এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “একটি সংকর কালো লোমবিশিষ্ট গিনিপিগের সঙ্গে সাদা লোমবিশিষ্ট গিনিপিগের সংকরায়ণ ঘটালে প্রথম অপত্য F1 জনুর ফিনোটাইপ চেকার বোর্ডের সাহায্যে যুক্তিসহ বোঝাও।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় “বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ”-এর “বংশগতি” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

একটি সংকর কালো লোমবিশিষ্ট গিনিপিগের সঙ্গে সাদা লোমবিশিষ্ট গিনিপিগের সংকরায়ণ ঘটালে প্রথম অপত্য F1 জনুর ফিনোটাইপ চেকার বোর্ডের সাহায্যে যুক্তিসহ বোঝাও।
একটি সংকর কালো লোমবিশিষ্ট গিনিপিগের সঙ্গে সাদা লোমবিশিষ্ট গিনিপিগের সংকরায়ণ ঘটালে প্রথম অপত্য F1 জনুর ফিনোটাইপ চেকার বোর্ডের সাহায্যে নিচে দেখানো হলো –
চেকার বোর্ড (F1 জনু) – পিতামাতা (P জনু) : সংকর কালো (Bb) × বিশুদ্ধ সাদা (bb)
- F1 জনুর ফিনোটাইপিক অনুপাত – 1 (50% কালো) : 1 (50% সাদা)।
| ♂ \ ♀ (গ্যামেট) | b (সাদা) | b (সাদা) |
| B (কালো) | Bb (সংকর কালো) | Bb (সংকর কালো) |
| b (সাদা) | bb (বিশুদ্ধ সাদা) | bb (বিশুদ্ধ সাদা) |
যুক্তিসহ ব্যাখ্যা –
- একটি সংকর কালো লোমবিশিষ্ট গিনিপিগের সঙ্গে বিশুদ্ধ সাদা লোমবিশিষ্ট গিনিপিগের সংকরায়ণ ঘটালে দেখা যাবে যে 50% সংকর কালো এবং 50% সাদা গিনিপিগের সৃষ্টি হয়।
- সংকর কালো লোমযুক্ত গিনিপিগে বিপরীতধর্মী দুটি জিন (B ও b) একত্রে উপস্থিত থাকে যার মধ্যে B প্রকট জিন এবং b প্রচ্ছন্ন জিন।
- 50% সংকর কালো সৃষ্টি হওয়ার প্রধান কারণ হলো ‘মেন্ডেলের প্রকটতার নীতি’। এই নীতি অনুযায়ী, হেটেরোজাইগাস বা সংকর অবস্থায় শুধু প্রকট বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশিত হয়, প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্যটি সুপ্ত অবস্থায় থাকে।
- অন্যদিকে, 50% বিশুদ্ধ সাদা সৃষ্টি হওয়ার কারণ হলো শুধুমাত্র বিশুদ্ধ বা হোমোজাইগাস অবস্থাতেই প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য অর্থাৎ ‘b’ প্রকাশিত হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “একটি সংকর কালো লোমবিশিষ্ট গিনিপিগের সঙ্গে সাদা লোমবিশিষ্ট গিনিপিগের সংকরায়ণ ঘটালে প্রথম অপত্য F1 জনুর ফিনোটাইপ চেকার বোর্ডের সাহায্যে যুক্তিসহ বোঝাও।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় “বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ”-এর “বংশগতি” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন