এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘কাহাকে সে কী করিয়া বুঝাইবে সে কী আনন্দ!’—’সে’ কে? কখন তার এমন অনুভূতি হত?” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ এটি উপন্যাসের মূল ভিত্তি এবং গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত শৈশবকে বোঝার জন্য অপরিহার্য।

‘কাহাকে সে কী করিয়া বুঝাইবে সে কী আনন্দ!’ – ‘সে’ কে? কখন তার এমন অনুভূতি হত?
‘সে’ বলতে এখানে ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের শিশু নায়ক অপুর কথা বলা হয়েছে।
ছায়াভরা বিকেলে নির্জন বনের দিকে তাকালে অপুর মনে অদ্ভুত ধরনের নানা কথা জেগে ওঠে। অপূর্ব খুশিতে অপুর মন ভরে ওঠে, মনে হয় এমন লতাপাতার মধুর গন্ধভরা দিনগুলি আগেও একবার তার জীবনে এসেছিল। অপুর মনে হয় দিনগুলি বৃথা যাবে না — একটি বড়ো কোনো আনন্দ সবশেষে অপেক্ষা করে আছে। নিবিড় ছায়াভরা বিকালটিকে অদ্ভুত মনে হত অপুর। গাছপালার ধারে খেলাঘর, গুলঞ্চলতার তার টানানো খেজুর গাছের ঝাঁপ, জ্যাঠামশাইদের পোড়ো ভিটার বাতাবি লেবুর গাছে তখনও রাঙা রোদ খেলা করে, চকচকে বাদামি রঙের ডানাওয়ালা তোড়া পাখি বনকলমির ঝোপে উড়ে এসে বসে। একপ্রকার অব্যক্ত আনন্দে অপুর হৃদয় পূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে আনন্দটা যে কেমন, সেটা সে কাউকে বুঝিয়ে বলতেও পারে না। প্রায়ই ছায়াভরা বিকেলে বন্য প্রকৃতির রূপ-রসে বিভোর হয়ে পড়ত অপু এবং তখনই অনাস্বাদিত আনন্দ উপভোগ করত।
আরও পড়ুন – ‘বইখানাতে যাঁহাদের গল্প আছে সে ওইরকম হইতে চায়।’—কোন্ বইয়ের কথা বলা হয়েছে? অপু কীরকম হতে চায়?
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘কাহাকে সে কী করিয়া বুঝাইবে সে কী আনন্দ!’—’সে’ কে? কখন তার এমন অনুভূতি হত?” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment