আমরা আমাদের আর্টিকেলে অষ্টম শ্রেণির ভূগোলের তৃতীয় অধ্যায় ‘শিলা’ থেকে কিছু ‘অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করবো। এই প্রশ্নগুলো অষ্টম শ্রেণির ভূগোল পরীক্ষার জন্য ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো।
চুনাপাথর গঠনকারী প্রধান খনিজটি হল – (মাইকা / ক্যালসাইট / কোয়ার্টজ / মার্বেল)।
উত্তর – ক্যালসাইট।
ভূপৃষ্ঠের বাইরে লাভা জমে সৃষ্ট আগ্নেয় শিলাকে – (পাতালিক / উপপাতালিক / নিঃসারী / উদবেধী) শিলা বলে।
উত্তর – নিঃসারী শিলা।
ভূ-অভ্যন্তরের কম গভীরতায় সৃষ্ট আগ্নেয় শিলা হল – (সংঘাত / পাতালিক / উপপাতালিক / অসংঘাত) শিলা।
উত্তর – উপপাতালিক শিলা।
পেগমাটাইট – (পাতালিক / উপপাতালিক / নিঃসারী) শিলার উদাহরণ।
উত্তর – পাতালিক শিলা।
প্রবেশ্যতা বেশি হলে জলধারণ ক্ষমতা – (বাড়ে / কমে / একই থাকে / কোনোটিই নয়)।
উত্তর – কমে।
আদিম শিলা হল – (আগ্নেয় / পাললিক / রূপান্তরিত) শিলা।
উত্তর – আগ্নেয় শিলা।
ব্যাসল্ট শিলায় গঠিত অঞ্চলের ভূমিরূপ সাধারণত – (গোলাকার / ছিদ্রযুক্ত / চ্যাপটাকৃতি) হয়।
উত্তর – চ্যাপটাকৃতি।
প্রস্তরময় পাললিক শিলা হল – (বেলেপাথর / কাদাপাথর / কংগ্লোমারেট / অভ্র)।
উত্তর – কংগ্লোমারেট।
(প্রস্তরময় / বালুকাময় / কর্দমময় / কেলাসিত) – পাললিক শিলার দানাগুলি অতি সূক্ষ্ম।
উত্তর – কর্দমময়।
স্ট্যালাকটাইট দেখা যায় – (মারবেল / চুনাপাথর / ডোলেরাইট) গুহায়।
উত্তর – চুনাপাথরের গুহায়।
গ্রানাইট শিলায় গঠিত ভূমিরূপ – (সমতল মাথাবিশিষ্ট / শঙ্কু আকৃতির / গোলাকার আকৃতির) হয়।
উত্তর – গোলাকার আকৃতির।
ফিলাইট এক প্রকার – (আগ্নেয় / পাললিক / রূপান্তরিত) শিলার উদাহরণ।
উত্তর – রূপান্তরিত।
ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি – (কাদাপাথর / চুনাপাথর / বেলেপাথর) -এর।
উত্তর – বেলেপাথর।
ডেকানট্রাপ বলা হয় – (দাক্ষিণাত্য মালভূমি / ছোটোনাগপুর / লাদাখ / মেঘালয়)-কে।
উত্তর – দাক্ষিণাত্য মালভূমি।
গ্রানাইট ও ব্যাসল্ট শিলার মূল উপাদান হল – (কোয়ার্টজ / জিপসাম / ট্যাল্ক / মারবেল)।
উত্তর – কোয়ার্টজ।
বিদ্যুতের সরঞ্জাম তৈরিতে – (অভ্র / জিপসাম / কোয়ার্টজ / ট্যাঙ্ক) ব্যবহৃত হয়।
উত্তর – অভ্র।
(সোনা / লোহা / ব্যাসল্ট / অ্যালুমিনিয়াম) – হল একটি মাত্র মৌলিক উপাদানে গঠিত খনিজ।
উত্তর – সোনা।
(ভূপ্রকৃতি / জলবায়ু / উদ্ভিদ / প্রাণী) – মাটি সৃষ্টিতে পরোক্ষ প্রভাব ফেলে।
উত্তর – ভূপ্রকৃতি।
ভূমির উত্তল ঢালে মাটির – (সঞ্চয় / ক্ষয় / অধঃক্ষেপণ) হয়।
উত্তর – ক্ষয়।
(জলাভূমি / ব্যাসল্ট শিলা / চুনাপাথর) – এর ওপর ভিত্তি করে পিট বা মাটি গঠিত হয়।
উত্তর – জলাভূমি।
উত্তপ্ত লাভার সংস্পর্শে শিলার যে রূপান্তর হয় তাকে – (আঞ্চলিক / স্থানীয় / সামগ্রিক) রূপান্তর বলে।
উত্তর – স্থানীয়।
খাজুরাহোর মন্দির – (চুনাপাথর / বেলেপাথর / কাদাপাথর) দিয়ে তৈরি।
উত্তর – বেলেপাথর।
বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে তৈরি হয় এমন একটি পাথর হল – (কোয়ার্টজাইট / মার্বেল / শ্লেট)।
উত্তর – কোয়ার্টজাইট।
শিলাস্তরে খনিজ তেলের উপর স্তরে পাওয়া যায় – (কয়লা / প্রাকৃতিক গ্যাস / সোনা)।
উত্তর – প্রাকৃতিক গ্যাস।
দু-এক কথায় উত্তর দাও
ভূ-অভ্যন্তরে সৃষ্ট আগ্নেয় শিলাকে কী বলে?
ভূ-অভ্যন্তরে সৃষ্ট আগ্নেয় শিলাকে উদবেধী বলে।
কেলাস গঠন দেখা যায় এমন একটি খনিজের নাম লেখো।
কেলাস গঠন দেখা যায় এমন একটি খনিজের নাম হলো কোয়ার্টজ।
সমুদ্রের তলদেশে কোন্ শিলার সৃষ্টি হয়?
সমুদ্রের তলদেশে পাললিক শিলার সৃষ্টি হয়।
স্তরায়ণ তল কোন্ শিলায় দেখা যায়?
স্তরায়ণ তল পাললিক শিলায় দেখা যায়।
একটি সংঘাত পাললিক শিলার উদাহরণ দাও।
একটি সংঘাত পাললিক শিলার উদাহরণ হলো বেলেপাথর।
দুটি নিঃসারী আগ্নেয় শিলার নাম লেখো।
দুটি নিঃসারী আগ্নেয় শিলার নাম হলো ব্যাসল্ট, টুফ।
কোন্ শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায়?
পাললিক শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায়।
কোন্ শিলার মধ্যে কয়লা, খনিজ তেল পাওয়া যায়?
পাললিক শিলার মধ্যে কয়লা, খনিজ তেল পাওয়া যায়।
জৈবিক উপায়ে গঠিত একটি অসংঘাত শিলার নাম লেখো।
জৈবিক উপায়ে গঠিত একটি অসংঘাত শিলার নাম – চুনাপাথর / কয়লা।
সোনার কেল্লা, লালকেল্লা কোন্ শিলায় গঠিত?
সোনার কেল্লা, লালকেল্লা বেলেপাথর শিলায় গঠিত।
ভারতের ছোটোনাগপুর অঞ্চল প্রধানত কোন্ শিলায় গঠিত?
ভারতের ছোটোনাগপুর অঞ্চল প্রধানত গ্রানাইট শিলায় গঠিত।
একটি মৌলিক খনিজের নাম লেখো।
একটি মৌলিক খনিজের নাম হলো হিরে।
একটি যৌগিক খনিজের নাম লেখো।
একটি যৌগিক খনিজের নাম হলো অর্থোক্লেজ ফেল্ডসপার।
সবচেয়ে কঠিন খনিজ কোনটি?
সবচেয়ে কঠিন খনিজ হলো হিরে (ডায়মন্ড)।
ছোটোনাগপুর মালভূমি ছাড়া ভারতের আর একটি মালভূমির নাম করো যা বিশেষভাবে খনিজ সম্পদ দ্বারা সমৃদ্ধ?
ছোটোনাগপুর মালভূমি ছাড়া ভারতের আর একটি মালভূমির নাম হলো দাক্ষিণাত্য মালভূমি, যা বিশেষভাবে খনিজ সম্পদ দ্বারা সমৃদ্ধ।
কাকে ‘ভারতের খনিজ সম্পদের ভাণ্ডার’ বলা হয়?
ছোটোনাগপুরকে ‘ভারতের খনিজ সম্পদের ভাণ্ডার’ বলা হয়।
মাটি সৃষ্টির পূর্বের ক্ষয়প্রাপ্ত শিলাচূর্ণকে কী বলা হয়?
মাটি সৃষ্টির পূর্বের ক্ষয়প্রাপ্ত শিলাচূর্ণকে রেগোলিথ বলা হয়।
মোহ্ স্কেল অনুযায়ী ক্যালসাইটের কাঠিন্য মান কত?
মোহ্ স্কেল অনুযায়ী ক্যালসাইটের কাঠিন্য মান – 3।
নুড়িযুক্ত বেলেপাথরকে কী বলে?
নুড়িযুক্ত বেলেপাথরকে কংগ্লোমারেট বলে।
ভারতের কোথায় চুনাপাথরের গুহা দেখা যায়?
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বোরা গুহায় চুনাপাথরের গুহা দেখা যায়।
উদয়গিরি, খণ্ডগিরির মন্দির কোন্ শিলায় তৈরি?
উদয়গিরি, খণ্ডগিরির মন্দির বেলেপাথর শিলায় তৈরি।
কার প্রভাবে চুনাপাথর মারবেলে রূপান্তরিত হয়?
তাপের প্রভাবে চুনাপাথর মারবেলে রূপান্তরিত হয়।
দক্ষিণ ভারতের মহাবালেশ্বর মন্দির কোন্ শিলায় গঠিত?
দক্ষিণ ভারতের মহাবালেশ্বর মন্দির গ্রানাইট শিলায় গঠিত।
জীবের দেহাবশেষ বিয়োজিত হয়ে কীসে পরিণত হয়?
জীবের দেহাবশেষ বিয়োজিত হয়ে হিউমাসে পরিণত হয়।
জৈব পদার্থ দিয়ে গঠিত একটি পাললিক শিলার নাম করো।
জৈব পদার্থ দিয়ে গঠিত একটি পাললিক শিলার নাম হলো কয়লা।
আমার মূল উপাদান ফেল্ডসপার, রেললাইনে আমায় ব্যবহার করা হয়, আমি কে? অথবা, আমি দেখতে কালো রঙের, লেখার কাজে ও ব্ল্যাকবোর্ড তৈরিতে আমার ব্যবহার আছে। বলো তো আমি কে?
ব্যাসল্ট।
আমি দেখতে চক্চকে, সাদা বা কালো রঙের। আমি নরম, সহজেই পাতের মতো বেঁকে যাই। গ্রানাইট শিলার মূল খনিজ উপাদান আমি। বলতে পারো আমি কে?
কোয়ার্টজ।
আমি ক্যালশিয়াম সালফেটের জলযুক্ত কেলাস, সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামালরূপে ব্যবহৃত হই। আমি কে?
জিপসাম।
আমি ক্যালশিয়াম কার্বনেট (CaCO₃), জমাট বেঁধে সৃষ্টি হই ও সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল। আমি কে?
চুনাপাথর।
ব্যাসল্ট, গ্রানাইট, গ্যাব্রো আমরা সব এক প্রকার, আমরা কারা?
আগ্নেয় শিলা।
আগে ছিলাম বেলেপাথর। এখন আমি তাপের প্রভাবে রূপান্তরিত হয়েছি। আমি কে?
কোয়ার্টজাইট।
আমি নীলাভ কৃষ্ণ বর্ণের এক শিলা। আমার দ্বারা ঘরের ছাদ তৈরি হয়। আমি কে?
স্লেট।
আমি মসৃণ, দেখতে খুব সুন্দর। নানা রং-এ আমায় পাওয়া যায়। আমি ঘরবাড়ির মেঝে তৈরির কাজে আসি। বিখ্যাত ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের মতো স্থাপত্যশিল্পে আমার ব্যবহার আছে।
মারবেল।
আমি জৈবিক কারণে সৃষ্ট সাদা রঙের শিলা। বেশ ভঙ্গুর, ভাঙলে সাদা পাউডারের গুঁড়োর মতো দেখায়। লেখার কাজে আমার ব্যবহার খুব বেশি। আমি কে?
মারবেল।
আমি খুব শক্ত, সূক্ষ্ম দানার কালো ধূসর রঙের শিলা। রাস্তাঘাট নির্মাণে আমাকে ব্যবহার করা হয়। আমার মধ্যে দিয়ে জল সহজেই প্রবেশ করতে পারে।
ব্যাসল্ট।
আমি খুব আম্লিক প্রকৃতির শিলা, আমার দ্বারা মহাদেশীয় ভূত্বক তৈরি হয়। আমি কে?
গ্রানাইট।
সমুদ্রের তলদেশে আমার জন্ম। আমার মধ্যে একাধিক স্তর দেখা যায়। জল সহজেই আমার মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। বলো তো আমি কে?
পাললিক শিলা।
আমি ভূপৃষ্ঠের ওপরে থাকি। আমার দানাগুলো খুব সূক্ষ্ম। আমার থেকে কালো মাটি সৃষ্টি হয়। আমি কে?
ব্যাসল্ট।
শূন্যস্থান পূরণ করো।
শিলা হল এক বা একাধিক ___ -এর মিশ্রণ।
উত্তর – শিলা হল এক বা একাধিক খনিজ -এর মিশ্রণ।
চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ হল ___।
উত্তর – চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ হল মারবেল।
গ্রানাইট শিলা রূপান্তরিত হয়ে ___ শিলায় পরিণত হয়।
উত্তর – গ্রানাইট শিলা রূপান্তরিত হয়ে নিস্ শিলায় পরিণত হয়।
___ শিলায় উজ্জ্বল কেলাস গঠন দেখা যায়।
উত্তর – আগ্নেয় শিলায় উজ্জ্বল কেলাস গঠন দেখা যায়।
কয়লা রূপান্তরিত হলে নামে ___ পরিচিত হয়।
উত্তর – কয়লা রূপান্তরিত হলে নামে গ্রাফাইট পরিচিত হয়।
তাজমহল ___ পাথরে তৈরি।
উত্তর – তাজমহল মারবেল পাথরে তৈরি।
___ শিলা থেকে খনিজ পদার্থ সংগ্রহ করতে সুবিধা হয়।
উত্তর – রূপান্তরিত শিলা থেকে খনিজ পদার্থ সংগ্রহ করতে সুবিধা হয়।
শিলনোড়া ___ শিলায় গঠিত।
উত্তর – শিলনোড়া বেলেপাথর শিলায় গঠিত।
রাস্তাঘাট নির্মাণে ___ শিলা ব্যবহৃত হয়।
উত্তর – রাস্তাঘাট নির্মাণে ব্যাসল্ট শিলা ব্যবহৃত হয়।
সৈন্ধব লবণ একপ্রকার ___ শিলা।
উত্তর – সৈন্ধব লবণ একপ্রকার পাললিক শিলা।
___ অতিরিক্ত পরিমাণে জলধারণে সক্ষম।
উত্তর – কাদাপাথর অতিরিক্ত পরিমাণে জলধারণে সক্ষম।
___ মাধ্যমে শিলা চূর্ণবিচূর্ণ হয়।
উত্তর – আবহবিকারের মাধ্যমে শিলা চূর্ণবিচূর্ণ হয়।
হিমালয় পর্বত প্রধানত ___ শিলা দ্বারা গঠিত।
উত্তর – হিমালয় পর্বত প্রধানত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত।
___ একটি ষড়ভুজাকৃতির ও কেলাসাকার খনিজ পদার্থ।
উত্তর – কোয়ার্টজ একটি ষড়ভুজাকৃতির ও কেলাসাকার খনিজ পদার্থ।
সিমেন্ট ও সার শিল্পে ___ ব্যবহৃত হয়।
উত্তর – সিমেন্ট ও সার শিল্পে জিপসাম ব্যবহৃত হয়।
ঠিক-ভুল নির্বাচন করো।
গ্রানাইট শিলার দানা খুব সূক্ষ্ম হয়।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – বড়ো।
শিলার সচ্ছিদ্রতা বেশি হলে জলধারণ ক্ষমতা বাড়ে।
উত্তর – ঠিক [✓]
বেলেপাথর এক প্রকার রূপান্তরিত শিলা।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – পাললিক শিলা।
চুনাপাথর যান্ত্রিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – জৈব।
খনিজ লবণ রাসায়নিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা।
উত্তর – ঠিক [✓]
কাদাপাথর বাড়ির টালি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
উত্তর – ঠিক [✓]
প্রচণ্ড চাপ ও তাপে শিলা রূপান্তরিত হয়।
উত্তর – ঠিক [✓]
অত্যধিক চাপে কাদাপাথর স্লেটে পরিণত হয়।
উত্তর – ঠিক [✓]
মারবেল শিলা আঞ্চলিক বা ব্যাপক রূপান্তরের ফল।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – স্পর্শ রূপান্তর।
রূপান্তরের ফলে আগ্নেয় ও পাললিক শিলার কাঠিন্য কমে।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে।
স্ট্যালাকটাইট, স্ট্যালাগমাইট চুনাপাথরের গুহায় দেখা যায়।
উত্তর – ঠিক [✓]
রাঁচি মালভূমিতে ব্যাসল্ট শিলার প্রাধান্য দেখা যায়।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – গ্রানাইট।
খনিজের কাঠিন্য পরিমাপের জন্য মোহ্ স্কেলে 1-10 পর্যন্ত দশটি ভাগ আছে।
উত্তর – ঠিক [✓]
চুনাপাথর থেকে মারবেল হল স্পর্শসংযোগ রূপান্তর।
উত্তর – ঠিক [✓]
অভ্র বিদ্যুতের কুপরিবাহী।
উত্তর – ঠিক [✓]
রাজস্থানের জয়সলমীরে অবস্থিত ‘সোনার কেল্লা’ চুনাপাথর দিয়ে তৈরি কারণ শুধু শুষ্ক জলবায়ুতেই চুনাপাথর কেল্লা নির্মাণের জন্য উপযুক্ত একটি মজবুত পাথর।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – বেলেপাথর দিয়ে তৈরি।
বৈসাদৃশ্যটি খুঁজে বার করো।
| প্রশ্ন | উত্তর | বৈসাদৃশ্যের কারণ |
| কোয়ার্টজ, ফেল্ডসপার, মাইকা, গ্রানাইট। | গ্রানাইট | গ্রানাইট বাদে সব কটি খনিজ। |
| গ্রানাইট, বেলেপাথর, ব্যাসল্ট, গ্যাব্রো। | বেলেপাথর | পাললিক শিলা। |
| কাদাপাথর, সিস্ট, নিস্, অ্যাম্ফিবোলাইট। | কাদাপাথর | পাললিক শিলা। |
| স্ট্যালাকটাইট, স্ট্যালাগমাইট, স্তম্ভ, টর। | টর | টর গ্রানাইট দ্বারা গঠিত ভূমিরূপ। |
| স্পর্শসংযোগ রূপান্তর, আবহবিকার, আঞ্চলিক রূপান্তর, জলীয় রূপান্তর। | আবহবিকার | ক্ষয়ের পদ্ধতি। |
| ডলোমাইট, সৈন্ধব লবণ, রক জিপসাম, কয়লা। | কয়লা | পাললিক শিলা। |
সম্পর্ক নির্ধারণ করো।
ভূত্বক : শিলা :: শিলা : ___।
উত্তর – ভূত্বক : শিলা :: শিলা : খনিজ।
আগ্নেয় শিলা: প্রাথমিক শিলা :: পাললিক শিলা : ___।
উত্তর – আগ্নেয় শিলা: প্রাথমিক শিলা :: পাললিক শিলা : স্তরীভূত শিলা।
নিঃসারী শিলা : ___ :: উদবেধী শিলা : গ্রানাইট।
উত্তর – নিঃসারী শিলা : ব্যাসল্ট :: উদবেধী শিলা : গ্রানাইট।
আগ্নেয় শিলা : কেলাস গঠন :: পাললিক শিলা : ___।
উত্তর – আগ্নেয় শিলা : কেলাস গঠন :: পাললিক শিলা : জীবাশ্ম।
গ্রানাইট : ___ :: ব্যাসল্ট : ক্ষারকীয় শিলা।
উত্তর – গ্রানাইট : আম্লিক শিলা :: ব্যাসল্ট : ক্ষারকীয় শিলা।
গ্রানাইট : গোলাকার ভূমিরূপ :: ___ : চ্যাপটা ভূমিরূপ।
উত্তর – গ্রানাইট : গোলাকার ভূমিরূপ :: ব্যাসল্ট : চ্যাপটা ভূমিরূপ।
বেলেপাথর : পাললিক শিলা :: মারবেল : ___।
উত্তর – বেলেপাথর : পাললিক শিলা :: মারবেল : রূপান্তরিত শিলা।
কয়লা : গ্রাফাইট :: চুনাপাথর : ___।
উত্তর – কয়লা : গ্রাফাইট :: চুনাপাথর : মারবেল।
ট্যাল্ক : কাঠিন্য মান 1 :: ___ : কাঠিন্য মান 10।
উত্তর – ট্যাল্ক : কাঠিন্য মান 1 :: ডায়মন্ড বা হিরে : কাঠিন্য মান 10।
ব্যাসল্ট : কালো মাটি :: গ্রানাইট : ___।
উত্তর – ব্যাসল্ট : কালো মাটি :: গ্রানাইট : লাল মাটি।
বেলেমাটি : ___ :: কাদামাটি : কাদাপাথর।
উত্তর – বেলেমাটি : বেলেপাথর :: কাদামাটি : কাদাপাথর।
পলিমাটি : উর্বর :: ল্যাটেরাইট মাটি : ___।
উত্তর – পলিমাটি : উর্বর :: ল্যাটেরাইট মাটি : অনুর্বর।
দাক্ষিণাত্য মালভূমি : কালো মাটি :: সুন্দরবন : ___।
উত্তর – দাক্ষিণাত্য মালভূমি : কালো মাটি :: সুন্দরবন : লবণাক্ত মাটি।
বেলেপাথর : সংঘাত শিলা :: চুনাপাথর : ___।
উত্তর – বেলেপাথর : সংঘাত শিলা :: চুনাপাথর : অসংঘাত শিলা।
সোনার কেল্লা : হলুদ বেলেপাথর : দিল্লির লালকেল্লা : ___।
উত্তর – সোনার কেল্লা : হলুদ বেলেপাথর : দিল্লির লালকেল্লা : লাল বেলেপাথর।
বামদিকের সঙ্গে ডানদিক মেলাও।
| বামদিক | ডানদিক | উত্তর |
| 1. চুনাপাথর | i. গোলাকার ভূমিরূপ। | 1. → iv. |
| 2. বেলেপাথর | ii. শিলার রূপান্তরের একটি কারণ। | 2. → viii. |
| 3. গ্রানাইট | iii. জিপসাম। | 3. → i. |
| 4. প্রচণ্ড চাপ | iv. স্ট্যালাকটাইট। | 4. → ii. |
| 5. ব্যাসল্ট | v. চ্যাপটা ভূমিরূপ। | 5. → v. |
| 6. মারবেল | vi. রূপান্তরিত শিলা। | 6. → vi. |
| 7. পটাশিয়াম | vii. অর্থোক্লেজ ফেল্ডসপার। | 7. → vii. |
| 8. ক্যালশিয়াম সালফেট | viii. পাললিক শিলা। | 8. → iii. |
| 9. শ্বেত পাথর | ix. ব্যাসল্ট। | 9. → x. |
| 10. ডেকান ট্র্যাপ | x. রূপান্তরিত চুনাপাথর। | 10. → ix. |
আমরা আমাদের আর্টিকেলে অষ্টম শ্রেণির ভূগোলের তৃতীয় অধ্যায় ‘শিলা’ থেকে কিছু ‘অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নগুলো অষ্টম শ্রেণির ভূগোল পরীক্ষার জন্য বা চাকরির পরীক্ষার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই প্রশ্নগুলি অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষা বা চাকরির পরীক্ষায় প্রায় দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে।
আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা হলে, আপনারা আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। তাছাড়া নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।





Leave a Comment