এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণের “ব্যাকরণ বিভাগ” থেকে “বাক্যের ভাব ও রূপান্তর” নিয়ে আলোচনা করবো। এই অংশটি অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

ভাষা কাকে বলে?
ভাষা হলো কোনো ভাষাগোষ্ঠীর মানুষদের মধ্যে পারস্পরিক ভাব বিনিময়ের একটি বিমূর্ত ব্যবস্থা (System)। যেহেতু ভাব বিনিময় ব্যাপারটা ভাষার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাই অতি অবশ্যই অর্থগম্যতাও ভাষার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে হবে। বোঝা না গেলে ভাষা, ভাষা হয়ে ওঠে না।
ভাষার আবিষ্কার কোন্ উদ্দেশ্য থেকে হয়েছিল?
আমাদের মনের বিভিন্ন ভাবের প্রকাশ এবং আদানপ্রদানের উদ্দেশ্যেই আবিষ্কার হয়েছিল ভাষার।
Para-Language বা প্রায়-ভাষা কাকে বলে?
বাস্তব ক্ষেত্রে ভাব আদানপ্রদানের সময় আমরা হাত, মাথা, কাঁধ প্রভৃতি অঙ্গসঞ্চালন, মুখাবয়বের নানা ভঙ্গিমা এবং নানা স্বরপ্রক্ষেপণের মাধ্যমে নানা বিষয়কে বুঝিয়ে থাকি। এই বিষয়গুলির লিখিত আকার থাকে না, এটি শুধুমাত্র ভাষার কথ্য রূপের সময় ব্যবহৃত হয়। একেই Para-Language বা প্রায়-ভাষা বলে।
বাক্যের অর্থের দিক থেকে প্রকারভেদ কী কী? ছকের সাহায্যে দেখাও।
বাক্যের অর্থগত প্রকারভেদ নিচে দেওয়া হলো –
| ক্রমিক নং | প্রকারভেদ | উদাহরণ |
| 1 | নির্দেশক বাক্য | সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। |
| 2 | প্রশ্নবোধক বাক্য | তোমার নাম কী? |
| 3 | অনুজ্ঞাবাচক বাক্য | মন দিয়ে পড়াশোনা করো। |
| 4 | বিস্ময়সূচক বাক্য | আহা! কী চমৎকার দৃশ্য। |
| 5 | ইচ্ছাসূচক বাক্য | তোমার মঙ্গল হোক। |
| 6 | সন্দেহবাচক বাক্য | সে হয়তো আজ আসবে। |

অস্ত্যর্থক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
‘অস্তি + অর্থক’, ‘অস্তি’ অর্থাৎ আছে। অস্ত্যর্থক বাক্য বা হ্যাঁ-বাচক বাক্যের গঠন যেমন অস্ত্যর্থক বা সদর্থক হয়, তেমনি অর্থের দিক থেকেও এইপ্রকার বাক্যের একটা স্বীকৃতি লক্ষ করা যায়। অর্থাৎ যে বাক্যে হ্যাঁ-বাচক কোনো শব্দ উপস্থিত থাকে এবং যে বাক্যের দ্বারা কোনো সম্মতি প্রদান করা হয়, তাকে অস্ত্যর্থক বাক্য বলে। যেমন – হ্যাঁ, আমি আজ বিদ্যালয়ে যাব।
নঞর্থক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যে বাক্যে ‘না’, ‘নয়’, ‘নি’ প্রভৃতি নঞর্থক শব্দ উপস্থিত থাকে আর যে বাক্যের দ্বারা অস্বীকৃতির ব্যঞ্জনা দ্যোতিত হয়, তাকে নঞর্থক বাক্য বলে। যেমন – এটা তো তোমার কাজ নয়।
নঞর্থক বাক্যে ‘না’ শব্দের ব্যবহারের বিভিন্ন রূপভেদ সম্পর্কে আলোচনা করো।
বাংলা ভাষায় ‘না’ শব্দের ব্যবহার বিভিন্ন রূপে হয়। কোথাও বসে ‘না’, কোথাও ‘নি’, আবার কোথাও বা ‘নয়’, অথবা ‘নেই’। অনেক ক্ষেত্রে ‘না’ শব্দটির ব্যবহার ক্রিয়াবিশেষণের মতো হয়, যেমন-‘করব না’ বলাতে ‘না’ শব্দটি পদের সঙ্গে সংযুক্ত ‘করা’র অবস্থাকে জ্ঞাপন করছে। ‘না’ শব্দ সাধারণত অসমাপিকা ক্রিয়ার আগে এবং সমাপিকা ক্রিয়ার পরে বসে। যেমন – না দেখে বিশ্বাস করব না। এক্ষেত্রে মনে রাখা দরকার প্রাচীন বাংলায় আবার ‘না’ সমাপিকা ক্রিয়ার আগেই বসত। ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে’ এর যথেষ্ট প্রমাণ মেলে। নঞর্থক বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়ার পর ‘না’ বসা তাই বাংলা ভাষার ভাষাবিবর্তনের এক বিশিষ্ট ফলাফল। ‘না’ শব্দের অতীতকালের রূপ ‘নি’, কিন্তু হ্যাঁ বা না-তে উত্তর দেওয়া যায় এমন বাক্যের ক্ষেত্রে অতীতকালেও ‘না’-ই বসবে যেমন –
- ‘না’ অতীতকালের রূপ-আমি গতকাল থেকে কিছু খাইনি।
- আবার, তুমি কি কাল অফিসে ছিলে না?
‘নয়’ শব্দের ব্যবহার নামপদের পরে নঞর্থক শব্দ হিসেবে হয়। যেমন-এ আমার দ্বারা কিছুতেই হবার নয়। আবার অনেক সময় বাক্যকে জটিল রূপ দেওয়ার জন্যও ‘নয়’ শব্দের ব্যবহার করা হয়। যেমন –
- তোমাকে যে খুব অপছন্দ করি এমনটা নয়।
- একই বাক্যে দুই-বার নঞর্থক শব্দ প্রয়োগের ফলে কখনো-কখনো অস্ত্যর্থক বাক্য গঠন করা হয়। যেমন – না বলে আসিনি-অর্থাৎ বলেই এসেছি।
নির্দেশক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যে বাক্যে কোনো বক্তব্য বা বিষয়ের বিবৃতি থাকে, তাকে নির্দেশক বাক্য বলে। কোনো ভাব বা ঘটনার অতিরিক্ত নির্দিষ্ট বা বিশেষ কোনো মনোভঙ্গি প্রকাশ না পেলেও এই ধরনের বাক্যের দ্বারা বক্তার নিশ্চয়তাবোধ প্রকটভাবে প্রকাশিত হয়। যেমন – সূর্য পূর্বদিকে ওঠে।
নির্দেশক বাক্য কত প্রকার হতে পারে ও কী কী?
নির্দেশক বাক্য দুই প্রকার হতে পারে। যথা –
- অস্ত্যর্থক নির্দেশক বাক্য
- নঞর্থক নির্দেশক বাক্য
অস্ত্যর্থক নির্দেশক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যে বাক্যের মাধ্যমে কোনো ঘটনা বা বিবৃতির স্বীকৃতি বর্ণিত হয়, তাকে সদর্থক বা অস্ত্যর্থক নির্দেশক বাক্য বলে। যেমন – সূর্য পশ্চিম দিকে অস্ত যায়।
নঞর্থক নির্দেশক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যে বাক্যে কোনো ঘটনা বা ভাবের অস্তিত্ব বিবৃতির মাধ্যমে অস্বীকার করা হয়, তাকে নঞর্থক বা নঞর্থক নির্দেশক বাক্য বলে। যেমন – আমার এখন বসার সময় নেই।
প্রশ্নবোধক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যে বাক্যে কোনো ভাব বা ঘটনা বা বিষয় সম্পর্কে কোনো একটি জিজ্ঞাসার ভাব প্রধানভাবে প্রকটিত হয়ে ওঠে, তাকে প্রশ্নবোধক বাক্য বলে। যেমন – তোমার শরীর এখন কেমন আছে?
প্রশ্নসূচক প্রকাশের ধরন অনুযায়ী প্রশ্নবোধক বাক্য কত প্রকার ও কী কী?
প্রশ্নসূচক প্রকাশের দুটি বিশিষ্ট ধরন। যথা –
- ‘ক’ প্রশ্ন বা Wh-Question।
- হ্যাঁ বা না প্রশ্ন।
‘ক’-প্রশ্ন বা Wh-Questions কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
বাংলায় ‘ক’ এবং ইংরেজিতে ‘Wh’ দিয়ে শুরু অব্যয়, ক্রিয়াবিশেষণ, সর্বনাম বা বিশেষণ সহযোগে যে প্রশ্ন তৈরি করা হয়, তাকে ‘ক’-প্রশ্ন বা Wh-Questions বলে।
- ‘ক’-প্রশ্নের উপাদান (বাংলা) = কী, কেন, কীভাবে, কারা, কোথায়, কখন, কবে, কেমন করে ইত্যাদি।
- Wh-Questions -এর উপাদান (ইংরেজি) = when, where, what, which, whom ইত্যাদি। যেমন –
- বাংলা-তোমার নাম কী?
- ইংরেজি-What is your name?
হ্যাঁ/না প্রশ্ন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যেসব প্রশ্নের উত্তর সর্বদা হ্যাঁ বা না-বাচক শব্দের দ্বারা দেওয়া হয়। সেইসব প্রশ্নবোধক বাক্যগুলিকে হ্যাঁ/না বাচক প্রশ্ন বলে। যেমন –
- তুমি কি আজ খাবে না?
- আজকে বাড়ি পাহারায় হরি কি থাকবে?
লগ্ন প্রশ্ন কাকে বলে?
‘কেমন’, ‘না’, ‘তাই না’, ‘তাইতো’, ‘আচ্ছা’, ‘নাকি’ প্রভৃতি অব্যয় যোগে কথ্য বিষয়ে সমর্থন আদায়ের জন্য যে লেজুর প্রশ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকেই লগ্ন প্রশ্ন বলে। যেমন – কাল আবার দেখা দিয়ে যেও, কেমন?
সামাজিক আলাপচারিতার প্রশ্ন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
সামাজিক দায়বদ্ধতা, সহাবস্থান বা সৌজন্য প্রকাশ করার জন্য যেসব প্রশ্ন করা হয়, তাকে সামাজিক আলাপচারিতার প্রশ্ন বলা হয়। যেমন – ভালো আছেন?
প্রতিস্পর্ধামূলক প্রশ্ন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যে প্রশ্নসূচক বাক্যের গঠন অস্ত্যর্থক হলেও উত্তর নেতিবাচক হয় এবং অর্থের সংগতি নাও থাকতে পারে এবং সর্বোপরি প্রশ্নের মাধ্যমে বক্তার প্রতিস্পর্ধী ভাব ফুটে ওঠে, তাকে প্রতিস্পর্ধামূলক প্রশ্ন বলে। যেমন – আমি কি ওকে ভয় পাই না কি?
বিস্ময়সূচক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যে বাক্যের দ্বারা দুঃখ, আনন্দ, বিস্ময় এবং সেইসব কারণে জাত নানারকম উচ্ছ্বাস প্রকাশিত হয়, তাকে বিস্ময়সূচক বাক্য বলে। যেমন – আহা! কী দেখিলাম।
অনুজ্ঞাবাচক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যে বাক্যের মাধ্যমে আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ, প্রার্থনা বা নিষেধ ইত্যাদির ভাব প্রকাশিত হয়ে বক্তার ইচ্ছা, নির্বাচন অথবা নৈতিক অবস্থানকে সূচিত করে, তাকে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য বলে। যেমন – দেখেশুনে কাজ করো।
নির্দেশ অনুযায়ী বাক্য পরিবর্তন করো।
ফুলবাগানের মোড় পর্যন্ত এগিয়ে দেখল নীলু। (না-সূচক বাক্যে)
উত্তর – ফুলবাগানের মোড় ছাড়িয়ে আর এগিয়ে দেখল না নীলু।
বাইরে থেকে দেখে বোঝা যেত না, কিন্তু কে জানে, হয়তো ওই জীবন তার ভালো লাগছিল না। (হ্যাঁ-সূচক বাক্যে)
উত্তর – বাইরে থেকে দেখে বোঝা শক্ত ছিল, কিন্তু কে জানে, হয়তো ওই জীবন তার অপছন্দের ছিল।
সেদিকটার দরজা বন্ধ। (না-সূচক বাক্যে)
উত্তর – সেদিকটার দরজা খোলা ছিল না।
তাঁর হয়েছে বড়ো জ্বালা। (বিস্ময়সূচক বাক্যে)
উত্তর – উঃ! কী জ্বালায় যে জ্বলছেন তিনি!
বুড়ো চোখটা অন্যদিকে ফিরিয়ে নিল। (প্রশ্নসূচক বাক্যে)
উত্তর – বুড়ো কি চোখটা অন্যদিকে ফিরিয়ে নিল না?
দুপুরে খাওয়ার সময়টায় এক বেড়াল ছাড়া তার কাছাকাছি আর কেউ থাকে না বড়ো একটা। (হ্যাঁ-সূচক বাক্যে)
উত্তর – দুপুরে খাওয়ার সময়টায় এক বেড়াল ছাড়া প্রায় সবাই তার থেকে দূরেই থাকে।
তোর অধঃপাত দেখলে আমি কোথায় গিয়ে মুখ লুকোব? (প্রশ্ন পরিহার করো)
উত্তর – তোর অধঃপাত দেখলে আমার কোথাও মুখ লুকোনোর জায়গা থাকবে না।
তাঁর কানে যদি এসব কথা যায় তাহলে রক্ষে রাখবে ভেবেছিস? (হ্যাঁ-সূচক বাক্য)
উত্তর – তাঁর কানে এসব কথা গেলে বিপদ অনিবার্য।
ও মানুষের মর্ম তোমরা বুঝবে না। (হ্যাঁ-সূচক বাক্যে)
উত্তর – ও মানুষের মর্ম তোমাদের কাছে অবোধ্যই রয়ে যাবে।
মা বলল, আমরা কি অত জানতুম বাছা! (নির্দেশক বাক্য)
উত্তর – মা বলল যে তারা অতশত জানত না।
দোকানে বিক্রিবাটা কেমন হে? (প্রশ্নবাক্যটির প্রকার নির্দেশ করো)
উত্তর – এই বাক্যটি একটি প্রশ্নবোধক বাক্যের উদাহরণ।
এগিয়ে চলতে হবে। (অনুজ্ঞাবাচক বাক্যে)
উত্তর – এগিয়ে চলো।
মশাল হাতে কালিঝুলি মাখা একটা লোক দাঁড়িয়ে। (না-সূচক বাক্যে)
উত্তর – মশাল হাতে কালিঝুলি মাখা লোকটা বসে নেই।
আর বলবেন না মশাই। (হ্যাঁ-সূচক বাক্যে)
উত্তর – এবার চুপ করুন মশাই।
বকশিশের কথায় কাশীনাথ হেসে ফেলল। (না-সূচক বাক্যে)
উত্তর – বকশিশের কথায় না হেসে কাশীনাথ আর থাকতে পারল না।
বয়স তো বোধহয় সাতাশ-আঠাশ। (প্রশ্নবোধক বাক্যে)
উত্তর – বয়স কি সাতাশ-আঠাশের মতো হবে না?
খুব ভালো বলেছেন। (বিস্ময়বোধক বাক্যে)
উত্তর – বাঃ! কী চমৎকার বলেছেন!
খুব ভোরবেলায় উঠে অনেকটা দৌড়াতে হবে. (অনুজ্ঞাসূচক বক্তব্য)
উত্তর – খুব ভোরবেলায় উঠে অনেকটা দৌড়াও।
আশ্বিন মাসেও আজ ঘাম হচ্ছে। (না-সূচক বাক্যে)
উত্তর – আশ্বিন মাসেও আজ ঘাম হওয়া বন্ধ নেই।
আমার কেমন যেন সন্দেহ হচ্ছে, ঘটনাটা তত মিথ্যে নয়। (হ্যাঁ-সূচক বাক্যে)
উত্তর – আমার কেমন যেন সন্দেহ হচ্ছে, ঘটনাটা অধিকাংশেই সত্য।
নজরুল দুই বাংলার অবিস্মরণীয় কবি। (বাক্য প্রকার নির্ণয়)
উত্তর – এটি একটি নির্দেশক (অস্ত্যর্থক) বাক্যের উদাহরণ।
বা! কী চমৎকার তোমার গানের গলা! (বাক্য প্রকার নির্ণয়)
উত্তর – এটি একটি বিস্ময়সূচক বাক্যের উদাহরণ।
সুতপা মেধাবী মেয়ে কিন্তু ভীষণ অহংকারী। (বাক্য প্রকার নির্ণয়)
উত্তর – এটি একটি নির্দেশক (অস্ত্যর্থক) এবং গঠনগতভাবে যৌগিক বাক্যের উদাহরণ।
একি! তুমি এখনও বসে রইলে যে? (বাক্য প্রকার নির্ণয়)
উত্তর – এটি একটি বিস্ময়সূচক প্রশ্নবোধক বাক্যের উদাহরণ।
ধেৎ লোডশেডিং হয়ে গেল। (বাক্য প্রকার নির্ণয়)
উত্তর – এটি একটি বিস্ময়সূচক বাক্যের উদাহরণ।
এতো মেয়ে মেয়ে নয়, দেবতা নিশ্চয়। (বাক্য প্রকার নির্ণয়)
উত্তর – এটি একটি নিশ্চয়ার্থক নির্দেশক বাক্যের উদাহরণ।
এ কাজ উদ্ধার করা তোর পক্ষে অসম্ভব কিছু না। (বাক্য প্রকার নির্ণয়)
উত্তর – এটি একটি নির্দেশক (নঞর্থক) বাক্যের উদাহরণ।
তোমার কথা বলতে বলতেই তুমি চলে এলে। (বাক্য প্রকার নির্ণয়)
উত্তর – এটি একটি নির্দেশক (অস্ত্যর্থক) বাক্যের উদাহরণ।
আজ তাহলে দেখা হচ্ছে তো? (বাক্য প্রকার নির্ণয়)
উত্তর – এটি একটি প্রশ্নবোধক বাক্যের উদাহরণ।
রাগটা না হয় আমার কথা ভেবেই কমাও। (বাক্য প্রকার নির্ণয়)
উত্তর – এটি একটি অনুজ্ঞাবাচক বাক্যের উদাহরণ।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণের “ব্যাকরণ বিভাগ” থেকে “বাক্যের ভাব ও রূপান্তর” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই অংশটি অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে এসেছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।





Leave a Comment