অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতের জাতীয় আন্দোলনের আদর্শ ও বিবর্তন – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

Rahul

আজকে আমরা এই আর্টিকেলে অষ্টম শ্রেণির ইতিহাসের সপ্তম অধ্যায়, “ভারতের জাতীয় আন্দোলনের আদর্শ ও বিবর্তন”-এর কিছু “সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নগুলো অষ্টম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের স্কুলের পরীক্ষার জন্য ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো অষ্টম শ্রেণির পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন (Unit Test) থেকে শুরু করে বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

ভারতের জাতীয় আন্দোলনের আদর্শ ও বিবর্তন – অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর
Contents Show

‘চৌরিচৌরার’ ঘটনা কী?

মহাত্মা গান্ধির নেতৃত্বে অহিংস অসহযোগ আন্দোলন দেশজুড়ে তুমুল আলোড়নের সৃষ্টি করে। আন্দোলন চলাকালে সবচেয়ে হিংসাত্মক ঘটনা ছিল ‘চৌরিচৌরা হত্যাকাণ্ড’। 1922 খ্রিস্টাব্দের 5 ফেব্রুয়ারি উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর জেলায় চৌরিচৌরা গ্রামের পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর গুলি চালালে উত্তেজিত সত্যাগ্রহীরা পুলিশ ফাঁড়ি আক্রমণ করে এবং তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে 22 জন পুলিশ আগুনে পুড়ে মারা যায়। এই চাঞ্চল্যকর ও হিংসাত্মক ঘটনায় গান্ধিজি অত্যন্ত মর্মাহত হন। তিনি 25 ফেব্রুয়ারি আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন।

খিলাফৎ আন্দোলন কী?

তুরস্কের সুলতান ষষ্ঠ মহম্মদ ছিলেন ‘মুসলিম জগতের ধর্মগুরু’ বা ‘খলিফা’। 1918 খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার তুরস্কের সুলতানকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়। তুরস্কের সুলতানের প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি জানিয়ে ভারতে যে আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তাকেই বলা হয় খিলাফৎ আন্দোলন।

কারা এবং কেন স্বরাজ্য দল প্রতিষ্ঠা করেন?

চিত্তরঞ্জন দাশ এবং মতিলাল নেহরু প্রমুখ নেতা মহাত্মা গান্ধির নীতি মেনে নিতে পারেননি। তাঁরা কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে 1923 খ্রিস্টাব্দে ‘স্বরাজ্য দল’ প্রতিষ্ঠা করেন। দলের উদ্দেশ্য ছিল সরকারি আইন পরিষদ বয়কট না করে তাতে অংশ নিয়ে সরকারি নীতি ও কাজে বাধা দেওয়া।

সাইমন কমিশন কেন গঠিত হয়েছিল? কমিশনের বিরুদ্ধে কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল?

1927 খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের সাংবিধানিক অধিকার খতিয়ে দেখার জন্য স্যার জন সাইমনের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করেছিল। এই কমিশনে কোনো ভারতীয় সদস্য না থাকায় দেশজুড়ে রাজনৈতিক দলগুলি সাইমন কমিশনকে বয়কট করে এবং গণআন্দোলন শুরু করে।

‘সীমান্ত গান্ধি’ কাকে বলা হয়? অহিংস অসহযোগ আন্দোলনে তাঁর অবদান কী ছিল?

খান আবদুল গফফর খানকে ‘সীমান্ত গান্ধি’ বলা হয়।

অসহযোগ আন্দোলনে অবদান – মহাত্মা গান্ধির আদর্শে প্রভাবিত হয়ে ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে খান আবদুল গফ্‌ফর খান ‘খোদা-ই-খিদমদগার’ নামে একটি সংগঠন তৈরি করেন। এর সদস্যরা লাল কুর্তা পরতেন বলে তাঁদের ‘লাল কুর্তা’ বাহিনীও বলা হত। পেশোয়ারে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে এঁরা অহিংস পদ্ধতিতে আন্দোলন করেন।

রানি গুঁইদালো কে ছিলেন?

নাগা অঞ্চলে গান্ধিজির আন্দোলনে সাড়া দিয়ে তরুণী রানি গুইদালো ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আইন অমান্য আন্দোলনে শামিল হন। ব্রিটিশ সরকার তাঁকে গ্রেফতার করে। এর থেকে প্রমাণিত হয় যে, ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলেও আইন অমান্য আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল।

গান্ধি-আরউইন চুক্তি কী?

1931 খ্রিস্টাব্দের 4 মার্চ গান্ধিজি ও লর্ড আরউইনের মধ্যে যে চুক্তি হয়, তাকে ‘গান্ধি-আরউইন চুক্তি’ বা ‘দিল্লি চুক্তি’ বলা হয়। এই চুক্তি অনুসারে—
1. সত্যাগ্রহী বন্দিদের সরকার ছেড়ে দেবে।
2. ব্রিটিশ পণ্য বর্জন করা চলবে না।
3. দমনমূলক আইন সরকার তুলে নেবে।
4. কংগ্রেস আইন অমান্য আন্দোলন প্রত্যাহার করবে।

মাস্টারদা সূর্য সেন কে ছিলেন?

1930 খ্রিস্টাব্দের 18 এপ্রিল চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের নায়ক এবং বাংলার অন্যতম বিপ্লবী ছিলেন মাস্টারদা সূর্য সেন। জালালাবাদ পাহাড়ে তিন দিন ধরে সূর্য সেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। এই লড়াইয়ে বিপ্লবীদের 11 জন নিহত হন।

পি. এন. ঠাকুর ছদ্মনাম কে, কেন নেন?

1929 খ্রিস্টাব্দের লাহোর ষড়যন্ত্র মামলায় রাসবিহারী বসু অভিযুক্ত হন। তিনি পি. এন. ঠাকুর ছদ্মনাম নিয়ে জাপানে চলে যান। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ভারতের বাইরে থেকে বিপ্লবী আন্দোলন পরিচালনা করা।

আলি ভ্রাতৃদ্বয় কারা?

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানে ভারতে খিলাফৎ আন্দোলন শুরু হয়। খিলাফৎ আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন মহম্মদ আলি ও শওকত আলি নামে দুই ভাই। ইতিহাসে এঁরা ‘আলি ভ্রাতৃদ্বয়’ নামে পরিচিত।

বেঙ্গল ক্রিমিনাল আইন কেন রচনা করা হয়?

1930 খ্রিস্টাব্দের 1 এপ্রিল গান্ধিজি সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেন। ব্রিটিশ সরকার সত্যাগ্রহীদের দমন করার উদ্দেশ্যে ‘বেঙ্গল ক্রিমিনাল’ আইন প্রবর্তন করে।

ডান্ডি অভিযানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব লেখো।

1930 খ্রিস্টাব্দের 12 মার্চ গান্ধিজি ডান্ডি যাত্রা করেন। 6 এপ্রিল সেখানে গিয়ে সমুদ্রের জল থেকে লবণ প্রস্তুত করে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেন। এই ঘটনা ইতিহাসে ‘ডান্ডি অভিযান’ নামে খ্যাত।

গুরুত্ব –

1. সর্বস্তরের মানুষকে আন্দোলনে শামিল করতে গান্ধিজি ডান্ডি যাত্রা করেন।
2. ডান্ডি অভিযানের ফলে দেশব্যাপী আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হয়।

অলিন্দ অভিযান কী?

1930 খ্রিস্টাব্দের 8 ডিসেম্বর বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্ত রাইটার্স বিল্ডিং আক্রমণ করেন এবং ইনস্পেক্টর জেনারেল সিম্পসন-সহ আরও দুজনকে হত্যা করেন। ব্রিটিশ বাহিনীর সঙ্গে রাইটার্স বিল্ডিং-এর অলিন্দে তাঁদের যে লড়াই হয়, তাই ‘অলিন্দ যুদ্ধ’ বা ‘অলিন্দ অভিযান’ নামে খ্যাত।

গান্ধিবাদী আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য কী ছিল?

গান্ধিবাদী আন্দোলনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল ‘সত্যাগ্রহ’। সত্যাগ্রহ শব্দটি ‘সত্য’ এবং ‘আগ্রহ’—এই দুই শব্দের মিলিত রূপ। গান্ধিজির মতে সত্যাগ্রহ হল একটি নৈতিক শক্তি, যা সহজেই শত্রুকে জয় করতে পারে। আত্মনিগ্রহ সহ্য করে সম্পূর্ণ অহিংস উপায়ে শত্রুর মন জয় করাই হল সত্যাগ্রহ। এই ধারায় আন্দোলন গান্ধিজি প্রথম শুরু করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকায়। অহিংস সত্যাগ্রহের পথে তিনি ভারতে ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনগুলি পরিচালনা করেছিলেন।

গান্ধিজি অহিংস সত্যাগ্রহ বলতে কী বুঝিয়েছেন?

ভারতীয় রাজনীতিতে গান্ধিজি প্রবর্তিত ‘সত্যাগ্রহ’ হল এক অভিনব কৌশল। গান্ধির ‘সত্যাগ্রহ’ ও ‘অহিংসা’-র আদর্শ দুটি পরস্পর সম্পর্কিত। এই দুটিকে একসঙ্গে বলা হয় ‘অহিংস সত্যাগ্রহ’। ‘সত্য’ ও ‘অহিংসা’-র প্রতি আস্থা রেখে গান্ধিজি অন্যায়ের বিরুদ্ধে ‘সত্যাগ্রহ’ পরিচালনা করেন। সরকারের সঙ্গে অসহযোগ, আইন অমান্য, পিকেটিং, হরতাল, অনশন, পদযাত্রা—প্রত্যেকটিই ছিল সত্যাগ্রহের এক একটি পদ্ধতি।

কাকোরি ষড়যন্ত্র মামলা এবং লাহোর ষড়যন্ত্র মামলা কী?

1. কাকোরি ষড়যন্ত্র মামলা – কাকোরি স্টেশনে রেল ডাকাতির অভিযোগে সরকার ভগৎ সিং ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে 1925 খ্রিস্টাব্দে কাকোরি ষড়যন্ত্র মামলা শুরু করে।
2. লাহোর ষড়যন্ত্র মামলা – 1929 খ্রিস্টাব্দে কেন্দ্রীয় আইনসভায় বোমা ফেলার অপরাধে ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্তর বিরুদ্ধে লাহোর ষড়যন্ত্র মামলা শুরু হয়।

কোন্ বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রথম সুভাষচন্দ্র বসুর সঙ্গে গান্ধির মতপার্থক্য শুরু হয়?

চিত্তরঞ্জন দাশের মৃত্যুর পর সুভাষচন্দ্র বসু পূর্ণ স্বরাজ্যের পক্ষে বক্তব্য প্রচার করতে থাকেন। ব্রিটিশ সরকারের প্রস্তাবিত যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থাকে তিনি নাকচ করেন। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে 1928 খ্রিস্টাব্দে কলকাতা অধিবেশনে গান্ধির সঙ্গে সুভাষের সংঘাত শুরু হয়।

কংগ্রেসের হরিপুরা ও ত্রিপুরি অধিবেশন গুরুত্বপূর্ণ কেন?

1. হরিপুরা অধিবেশন – 1938 খ্রিস্টাব্দের হরিপুরা কংগ্রেসে পট্টভি সীতারামাইয়াকে হারিয়ে সুভাষচন্দ্র বসু সভাপতির পদে নির্বাচিত হন।

2. ত্রিপুরি অধিবেশন – হরিপুরা কংগ্রেসের সময় থেকে সভাপতি পদকে কেন্দ্র করে সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে গান্ধিজির মতপার্থক্য তীব্র হয়েছিল। পরের বছর ত্রিপুরি অধিবেশনে এই মতপার্থক্য চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। শেষ পর্যন্ত সুভাষচন্দ্র পদ ত্যাগ করেন এবং ‘ফরোয়ার্ড ব্লক’ নামে একটি দল তৈরি করেন।

কবে, কী কারণে নৌবিদ্রোহ হয়েছিল?

1946 খ্রিস্টাব্দের 18 থেকে 23 ফেব্রুয়ারি বোম্বাইয়ের নাবিকরা নৌবিদ্রোহ করেছিল। খাবারের খারাপ মান ও অফিসারদের অপমানের বিরুদ্ধে ‘তলোয়ার’ জাহাজের নাবিকরা বিদ্রোহ ঘোষণা করে। নৌবিদ্রোহীদের দাবি ছিল ভালো খাবার, ভালো বেতন ব্যবস্থা ও অন্য রাজবন্দিদের মুক্তি দেওয়া।

স্বরাজপন্থীদের আন্দোলনের মূলদাবি কী ছিল?

কংগ্রেস তথা গান্ধির নীতি বা পন্থার সঙ্গে একমত না হয়ে চিত্তরঞ্জন দাস ও মতিলাল নেহরু কংগ্রেসের মধ্যে ‘স্বরাজ্য পার্টি’ নামে একটি নতুন গোষ্ঠী গড়ে তোলেন।

স্বরাজ্য দলের দাবি –

1. আইন পরিষদে অংশ নিয়ে নিয়মিত সরকারি নীতি ও কাজে বাধা দান।
2. সরকারি বাজেট প্রত্যাখ্যান করা।
3. নানাবিধ প্রস্তাব উত্থাপন করে জাতীয়তাবাদের অগ্রগতিতে সাহায্য করা।

রাওলাট আইন কী?

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ব্রিটিশ সরকার ভারতে বৈপ্লবিক কার্যকলাপ দমনের উদ্দেশ্যে উদ্যোগ নেয়। সরকার এই অবস্থায় ভারতীয়দের রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করতে ও তা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রস্তুত হয়। এর জন্য সরকার সিডিশন কমিটি নামে একটি কমিটি গঠন করে। এই কমিটির সভাপতি হন বিচারপতি এস. এ. টি. রাওলাট। এই কমিটির সুপারিশগুলি 1919 খ্রিস্টাব্দে আইনে পরিণত হয়। এই আইন ‘রাওলাট আইন’ নামে পরিচিত। এই আইনের দ্বারা ভারতীয়দের ব্যক্তিস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।

‘জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ড’ বলতে কী বোঝায়?

রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে 1919 খ্রিস্টাব্দের 13 এপ্রিল পাঞ্জাবের অমৃতসর শহরের জালিয়ানওয়ালাবাগে সরকারি নিষেধ অমান্য করে প্রায় দশহাজার নিরস্ত্র মানুষ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভায় শামিল হয়েছিলেন। ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডায়ার-এর নির্দেশে বেরোনোর একটিমাত্র পথ আটকে রেখে প্রতিবাদী মানুষদের ওপর একটানা গুলিবর্ষণ করা হয়। প্রায় একহাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন এবং অনেকে আহত হয়েছিলেন। এই ঘটনা ‘জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ড’ নামে পরিচিত।

আগস্ট আন্দোলনে তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের ভূমিকা কী ছিল?

1942 খ্রিস্টাব্দের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের প্রভাব পড়েছিল মেদিনীপুর জেলার তমলুকে। এই জেলার তমলুক মহকুমার তমলুক, সুতাহাটা, নন্দীগ্রাম, মহিষাদল প্রভৃতি স্থানে জনগণ ব্রিটিশ শাসনমুক্ত করে সতীশচন্দ্র সামন্তর নেতৃত্বে ‘তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার’ প্রতিষ্ঠা করেছিল। বিপ্লবীরা স্থানীয় কোর্ট, ডাকঘর, যোগাযোগ কেন্দ্র, থানা দখল করেছিল এবং নিজস্ব আইনশৃঙ্খলারক্ষা ও ডাকব্যবস্থার প্রচলন করেছিল। এই বছরের শেষের দিকে মেদিনীপুরে ব্যাপক ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল। ব্রিটিশ সরকার যথেষ্ট ত্রাণ পাঠায়নি। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার দুর্গত মানুষদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছিল। 1944 খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার টিকেছিল।


আজকে আমাদের এই আর্টিকেলে অষ্টম শ্রেণির ইতিহাসের সপ্তম অধ্যায়, “ভারতের জাতীয় আন্দোলনের আদর্শ ও বিবর্তন”-এর কিছু “সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই ধরনের প্রশ্নগুলো স্কুলের পরীক্ষা বা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

আশা করি এই আর্টিকেলটি তোমাদের/আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। যদি কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তাহলে নির্দ্বিধায় টেলিগ্রামে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। এছাড়া, এই পোস্টটি সেইসব বন্ধু বা প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

অষ্টম শ্রেণি বাংলা - ছোটোদের পথের পাঁচালী - সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ছোটোদের পথের পাঁচালী – সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

ব্যাকরণ বিভাগ - সাধু ও চলিত রীতি - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সাধু ও চলিত রীতি

ব্যাকরণ বিভাগ - সমাস - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সমাস

About The Author

Rahul

Tags

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ছোটোদের পথের পাঁচালী – সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সাধু ও চলিত রীতি

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সমাস

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়ার ভাব

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া ও অব্যয়