এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “রুইমাছের পটকার অভিযোজনগত গুরুত্ব লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের চতুর্থ অধ্যায় “অভিব্যক্তি ও অভিযোজন” -এর “বেঁচে থাকার কৌশল – অভিযোজন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

রুইমাছের পটকার অভিযোজনগত গুরুত্ব
রুইমাছের পটকা প্রধানত দুটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত— অগ্র ও পশ্চাৎ প্রকোষ্ঠ। এই দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝখানে একটি কপাটিকা বা ভালভ (Valve) থাকে। জলের ওঠানামায় এবং মাছের অভিযোজনে পটকার ভূমিকা নিচে আলোচনা করা হলো –
- জলের ওপরে ভাসতে সাহায্য করা – রুইমাছের অগ্র প্রকোষ্ঠে উপস্থিত রেড গ্রন্থি (Red gland) বা লাল গ্রন্থি থেকে গ্যাস উৎপন্ন হলে পটকা ফুলে যায় এবং প্লবতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে মাছের দেহের আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific gravity) হ্রাস পায় এবং মাছ সহজেই জলের ওপরে ভেসে উঠতে পারে।
- জলের গভীরে ডুবতে সাহায্য করা – অন্যদিকে রুইমাছের পশ্চাৎ প্রকোষ্ঠে উপস্থিত রেটিয়া মিরাবিলিয়া (Rete mirabile) নামক রক্তজালক উক্ত গ্যাস শোষণ করে নেয়, যার দরুন পটকা চুপসে যায় এবং প্লবতা হ্রাস পায়। মাছের দেহের আপেক্ষিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে মাছ জলের গভীরে ডুবে যায়।
- উদস্থৈতিক অঙ্গ (Hydrostatic Organ) হিসেবে ভূমিকা – পটকা রুইমাছকে জলের যেকোনো স্তরে (উপরে, মাঝে বা গভীরে) স্থিরভাবে ভাসতে সাহায্য করে। এটি মাছের শরীরে প্লবতা বল নিয়ন্ত্রণ করে, এই কারণেই পটকাকে রুইমাছের উদস্থৈতিক অঙ্গ বলা হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “রুইমাছের পটকার অভিযোজনগত গুরুত্ব লেখো।” — নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের চতুর্থ অধ্যায় “অভিব্যক্তি ও অভিযোজন” -এর অংশ। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment