অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – মেঘ ও বৃষ্টি (পঞ্চম অধ্যায়) – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Souvick

অষ্টম শ্রেণির ভূগোল পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন? কিংবা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক (Competitive Exams) পরীক্ষার জন্য ভূগোলের খুঁটিনাটি খুঁজছেন? আজকের আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির ভূগোলের পঞ্চম অধ্যায় ‘মেঘ ও বৃষ্টি’ (Class 8 Geography Chapter 5) থেকে বাছাই করা কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ (Short Q&A) নিয়ে আলোচনা করবো।

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল - মেঘ ও বৃষ্টি (পঞ্চম অধ্যায়) - সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
Contents Show

বাষ্পীভবন (Evaporation) কাকে বলে?

উষ্ণতার কারণে জল বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া। উষ্ণতা, বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা প্রভৃতির ওপর বাষ্পীভবন নির্ভরশীল।

বাষ্পীয় প্রস্বেদন (Evapotranspiration) কী?

জলভাগ, মাটি থেকে বাষ্পীভবনের মাধ্যমে এবং উদ্ভিদ থেকে প্রস্বেদনের মাধ্যমে জলীয় পদার্থের অপচয় হয়। গাছপালা দ্বারা ভূমিভাগ আবৃত থাকলে বাষ্পীভবনের পরিমাণ কম হলেও বৃক্ষের প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে বাষ্পীভবন প্রক্রিয়া যুক্ত হয়ে ভূভাগ থেকে জল দ্রুত হারে বাষ্পীভূত হয়। এই প্রক্রিয়াকেই বাষ্পীয় প্রস্বেদন বলে।

ঘনীভবন (Condensation) কাকে বলে?

যে প্রক্রিয়ায় জলীয় বাষ্প বায়ুতে অবস্থিত ধূলিকণা, লবণ কণা, খনিজ কণা প্রভৃতিকে আশ্রয় করে জলবিন্দুতে পরিণত হয়, তাকে ঘনীভবন বলে। ঘনীভবনের ফলে সৃষ্টি হয় মেঘ, কুয়াশা, শিশির, তুহিন প্রভৃতি।

জলাকর্ষী কণা (Hygroscopic Nuclei) কাকে বলে?

বায়ুতে ভাসমান লবণ কণা, ধূলিকণা, ধোঁয়া, কার্বন কণা, সালফার ডাইঅক্সাইড ইত্যাদিকে কেন্দ্র করে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে মেঘ আকারে ভেসে বেড়ায়। এইসব সূক্ষ্ম কণাসমূহকে জলাকর্ষী কণা বলে। উপকূল এলাকা ও কলকারখানাযুক্ত অঞ্চলে জলাকর্ষী কণার পরিমাণ বেশি হয়।

ধোঁয়াশা (Smog) কাকে বলে?

শিল্পকারখানা থেকে প্রচুর ধোঁয়া নির্গত হয়ে শিল্প নগরীর বাতাসে ভেসে বেড়ায়, যা জলাকর্ষী কণা হিসেবে কাজ করে। শীতকালে কুয়াশা এইসব জলাকর্ষী কণাগুলিকে আশ্রয় করে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বাতাসে ভেসে বেড়ায় এবং যে ধোঁয়াটে অবস্থার সৃষ্টি করে, ধোঁয়াশা তাকে বলে। ধোঁয়াশার ফলে গলা, নাক জ্বালা করে, শ্বাসকষ্ট হয়। উদাহরণ – 1952 সালে লন্ডন শহরে ধোঁয়াশার কারণে প্রচুর মানুষ মারা যায়।

এমন দুটি দেশের নাম করো যেখানে প্রায় সারাবছর পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

নিরক্ষীয় জলবায়ুযুক্ত অঞ্চলের দেশগুলিতে সারাবছর পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়। যেমন – আফ্রিকা মহাদেশের জাইরে, এশিয়া মহাদেশের মালয়েশিয়া।

হিমাঙ্ক (Freezing Point) কাকে বলে?

নির্দিষ্ট চাপে যে উষ্ণতায় জল তরল থেকে জমে কঠিন বরফ হতে শুরু করে, তাকে হিমাঙ্ক বলে।

লীনতাপ (Latent Heat) কাকে বলে?

যে তাপ পদার্থের উষ্ণতার পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেবলমাত্র পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়, তাকে লীনতাপ বলা হয়। যেমন – কঠিন থেকে তরল বা তরল থেকে গ্যাসীয় বা গ্যাসীয় থেকে তরল বা তরল থেকে কঠিন ইত্যাদি।

সমোষ্ণ রেখা কাকে বলে?

সমোষ্ণ রেখা – পৃথিবীর যেসব স্থানের বছরের এক সময় বিশেষত জানুয়ারি ও জুলাই মাসের গড় উষ্ণতা সমান, তাদের একটি কাল্পনিক রেখার সাহায্যে যোগ করলে তাকে সমোষ্ণ রেখা বলে।

সমপরিমাণ মেঘবিশিষ্ট স্থানগুলিকে মানচিত্রে যে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যোগ করা হয়, তাকে সমমেঘ রেখা বা Isoneph বলে।

কৃত্রিম বৃষ্টি কী?

কোনো বিমান বা হেলিকপ্টারের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে সিলভার আয়োডাইড ও প্রোপেন একসঙ্গে মিশিয়ে স্প্রে করে কৃত্রিম বৃষ্টি ঘটানো হয়। বর্তমানে মেক্সিকো, চীন, থাইল্যান্ড প্রভৃতি দেশ এই উপায়ে বৃষ্টিপাত ঘটিয়েছে।

হিমায়িত বৃষ্টি (Freezing rain) কাকে বলে?

শীতপ্রধান দেশে শীতকালে ভূমির তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নীচে এবং বায়ুর তাপমাত্রা যদি হিমাঙ্কের কিছু ওপরে থাকে তাহলে বৃষ্টির ফোঁটা মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে জমাট বেঁধে বরফ দানায় পরিণত হয়। একে হিমায়িত বৃষ্টি বলে।

কোনো স্থানের আপেক্ষিক আর্দ্রতা 100 শতাংশ বলতে কী বোঝায়?

কোনো স্থানের আপেক্ষিক আর্দ্রতা 100 শতাংশ বলতে বোঝায় ওই বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ শতকরা 100 ভাগ অর্থাৎ, বায়ুটি জলীয় বাষ্পপূর্ণ। বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ শতকরা 100 ভাগ হলে বায়ুটি সম্পৃক্ত অবস্থায় পৌঁছে যায়। এইরূপ বায়ু থেকেই বৃষ্টিপাত হয়।

প্রতিবাত ঢাল (Windward Side) কাকে বলে?

পর্বতের যে ঢালে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু বাধা পেয়ে ঢাল বরাবর উপরের দিকে ওঠে এবং শীতল ও ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়, তাকে প্রতিবাত ঢাল বলে। যেমন – ভারতের পশ্চিমঘাট পর্বতমালার পশ্চিম দিকের ঢাল।

অনুবাত ঢাল (Leeward Side) কাকে বলে?

প্রতিবাত ঢালে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটানোর পর বিপরীত দিকে পর্বতের যে ঢাল বরাবর অপেক্ষাকৃত শুষ্ক বায়ু নীচের দিকে নেমে আসে, তাকে অনুবাত ঢাল বলে। এই ঢালে বৃষ্টি হয় না বলে একে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলা হয়। যেমন – পশ্চিমঘাট পর্বতমালার পূর্বদিকের ঢাল।

বায়ুর আর্দ্রতা কী?

সূর্যতাপে প্রতিনিয়ত পৃথিবীর জলভাগ থেকে জলীয় বাষ্প উত্থিত হয়ে বায়ুমণ্ডলে মিশছে। বায়ুর জলীয় বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতাকে বায়ুর আর্দ্রতা বলে।

আপেক্ষিক আর্দ্রতার নিয়ন্ত্রকগুলি কী কী?

জলীয় বাষ্প – বাষ্পীভবনের মাধ্যমে বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়ে আর জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমলে আপেক্ষিক আর্দ্রতা কমে।

উষ্ণতা – উষ্ণতা বাড়লে বায়ুর জলীয় বাষ্প ধারণক্ষমতা বাড়ে অর্থাৎ, আপেক্ষিক আর্দ্রতা কমে আর উষ্ণতা কমলে বায়ুর জলীয় বাষ্প ধারণক্ষমতা কমে, ফলে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়ে।

বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় (Thunder Storm) কাকে বলে?

যে ঝড় কিউমুলোনিম্বাস মেঘ থেকে সৃষ্টি হয় এবং সবসময় বজ্রবিদ্যুৎসহ সংঘটিত হয়, তাকে বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় বলে। নিরক্ষীয়, ক্রান্তীয় মণ্ডলের দেশগুলিতে এই ঝড়ের প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে মাঝে মাঝে শিলাবৃষ্টিও হয়। বৃষ্টিপাতের স্থায়িত্ব কম হলেও তীব্রতা বেশি।

আরব সাগরের তুলনায় বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণবাত বেশি হয় কেন?

আরব সাগরের তুলনায় বঙ্গোপসাগরে বেশি ঘূর্ণবাত হয় কারণ –

  1. আরব সাগরের তুলনায় বঙ্গোপসাগর আবদ্ধ হওয়ায় এখানে জলভাগ দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে যায় ও উষ্ণতা বেশি থাকে।
  2. আরব সাগরের তুলনায় বঙ্গোপসাগরের জলের ঘনত্ব বেশি এবং জলের অবাধ সঞ্চালন না হওয়ায় উষ্ণতা হ্রাস পাওয়ার সুযোগ পায় না। ফলে, বঙ্গোপসাগরে সহজেই নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়, যা ঘূর্ণবাতের সৃষ্টি করে।

বর্ষাকালের মেঘ কালো এবং শরৎকালের মেঘ সাদা হয় কেন?

বর্ষাকালে অধিক পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে প্রচুর জলবিন্দু সম্বলিত মেঘে পরিণত হয়। এই মেঘে প্রচুর জলবিন্দুর সঙ্গে প্রচুর ধূলিকণা, লবণ কণা থাকে। ফলে, মেঘের মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হতে পারে না। তাই মেঘকে কালো দেখায়। এই মেঘে বৃষ্টি হয়। শরৎকালে কম জলকণা সম্বলিত মেঘে ধূলিকণাও কম থাকে। ফলে, সূর্যালোক সহজেই প্রতিফলিত হয়। তাই মেঘ সাদা দেখায়।

দার্জিলিং-এ শীতকালে তুষারপাত হয় কেন?

দার্জিলিং উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত। তাই এখানে সারাবছরই উষ্ণতা কম থাকে। বিশেষ করে শীতকালে উষ্ণতা অত্যন্ত কমে যায় এবং তা অনেক সময় হিমাঙ্কের নীচে নেমে যায়। ফলে, এই সময় জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে জলবিন্দুর পরিবর্তে তুষার বিন্দুতে পরিণত হয় এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে তুষারপাত রূপে ভূপৃষ্ঠে ঝরে পড়ে।

শীতল বায়ু থেকে কেন বৃষ্টিপাত হয়?

বায়ুর উষ্ণতা কমলে বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেড়ে যায়। ফলে, বায়ু দ্রুত সম্পৃক্ত হয়ে যায়। এই সম্পৃক্ত বায়ু ঘনীভবন প্রক্রিয়ায় জলকণায় পরিণত হয়ে মেঘ আকারে ভেসে বেড়ায়। এই মেঘ মধ্যস্থিত জলকণাগুলি পরস্পর সংযুক্ত হয়ে আয়তনে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে বৃষ্টিপাত রূপে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়। তাই শীতল বায়ু থেকে বৃষ্টিপাত হয়।

আমাদের দেশে বর্ষাকালে সাধারণত কোন্ ধরনের বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে?

বর্ষাকালে আমাদের দেশে সাধারণত দু-প্রকারের বৃষ্টিপাত হয় যথা –

  1. ঘূর্ণ বৃষ্টিপাত ও
  2. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত।

বর্ষার শুরুতে সাধারণত সমগ্র গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টিপাত ঘটে এবং পশ্চিমঘাট ও পূর্বঘাট পর্বতে মৌসুমি বায়ুর আরবসাগরীয় ও বঙ্গোপসাগরীয় শাখা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটায়। ভারতের উত্তরের হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চল ও মেঘালয় মালভূমি অঞ্চলে এই সময় শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটে।

কোন্ কোন্ মেঘ থেকে সাধারণত বৃষ্টিপাত ঘটে?

বায়ুমণ্ডলের সিরোস্ট্র্যাটাস, অল্টোস্ট্র্যাটাস, নিম্বাস, নিম্বোস্ট্র্যাটাস, কিউমুলোনিম্বাস প্রভৃতি মেঘ থেকে বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে। প্রসঙ্গত, উল্লিখিত মেঘগুলির মধ্যে কিউমুলোনিম্বাস মেঘ থেকেই সর্বাধিক বৃষ্টিপাত ঘটে।

তোমার অঞ্চলে কোন্ ঋতুতে কী ধরনের বৃষ্টিপাত হয়?

আমি গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলে বাস করি। এখানে –

  • গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড তাপের কারণে বিকালের দিকে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়। যেমন – কালবৈশাখীর ঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাত।
  • বর্ষাকালেও এ রাজ্যে পরিচলন বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়।
  • শীতকালে সেরকম বৃষ্টিপাত না হলেও মাঝে মাঝে ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টিপাত দেখা যায়।
  • শরৎকাল ও হেমন্তকালেও ঘূর্ণবৃষ্টি দেখা যায়। যেমন – আশ্বিনের ঝড়, যা একপ্রকার ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টিপাত।

আমরা অষ্টম শ্রেণির ভূগোলের পঞ্চম অধ্যায় ‘মেঘ ও বৃষ্টি’ থেকে কিছু ‘সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নগুলো অষ্টম শ্রেণির ভূগোল পরীক্ষার জন্য বা যেকোনো চাকরির পরীক্ষার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই ধরনের প্রশ্নগুলো প্রায়শই পরীক্ষায় দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে।

আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে (Telegram) যোগাযোগ করতে পারেন, আমরা দ্রুত উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। তাছাড়া, নিচে থাকা শেয়ার বাটন থেকে এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জন বা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ!

Please Share This Article

Related Posts

মেঘ ও বৃষ্টি - অষ্টম শ্রেণি ভূগোল - পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – মেঘ ও বৃষ্টি (পঞ্চম অধ্যায়) – পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

মেঘ ও বৃষ্টি - অষ্টম শ্রেণি ভূগোল - টীকা

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – মেঘ ও বৃষ্টি (পঞ্চম অধ্যায়) – টীকা

মেঘ ও বৃষ্টি - অষ্টম শ্রেণি ভূগোল - অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – মেঘ ও বৃষ্টি (পঞ্চম অধ্যায়) – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

About The Author

Souvick

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – মেঘ ও বৃষ্টি (পঞ্চম অধ্যায়) – পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – মেঘ ও বৃষ্টি (পঞ্চম অধ্যায়) – টীকা

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – মেঘ ও বৃষ্টি (পঞ্চম অধ্যায়) – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – মেঘ ও বৃষ্টি (পঞ্চম অধ্যায়) – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণির ভূগোল – চাপবলয় ও বায়ুপ্রবাহ – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর