যার জনক’ বলা হয় কেন? সংকরায়ণ পরীক্ষাটিতে মেন্ডেলের সাফল্যলাভের কারণগুলি উল্লেখ করো।
1866 খ্রিস্টাব্দে ব্রান ন্যাচারাল হিস্ট্রি সোসাইটি (Brunn Natural History Society)-এর পত্রিকায় মেন্ডেল আবিষ্কৃত সূত্রগুলি প্রকাশিত হলেও সমসাময়িক বিজ্ঞানীরা তাঁর চিন্তাভাবনাকে তেমনভাবে গুরুত্ব দেননি। মেন্ডেলের মতে, কিছু ‘ফ্যাক্টর’ এক বংশ থেকে পরবর্তী বংশে বংশগত বৈশিষ্ট্যকে বহন করে নিয়ে যায়। মেন্ডেলের সময় ‘জিন’-এর ধারণা ছিল না। বিজ্ঞানী মেন্ডেল এই জিনকে ফ্যাক্টর রূপে অভিহিত করেন। মেন্ডেল একসংকর ও দ্বিসংকর জননের সাহায্যে বংশগতি সংক্রান্ত দুটি সূত্র যথাক্রমে পৃথকীভবন সূত্র এবং স্বাধীন বিন্যাস সূত্র আবিষ্কার করেন, যা জীবনবিজ্ঞানের একটি অভূতপূর্ব আবিষ্কার। তাই বিজ্ঞানী গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে সুপ্রজননবিদ্যার জনক বলা হয়।
সংকরায়ণ পরীক্ষাটিতে মেন্ডেলের সাফল্যলাভের কারণ
- মটর গাছের ফুলটি উভলিঙ্গ হওয়ায় স্বপরাগযোগে সক্ষম, কৃত্রিম উপায়ে এটিতে ইতর পরাগযোগও ঘটানো সম্ভব হয়।
- মেন্ডেল সংকরায়ণ পরীক্ষাটির জন্য সাতজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মটর গাছকে নির্বাচিত করেন।
- মটর গাছ থেকে সংকরায়ণ পদ্ধতিতে অধিক সংখ্যক অপত্য সৃষ্টি করা যায়, ফলে বংশগতি সংক্রান্ত পরীক্ষাগুলি খুব সহজে ঘটানো সম্ভব হয়েছে।
- সংকরায়ণ পদ্ধতিতে মটর গাছ থেকে সৃষ্ট সংকর উদ্ভিদগুলি প্রজননে সক্ষম।
- বিজ্ঞানী মেন্ডেল সংকরায়ণ পরীক্ষাটির জন্য একজোড়া বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যকে নির্বাচিত করেন।
- মেন্ডেল সংকরায়ণ পরীক্ষাটির জন্য যে বৈশিষ্ট্যগুলিকে নির্বাচিত করেছিলেন সেগুলিতে এপিস্ট্যাসিসের কোনো প্রভাব ছিল না।
- মেন্ডেল গণিতে পারদর্শী ছিলেন, তাই বংশগতি সংক্রান্ত সংকরায়ণের তথ্যগুলিকে সহজেই নির্ভুলভাবে বিশ্লেষণ করেছিলেন।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “মেন্ডেলকে ‘সুপ্রজননবিদ্যার জনক’ বলা হয় কেন? সংকরায়ণ পরীক্ষাটিতে মেন্ডেলের সাফল্যলাভের কারণগুলি উল্লেখ করো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় “বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ” -এর “বংশগতি” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।পূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন