এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘আহা, দিদিটার ওসব খেলনা কিছুই নেই—”তাহার দিদি এরকম খাইতে পায় নাই কখনও!’—অপু বাবার সাথে বেড়াতে এসে কী কী খেলনা দেখেছিল এবং কী কী নতুন খাবার খেয়েছিল, যা তার দিদি কখনও দেখেনি বা কখনও খায়নি?” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘আহা, দিদিটার ওসব খেলনা কিছুই নেই—’
‘তাহার দিদি এরকম খাইতে পায় নাই কখনও!’—
অপু বাবার সাথে বেড়াতে এসে কী কী খেলনা দেখেছিল এবং কী কী নতুন খাবার খেয়েছিল, যা তার দিদি কখনও দেখেনি বা কখনও খায়নি?
একবার অপু তার বাবার সাথে লক্ষ্মণ মহাজন নামে এক অবস্থাপন্ন চাষির বাড়িতে যায়। সেখানে লক্ষ্মণ মহাজনের ভাইয়ের স্ত্রী অপুকে খুব খাতিরযত্ন করে। তাদের বাড়ি গিয়ে অপু কার্যত বিস্ময়গ্রস্ত হয়ে পড়ে। ঘরের জিনিসগুলি সে যত দেখে, তত অবাক হয়ে যায়। কড়ির আলনা, রংবেরঙের ঝুলন্ত শিকা, পশমের পাখি, কাচের পুতুল, মাটির পুতুল, শোলার গাছ তাকে মুগ্ধ করে। আবার অমলাদের বাড়ির আলমারিতেও সে দেখে কাচের বড়ো মেম-পুতুল, মোমের পাখি, গাছ, আরও কত কী! রবারের বাঁদর, খঞ্জনি পুতুল, টিনের ঘোড়া— এসব সে যখন দেখে, তখনই তার নিজের দিদির কথা মনে পড়ে যায়। সে ভাবে, তার দিদি এতরকম খেলনা কোনোদিনও দেখেনি; দিদির প্রতি তার করুণা হয়।
এখানে বিভিন্নরকম লোভনীয় খাদ্যবস্তুও সে খাওয়ার সুযোগ পায়। লক্ষ্মণ মহাজনের ছোটো ভাইয়ের বাড়িতে সে খায় অনেক ঘি ও কিশমিশ দেওয়া সুস্বাদু মোহনভোগ, যা তার মায়ের বানানো মোহনভোগের থেকে অনেক ভালো। অমলাদের বাড়িতে সে খায় চন্দ্রপুলি। আরেকদিন লক্ষ্মণ মহাজনের ভাইয়ের স্ত্রীর নিমন্ত্রণে তাদের বাড়ি খেতে যায়। সেখানে ফুলকাটা রেকাবিতে আলাদা করে দেওয়া নুন ও লেবু পুনরায় তার বিস্ময় উদ্রেক করে। বিভিন্নরকম তরকারি, বড়ো চিংড়ির মাথা শুধু একা তার খাওয়ার জন্য— এ কথা সে কল্পনাও করতে পারে না। এত ভালো ভালো খাবার তার কাছে স্বপ্নসম মনে হয়। তখনই আবার তার মনে পড়ে যায় বেচারি দিদির কথা— যে এসব খাদ্যদ্রব্য কোনোদিন চোখেও দেখেনি।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘আহা, দিদিটার ওসব খেলনা কিছুই নেই—”তাহার দিদি এরকম খাইতে পায় নাই কখনও!’—অপু বাবার সাথে বেড়াতে এসে কী কী খেলনা দেখেছিল এবং কী কী নতুন খাবার খেয়েছিল, যা তার দিদি কখনও দেখেনি বা কখনও খায়নি?” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment