অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ছোটোদের পথের পাঁচালী – সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সঠিক উত্তর নির্বাচন (MCQ) প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নগুলি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অষ্টম শ্রেণি বাংলা - ছোটোদের পথের পাঁচালী - সঠিক উত্তর নির্বাচন করো
Contents Show

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

গল্পের শুরুতে (বৈশাখ/মাঘ/আষাঢ়) মাসের উল্লেখ আছে।

উত্তর – মাঘ।

নিশ্চিন্দিপুরের কয়েকজন লোক (দুর্গাপুজোর/সরস্বতী পুজোর/গণেশ পুজোর) বিকালে গ্রামের বাইরের মাঠে নীলকণ্ঠ পাখি দেখতে যাচ্ছিল।

উত্তর – সরস্বতী পুজো।

খোকার বয়স ছিল (ছয়-সাত/দশ-এগারো/চার-পাঁচ) বছর।

উত্তর – ছয়-সাত।

বালক ঝোপের মধ্যে (শূকর/কাঠবেড়ালি/খরগোশ) দেখেছিল।

উত্তর – খরগোশ।

ঝোপগুলিকে ছেয়ে ফেলেছে (মটর/সিম/কলমি) লতা।

উত্তর – কলমি।

নীলকণ্ঠ পাখি (বট গাছ/জাম গাছ/বাবলা গাছ)-এ এসে বসবে।

উত্তর – বাবলা গাছ।

খোকার বাবার নাম (হরিহর/শ্রীহর/শেখর)।

উত্তর – হরিহর।

অপুর দিদির নাম (রাণু/সর্বজয়া/দুর্গা)।

উত্তর – দুর্গা।

দুর্গার বয়স (সতেরো-আঠারো/একুশ-বাইশ/দশ-এগারো) বছর।

উত্তর – দশ-এগারো বছর।

দুর্গার হাতে ছিল (সোনা/রুপো/কাচের চুড়ি)।

উত্তর – কাচের চুড়ি।

সর্বজয়া লঙ্কা রেখে দেয় (খাটের ওপর/মাটিতে/তক্তার ওপর)।

উত্তর – তক্তার ওপর।

নীলমণি রায়ের স্ত্রী (মাতুলালয়ে/শ্বশুরালয়ে/পিত্রালয়ে) বাস করতেন।

উত্তর – পিত্রালয়ে।

নারিকেলের মালায় (আম/লেবু/তেঁতুল) মাখা ছিল।

উত্তর – আম।

সর্বজয়া রান্নাঘরের দাওয়ায় (আলু/শসা/আপেল) কাটতে বসল।

উত্তর – শসা।

স্বর্ণ ছিল (মেথর/চর্মকার/গোয়ালিনি)।

উত্তর – গোয়ালিনি।

অন্নদা রায়ের বাড়িতে হরিহর (গোমস্তা/পুরোহিত/গয়লা)-র কাজ করে।

উত্তর – গোমস্তা।

অপুদের বাড়ি হইতে কিছু দূরে একটি খুব বড়ো (পেঁপে/বট/অশ্বত্থ) গাছ ছিল।

উত্তর – অশ্বত্থ।

অপুর মা তার জন্য (ইলিশ মাছ/কাতলা মাছ/চিংড়ি মাছ) ভাজছিল।

উত্তর – চিংড়ি মাছ।

অপুর মা দুপুরবেলা (রামায়ণ/মহাভারত/উপনিষদ) পড়ত।

উত্তর – মহাভারত।

মহাভারতের (কর্ণ/কুন্তী/ভীম) চরিত্র অপুর বড়ো ভালো লাগে।

উত্তর – কর্ণ।

কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ হয়েছিল (একাদশ/ত্রয়োদশ/অষ্টাদশ) দিবস।

উত্তর – অষ্টাদশ।

দুর্গা (নূপুর/নোলক/আংটি) পরতে ভালোবাসে।

উত্তর – নোলক।

চিনিবাস হল একজন (গয়লা/ময়রা/কৃষক)।

উত্তর – ময়রা।

সেজো বউ (কালীপুজো/লক্ষ্মীপুজো/দশহরা পুজো)-র জন্য মুড়কি, সন্দেশ বাতাসা কিনলেন।

উত্তর – দশহরা পুজো।

দুর্গা রথের সময় বাবার কাছ থেকে (দুই/চার/ছয়) পয়সা নেবে ভেবেছিল।

উত্তর – চার পয়সা।

বাবার কাছ থেকে পয়সা নিয়ে (মুড়কি/মুড়ি/মোয়া) খাবে বলে দুর্গা আশা করেছিল।

উত্তর – মুড়কি।

বোশেখ মাসে সকলের মেয়ে (শিবপুজো/কালীপুজো/লক্ষ্মীপুজো) করে।

উত্তর – শিবপুজো।

সেজো ঠাকুরণের পিছনে (চারটি/পাঁচটি/দশটি) ছেলেমেয়ে এসেছিল।

উত্তর – পাঁচটি।

টুনু ও সতু দুর্গার (টিনের/কাঁসার/পিতলের) পুতুলের বাক্স ঘর থেকে বার করল।

উত্তর – পিতলের।

বাক্স থেকে তারা (হীরের/সোনার/পুঁতির) মালা বার করল।

উত্তর – পুঁতির।

পুঁতির মালাটি ছিল (সতু/রাণু/টুনু)-র।

উত্তর – টুনু।

দুর্গার (একটি/দুটি/তিনটি) চুরি ধরা পড়েছিল।

উত্তর – দুটি।

ছাতিম তলায় গ্রামের (শ্মশান/মাঠ/হাসপাতাল)।

উত্তর – শ্মশান।

অপুর বইয়ের দফতরে রয়েছে (১৩১৩/১৩৩৩/১৩০৩) সালের পুরাতন পাঁজি।

উত্তর – ১৩০৩।

অপু কেঁদে উঠল (বাবা/মা/দিদি)-র জন্য।

উত্তর – দিদি।

দুর্গাকে খুঁজে এনেছিল (মা/অপু/বাবা)।

উত্তর – বাবা।

অপু ক খ লিখছিল (কলা পাতা/তালপাতা/শাল পাতা)-য়।

উত্তর – তালপাতায়।

দুর্গা (পেঁপেতলায়/জামতলায়/তুলসিতলায়) পুণ্যিপুকুরের ব্রত করছিল।

উত্তর – পেঁপেতলায়।

সে উঠানে ছোটো (তিনকোনা/চৌকোনা/পাঁচকোনা) গর্ত কেটেছিল।

উত্তর – চৌকোনা।

দুর্গা (পিটুলিগোলা/চন্দনগোলা/খড়িগোলা) দিয়ে আলপনা দিচ্ছিল।

উত্তর – পিটুলিগোলা।

গড়ের পুকুরে অনেক (আম/জাম/পানফল) হয়েছে।

উত্তর – পানফল।

দুর্গা পুকুরধার থেকে (পানফল/শেওড়াফল/গাব ফল) তুলে খেয়েছিল।

উত্তর – শেওড়াফল।

অপু-দুর্গা (পানফল/নাটাফল/শেওড়া ফল) খেয়েছিল।

উত্তর – শেওড়াফল।

ফলগুলি অপুর (মিষ্টি/তিক্ত/অম্ল) মনে হয়েছিল।

উত্তর – তিক্ত।

গড়ের পুকুরপাড়ে (ঘোষাল/বিশ্বাস/মজুমদার)-দের বাড়ি ছিল।

উত্তর – মজুমদার।

চকচকে বস্তুটিকে তারা (পাথর/কাচ/হিরে) ভেবেছিল।

উত্তর – হিরে।

দুর্গা বাড়ির বাইরে (লেবু/কাঁঠাল/আম) কুড়োনোর জন্য দৌড়োল।

উত্তর – আম।

দুর্গা (চার-পাঁচটি/আট-দশটি/আট-নয়টি) আম কুড়োল।

উত্তর – আট-নয়টি।

অপু (দুটি/একটি/পাঁচটি) আম পেল।

উত্তর – দুটি।

আম কুড়োতে এসেছিল (মজুমদার/চৌধুরী/মুখুজ্যে) বাড়ির বাচ্চারাও।

উত্তর – মুখুজ্যে।

দুর্গার চোখের চাহনি বড়ো ঘা দিয়েছিল (সতু/রাণু/টুনু)-কে।

উত্তর – রাণু।

ভিজে মাটির গন্ধ (মিষ্টি/মধুর/সোঁদা সোঁদা)।

উত্তর – সোঁদা সোঁদা।

রাজকৃষ্ণ পালিতের মেয়ে (সুলতা/শ্রীলতা/আশালতা) পুকুরঘাটে যাচ্ছিল।

উত্তর – আশালতা।

সর্বজয়া অপু-দুর্গার খোঁজ করেছিল (সতু/রাণু/আশালতা) -এর কাছে।

উত্তর – আশালতা।

নারিকেলের শলা দিয়ে (বড়া/পিঠে/ঝাঁটা) হবে।

উত্তর – ঝাঁটা।

অপু-দুর্গার মুখ বৃষ্টিধোয়া (গোলাপ/জুঁই/পদ্ম) ফুলের মতো সুন্দর লাগছিল।

উত্তর – জুঁই।

প্রসন্ন গুরুমহাশয়ের বাড়িতে ছিল (মিষ্টি/মাংস/মুদির) দোকান।

উত্তর – মুদির।

বেতের ওপর (ছাত্রদের/অভিভাবকদের/শিক্ষকদের) বিশ্বাস ছিল।

উত্তর – অভিভাবকদের।

(মা/দিদি/বাবা) -এর প্রতি অভিমানে অপুর চোখে জল এল।

উত্তর – মা।

অপুকে পাঠশালায় দিয়ে এসেছিল তার (মা/দিদি/বাবা)।

উত্তর – বাবা।

গুরুমহাশয় মাচায় বসে (চাল/ডাল/সৈন্ধব লবণ) ওজন করছেন।

উত্তর – সৈন্ধব লবণ।

গুরুমহাশয় বলিলেন-এটা কি (খেলার মাঠ/মন্দির/নাট্যশালা)?

উত্তর – নাট্যশালা।

সতুকে গুরুমহাশয় (বটতলা/আমতলা/তেঁতুলতলা) থেকে একখানা থান ইট আনতে বলল।

উত্তর – তেঁতুলতলা।

পাঠশালা বসত (সকালে/দুপুরে/বিকেলে)।

উত্তর – বিকেলে।

পাঠশালায় সবশুদ্ধ (চার-পাঁচ/পাঁচ-ছয়/আট-দশটি) ছেলেমেয়ে পড়িতে আসে।

উত্তর – আট-দশটি।

গুরুমহাশয় জীর্ণ (আসন/চেয়ার/তালপাতার চাটাই) -এর ওপর বসিয়া থাকেন।

উত্তর – তালপাতার চাটাই।

পড়াশোনার চেয়ে অপুর (গল্প শুনতে/ঘুমোতে/খেলতে) ভালো লাগে।

উত্তর – গল্প শুনতে।

রাজু রায় আষাঢ়ুর হাটে (চাল/ডাল/তামাক) -এর দোকান খুলেছিলেন।

উত্তর – তামাক।

সে গ্রামের ছায়াভরা মাটির পথে একটি মুগ্ধ (বালক/বালিকা/তরুণ) ছবি আছে।

উত্তর – বালক।

অপু কুঠির মাঠে গেছিল (দুই/চার/এক) বছর আগে।

উত্তর – দুই।

সেখানে সে (চড়াই পাখি/বুলবুলি পাখি/নীলকণ্ঠ পাখি) দেখেছিল।

উত্তর – নীলকণ্ঠ।

অপু বিকেলবেলা (খেলতে/পড়তে/বেড়াতে) যাবার সংকল্প করছিল।

উত্তর – বেড়াতে।

তার মা (চাল-ডাল/মুড়ি-চিড়ে/চাল-ছোলা) ভাজছিল।

উত্তর – চাল-ছোলা।

বাইরের দরজায় পা দিতেই তার কানে গেল (বাবা/দিদি/মা)-র ডাক।

উত্তর – মা।

অপু একছুট দিয়ে (লালু/নীলু/কালু)-দের বাড়ি গিয়ে পৌঁছাল।

উত্তর – নীলু।

অপু নীলুর সাথে (পাখির বাসা/পাখির ডিম/পাখির ছানা) দেখতে গেল।

উত্তর – পাখির ছানা।

আতুরি বুড়ি প্রাণ সংগ্রহ করে (আম পাতা/কচু পাতা/জাম পাতা)-য় পুরবে।

উত্তর – কচুপাতায়।

আতুরি বুড়ি তাদেরকে (আমচুর/কাঁচা আম/কুল) দেবে বলেছিল।

উত্তর – আমচুর।

সর্বজয়া উনুন ধরিয়ে (চালভাজা/তালের বড়া/ছোলাভাজা) করার আয়োজন করছে।

উত্তর – তালের বড়া।

বাবলাগাছে (হলুদ/নীল/লাল) রঙের ফুল ফুটিয়া থাকিত।

উত্তর – হলুদ।

আজ অপু সর্বপ্রথম (উঠান/পাঠশালা/গ্রামের) বাইরে পা দিল।

উত্তর – গ্রামের।

যাবার সময় হরিহর (ছেলেকে/মেয়েকে/স্ত্রীকে) সঙ্গে করে নিয়ে গেল।

উত্তর – ছেলেকে।

রেলগাড়ি আসবে (বিকালবেলা/সকালবেলা/দুপুরবেলা)।

উত্তর – দুপুরবেলা।

রেলগাড়ি আসতে এখনও (এক/দুই/তিন) ঘণ্টা দেরি।

উত্তর – দুই।

শিষ্যের নাম (রাম মহাজন/শ্যাম মহাজন/লক্ষ্মণ মহাজন)।

উত্তর – লক্ষ্মণ মহাজন।

খানিক পরে বধূ (রসমালাই/মোহনভোগ/ক্ষীর) তৈরি করে খেতে দিল।

উত্তর – মোহনভোগ।

মোহনভোগে ছিল (কাজু/কিশমিশ/গুড়)।

উত্তর – কিশমিশ।

অমলা (অপু/অপুর মা-র/অপুর দিদির) বয়সি।

উত্তর – অপুর দিদির।

ফুলকাটা রেকাবিতে দেওয়া হয়েছে (মিষ্টি/চাটনি/নুন ও লেবু)।

উত্তর – নুন ও লেবু।

(এক/দুই/তিন) দিন পরে হরিহর ছেলেকে নিয়ে বাড়ি এল।

উত্তর – দুই।

বাড়ি এসে অপু (এগারো/তেরো/পনেরো) দিন ধরে নিজের অদ্ভুত ভ্রমণকাহিনি বলেছিল।

উত্তর – পনেরো।

মোটে (চার-পাঁচ/দুই-তিন/এক-দুই) ঘণ্টা রেলরাস্তার ধারে চুপ করে বসে থাকলেই রেলগাড়ি দেখা যেত।

উত্তর – চার-পাঁচ।

অপু মায়ের ওপর রাগ করে (চালভাজা/ভাত/ছোলাভাজা) খেতে অস্বীকার করল।

উত্তর – ভাত।

অপু মায়ের ওপর রাগ করে (কাঁঠালগাছের গুঁড়ির/আমগাছের গুঁড়ির/বকুলতলায়) ওপর বসে ছিল।

উত্তর – আমগাছের গুঁড়ির।

অপু (দিদি/রাণু/সতু)-কে ডেকেছিল রেল রেল খেলার জন্য।

উত্তর – সতু।

অপু-দুর্গা চিনি বানিয়েছিল (মাটি/নুন/বালি) দিয়ে।

উত্তর – বালি।

অপু-দুর্গা পাকা ফল পেয়েছিল মোটে (একটি/দুটি/তিনটি)।

উত্তর – তিনটি।

সেগুলি ছিল (আম/কাঁঠাল/মাকাল) ফল।

উত্তর – মাকাল।

সতু অপুর চোখে (ধুলো/মাটি/বালি) ছুঁড়ে মেরেছিল।

উত্তর – ধুলো।

অপু (বেতের/লোহার/কাঠের) বাক্স খুলে দিনের আলোয় পরীক্ষা করে দেখে।

উত্তর – বেতের।

তালপাতার পুথির স্তূপ ও খাতাপত্রগুলি ছিল অপুর (বাবা/ঠাকুরমা/ঠাকুরদা)-র।

উত্তর – ঠাকুরদার।

বনের মধ্যে একটি (মজা খাল/বিল/পুকুর) আছে।

উত্তর – পুকুর।

বিশালাক্ষী দেবী ছিলেন গ্রামের (ঘোষ/মুখোপাধ্যায়/মজুমদার) বংশের প্রতিষ্ঠিত দেবী।

উত্তর – মজুমদার।

সন্ধ্যার সময় নদীর ঘাটে একটি (ত্রয়োদশী/ষোড়শী/অষ্টাদশী) মেয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।

উত্তর – ষোড়শী।

চতুর্দশীর রাত্রে পঞ্চাননতলায় (দুশো আট/তিনশো আট/একশো আট) কুমড়ো বলি দিয়ে কালীপুজো করতে হবে।

উত্তর – একশো আটটা।

পুজোর আর (কুড়ি/একুশ/বাইশ) দিন বাকি আছে।

উত্তর – বাইশ।

অপু দাওয়ায় (মাদুর/পিঁড়ি/আসন) পেতে বসেছে।

উত্তর – মাদুর।

সন্ধ্যার পর সর্বজয়া (ভাত/ডাল/তরকারি) রাঁধছিল।

উত্তর – ভাত।

অপু রাজুদের বাড়িতে (যষ্টিমধু/পোস্তদানা/কামরাঙা) খেয়েছিল।

উত্তর – পোস্তদানা।

দুর্গা সারাদিন বাগান খুঁজে (গাবফল/আতাফল/মাকালফল) নিয়ে এল।

উত্তর – মাকালফল।

পটু অপুর (সমবয়সি/বড়ো/কিছু ছোটো)।

উত্তর – কিছু ছোটো।

পটুকে জেলের ছেলেরা আরও (এক হাত/দুই হাত/চার হাত) দূর থেকে টিপ মারতে বলেছিল।

উত্তর – এক হাত।

অপু কড়ি খেলতে গিয়েছিল (জেলেপাড়ায়/ঘোষপাড়ায়/গয়লাপাড়ায়)।

উত্তর – জেলেপাড়ায়।

অপুর বাঁকা কঞ্চি ভেঙেছিল (সতু/রাণু/দুর্গা)।

উত্তর – দুর্গা।

অপু কড়ি খেলতে গিয়েছিল (কলু/মাঝি/জেলে) পাড়ায়।

উত্তর – জেলে।

প্রথমে অপু গিয়েছিল (দুইকড়ির/তিনকড়ির/চারকড়ির) বাড়ি।

উত্তর – তিনকড়ির।

তিনকড়ির ছেলের নাম (বঙ্কা/ঝঙ্কা/কঙ্কা)।

উত্তর – বঙ্কা।

অপু দিদিকে অনুরোধ করেছিল, মাকে যেন (কঞ্চির কথা/মার খাওয়ার কথা/বোকামির কথা) না বলে দেয়।

উত্তর – কঞ্চির কথা।

দুর্গার বড়ো (রাগ/মমতা/কষ্ট) হয় অপুর জন্য।

উত্তর – মমতা।

অপু সারাদিন জনহীন (ঘরে/মাঠে/বনপথে) একা একা সময় কাটিয়ে দিতে পারে।

উত্তর – বনপথে।

(কাক/কোকিল/শকুন) -এর ডিমের মধ্যে পারদ পুরে মানুষ ইচ্ছা করিলে শূন্যমার্গে বিচরণ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়।

উত্তর – শকুন।

(টেবিল/আলনা/আয়না) -এর পিছনে পারা মাখানো থাকে।

উত্তর – আয়না।

দুর্গা রোজ একটি (বিড়াল/কুকুর/ইঁদুর) -কে ডেকে ভাত খাওয়ায়।

উত্তর – কুকুর।

অপুকে শকুনের ডিম এনে দিয়েছিল জেলেপাড়ার (রাখাল/পটু/সতু)।

উত্তর – রাখাল।

শকুনের ডিমের দাম ছিল (দুই আনা/এক আনা/আট আনা)।

উত্তর – দুই আনা।

পারদ মানে (পায়রা/পেয়ারা/পারা) – সে-কথা অপু জানে।

উত্তর – পারা।

দুর্গা চিৎকার করে (ভুলো/মুলো/তুলো)-কে ডেকেছিল।

উত্তর – ভুলো।

রাখাল যে ডিম এনেছিল তার রং ছিল (নীল/লাল/কালো)।

উত্তর – কালো।

একদিন অপু (সকাল/দুপুর/সন্ধ্যা) বেলায় বইয়ের বাক্সটা খুলেছিল।

উত্তর – দুপুর।

অপু নিজের (চোখকে/কানকে/মাথাকে) বিশ্বাস করতে পারলআগ না।

উত্তর – চোখকে।

নরোত্তম বাবাজি (টিনের/মাটির/খড়ের) ঘরে বাস করেন।

উত্তর – খড়ের।

‘প্রেমভক্তি-চন্দ্রিকা’য় ছবি আছে মোটে (একটি/দুটি/তিনটি)।

উত্তর – দুটি।

অপু নরোত্তম দাসের উঠোন থেকে (ভুঁই চাঁপা/মুচকুন্দ চাঁপা/গুলঞ্চলতা) কুড়িয়ে আনে।

উত্তর – মুচকুন্দ চাঁপা।

অপুর বড়ো ভাব (শিবদাস/হরিদাস/নরোত্তম দাস) বাবাজির সঙ্গে।

উত্তর – নরোত্তম দাস।

নরোত্তম দাস বাবাজির বাস (গাঙ্গুলি/বোস/চক্রবর্তী) পাড়ায়।

উত্তর – গাঙ্গুলি।

বাবাজি অপুকে (শালপাতা/হোগলাপাতা/তালপাতা) -র চাটাইয়ে বসতে দেয়।

উত্তর – তালপাতার।

হরিহরের তুলনায় নরোত্তম বাবাজি (ছোটো/সামান্য বড়ো/অনেক বড়ো)।

উত্তর – অনেক বড়ো।

অপু বাবাজির উঠোনের গাছতলা থেকে (জবা/গাঁদা/চাঁপা) ফুল কুড়িয়ে নেয়।

উত্তর – চাঁপা।

দুর্গা নারিকেলের মালায় (চাল/নুন/তেল) বের করে এনে রাখল।

উত্তর – তেল।

দুর্গাদের সাথে চড়ুইভাতি করেছিল (সতু/রাণু/বিনি)।

উত্তর – বিনি।

ছোটো হাঁড়িতে দুর্গা (ভাত/মেটে আলু/বেগুনভাজা) রান্না করছিল।

উত্তর – ভাত।

বিনি এনেছিল (বেল গাছের/বট গাছের/অশ্বত্থ গাছের) শুকনো ডাল।

উত্তর – বেল গাছের।

দুর্গা খোলাতে (আলু/পটল/বেগুন) ভাজে।

উত্তর – বেগুন।

বিনি মেটে আলুর ফল মাখতে (নুন/লঙ্কা/তেল) চায়।

উত্তর – তেল।

যে ছোটো মেয়েটির সঙ্গে দুর্গার আলাপ হয়েছিল তার নাম ছিল (রাণু/টেপি/টুনি)।

উত্তর – টুনি।

টুনির মা উত্তেজিত হয়ে (সোনার কানের দুল/সোনার নাকছাবি/সোনার সিঁদুরকৌটো) খুঁজছিলেন।

উত্তর – সোনার সিঁদুরকৌটো।

সেজোঠাকুরণের ছোটো মেয়ের নাম (টুনি/রানু/টেপি)।

উত্তর – টেপি।

দুর্গাকে চোর বলে সন্দেহ করেছিল (টুনির মা/সেজো ঠাকরুণ/রাণুর মা)।

উত্তর – সেজোঠাকুরণ।

সন্ন্যাসনাচন চলে (নয়-দশ/দশ-এগারো/দশ-বারো) দিন ধরে।

উত্তর – দশ-বারো।

চড়কের পূর্বরাত্রে হয় (ছটপুজো/কার্তিকপুজো/নীলপুজো)।

উত্তর – নীলপুজো।

সন্ন্যাসীরা (আম/জাম/খেজুর) গাছে কাঁটা ভাঙে।

উত্তর – খেজুর।

নীলপুজোর মণ্ডপ ঘেরা হয়েছে (কাঁঠাল/গাব/খেজুর) গাছের ডাল দিয়ে।

উত্তর – খেজুর।

যাত্রাদলের সাজের বাক্সবোঝাই গাড়ি এসেছিল মোট (এক/চার/পাঁচটি)।

উত্তর – পাঁচটি।

অপু এক পয়সার (লিচু/পান/মুড়ি) কিনে খেতে চায়।

উত্তর – পান।

অপু (সতু/অজয়/রাণু) -কে পান খাওয়ায়।

উত্তর – অজয়কে।

অজয় (ব্রাহ্মণের/জেলের/মুচির) ছেলে।

উত্তর – ব্রাহ্মণের।

সর্বজয়া অজয়কে বিকেলবেলা (চালভাজা/মুড়িভাজা/চিঁড়েভাজা) খেয়ে যেতে বলে।

উত্তর – মুড়িভাজা।

অজয় (তিরিশ/চল্লিশ/ষাট) টাকা জমিয়েছে।

উত্তর – চল্লিশ।

আশুতোষ পালের দলে (তিন/চার/পাঁচ) পয়সা খোরাকি দেয়।

উত্তর – তিন।

তালতলায় বেলকাটা পুঁতে রেখেছিল (সতু/রাণু/টুনু)।

উত্তর – সতু।

বুড়ো বাঙাল মুসলমান (কাঠের/টিনের/মাটির) বাক্স নিয়ে খেলা দেখাতে আসে।

উত্তর – টিনের বাক্স।

অপু মায়ের পানের বাটা থেকে (পান/চুন/খয়ের) নেয়।

উত্তর – খয়ের নেয়।

‘চরিতমালা’ লিখেছেন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর/স্বামী বিবেকানন্দ/ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর)।

উত্তর – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

অপু (পাটিগণিত/বীজগণিত/ত্রিকোণমিতি) পড়তে চায়।

উত্তর – বীজগণিত।

হরিহর মোটে (চার/পাঁচ/ছয়) টাকা পাঠিয়েছিল।

উত্তর – পাঁচ।

অপুর মা ও দিদি (কচুশাক/মুলোশাক/লাউশাক) তুলে এনেছিল।

উত্তর – কচুশাক।

সর্বজয়া নাপিত-বউকে কাঁসার রেকাবি বিক্রয় করেছিল (একটি/দুইটি/তিনটি) আধুলির বিনিময়ে।

উত্তর – একটি।

সর্বজয়া কইমাছ পেয়েছিল (জামতলা/বটতলা/বাঁশতলা) থেকে।

উত্তর – বাঁশতলা।

দুর্গা একপয়সার (মুড়ি/লিচু/বিস্কুট) খেতে চেয়েছিল।

উত্তর – বিস্কুট।

অপুদের ঘর ছিল গ্রামের একধারে (তালবন/বাঁশবন/খেজুরবন) -এর মধ্যে।

উত্তর – বাঁশবন।

আতঙ্কে (অপু/দুর্গা/সর্বজয়া) দোর বন্ধ করে দিয়েছিল।

উত্তর – সর্বজয়া।

জলের ছাঁটে (ঘর/উঠোন/রাস্তা) ভেসে যাচ্ছিল।

উত্তর – ঘর।

ভোরবেলায় নীলমণি মুখুজ্যের (দিদি/মেয়ে/স্ত্রী) গোয়ালের গোরুর অবস্থা দেখতে আসছিলেন।

উত্তর – স্ত্রী।

সর্বজয়া সকালবেলা (ঠাকুরপো/মেজোঠাকুর/বটঠাকুর)-কে ডাকতে এসেছিল।

উত্তর – বটঠাকুর।

দুর্গার (কলেরা/টাইফয়েড/ম্যালেরিয়া) হয়েছিল।

উত্তর – ম্যালেরিয়া।

নীলমণি মুখুজ্যের বড়ো ছেলে (রনি/ফণী/মণি)।

উত্তর – ফণী।

দুর্গার বিছানার পাশে (সর্বজয়া/টুনি/অপু) বসেছিল।

উত্তর – অপু।

দুর্গাকে দেখে (শরৎ/কালী/জগৎ) ডাক্তার ওষুধের ব্যবস্থা করেছিলেন।

উত্তর – শরৎ।

দুর্গার জ্বর ছেড়েছিল (দুপুরে/বিকেলে/রাতে)।

উত্তর – বিকেলে।

হরিসভায় (তিন/চার/পাঁচ) দিনের বেশি থাকবার নিয়ম নেই।

উত্তর – তিন।

গোলার অধিকারী হরিহরকে (এক/দুই/তিন) টাকা প্রণামি দিয়েছিল।

উত্তর – এক।

হরিহর (পাঁচ/ছয়/দশ) দিনের সম্বল রেখে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল।

উত্তর – দশ।

হরিহর প্রায় (এক/দুই/চার) মাস বাড়িতে কোনো পয়সা পাঠাতে পারেনি।

উত্তর – দুই।

‘সচিত্র চণ্ডীমাহাত্ম্য বা কালকেতুর উপাখ্যান’ হরিহর (অপু/দুর্গা/সর্বজয়া/পিসিমা) -র জন্য কিনল।

উত্তর – অপুর।

গাঙ্গুলি বাড়িতে (দুর্গাপুজো/কালীপুজো/লক্ষ্মীপুজো) হয়ে থাকে।

উত্তর – দুর্গাপুজো।

অপু পড়াশোনা করে (পণ্ডিতমশাই/বাবা/মা) -র কাছে।

উত্তর – বাবা।

সুরেশ পড়ে (পঞ্চম/ষষ্ঠ/সপ্তম) শ্রেণিতে।

উত্তর – পঞ্চম।

অপুকে বই দিতে রাজি ছিল না (সতু/রানি/সুনীল)।

উত্তর – সতু।

খবরের কাগজ আনার জন্য হরিহর পাঠিয়েছিল (এক/দুই/তিন) টাকা।

উত্তর – দুই।

অপু খাতায় (গল্প/কবিতা/রচনা) লিখত।

উত্তর – গল্প।

অপুকে গল্প লিখে দিতে বলেছিল (অতসী/রানি/সতু)।

উত্তর – রানি।

অপুকে গান শোনাতে অনুরোধ করে (রানি/পটু/সুনীল)।

উত্তর – পটু।

অপুর গান শেষ হলে (পটু/সতু/রানি) গান ধরে।

উত্তর – পটু।

অপু (3-4/4-5/5-6) দিন পরে রানিকে খাতাটা ফেরত দিয়েছিল।

উত্তর – 4-5।

(পাখি/ব্যাঙ/মাছ) ধরার শখ ছিল অপুর।

উত্তর – মাছ।

অপুর দুইটি চোখ জলে ভরে যায় স্যার (লুই/ফিলিপ/জন) সিডনির গল্প পড়ে।

উত্তর – ফিলিপ।

সুরেশের ইংরেজি ম্যাপে (কাস্পিয়ান/কৃষ্ণ/ভূমধ্য) সাগরের ছবি অপু দেখেছে।

উত্তর – ভূমধ্য।

অপুকে গান গাইতে অনুরোধ করেছিল (রানি/পটু/সতু)।

উত্তর – পটু।

সেদিন (কালবৈশাখী/আশ্বিনের/ঘূর্ণি) ঝড় হয়েছিল।

উত্তর – কালবৈশাখী।

হরিহর রামকবচ দিয়েছিলেন বেহারি ঘোষের (স্ত্রী/মা/শাশুড়ি)-কে।

উত্তর – শাশুড়িকে।

রামকবচ লিখে দিয়ে হরিহর (দুটি/তিনটি/চারটি) টাকা পেয়েছিলেন।

উত্তর – তিনটি।

হরিহর ছেলের জন্য (ভারতবাসী/বঙ্গবাসী/বঙ্গদর্শন) পত্রিকাটি এনেছিলেন।

উত্তর – বঙ্গবাসী।

অপুর বাবা (কাশ্মীর/কাশী/কচ্ছ) যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন।

উত্তর – কাশী।

অল্প বয়সে (হরিহর/সর্বজয়া/রাণু) অনেকদিন কাশীতে ছিল।

উত্তর – হরিহর।

হরিহর নিশ্চিন্দিপুর থেকে বাস উঠাবার ব্যবস্থা করল (বৈশাখ/জ্যৈষ্ঠ/আষাঢ়) মাসের প্রথমে।

উত্তর – বৈশাখ।

স্ত্রীর ব্রত উপলক্ষ্যে অপুদের নিমন্ত্রণ করতে এসেছিলেন (জয়কৃষ্ণ/কালীকৃষ্ণ/রাজকৃষ্ণ) ভট্টাচার্য।

উত্তর – রাজকৃষ্ণ।

অপুদের চলে যাওয়ার কথায় (রানি/পুঁটি/বিনি) -র চোখ অশ্রুপূর্ণ হয়ে উঠেছিল?

উত্তর – রানি।

স্নানের ঘাটে অপুর মুখে সব কথা শুনে (পুঁটি/পটু/সতু) -র মন দমে গিয়েছিল।

উত্তর – পটু।

চড়কের দিন গ্রামের (আতুরি/খেতুরি/ইন্দির) বুড়ি মারা গেল।

উত্তর – আতুরি।

আতুরি বুড়ির (একচালা/দোচালা/আটচালা) ঘর ছিল।

উত্তর – দোচালা।

একবার অপু আতুরি বুড়ির ভয়ে (আমবন/তালবন/বাঁশবন) ভেঙে দৌড়েছিল।

উত্তর – বাঁশবন।

পাঁচু (মাঝি/জেলে/তাঁতি) -র ছেলে।

উত্তর – মাঝি।

দুর্গা ভাইকে (যুদ্ধ/মা-কালী/সীতাহরণ) -এর পট কিনতে বলেছিল।

উত্তর – সীতাহরণ।

অপুদের তক্তাপোশটি ছিল (কাঁঠাল/সেগুন/শাল) কাঠের।

উত্তর – কাঁঠাল।

স্টেশনে গাড়ি এসে পৌঁছোল রাত্রি (দশটা/বারোটা/একটার) সময়।

উত্তর – দশটা।

রাতের শেষ ট্রেন চলে গেছে রাত (সাড়ে সাতটায়/সাড়ে আটটায়/নয়টায়)।

উত্তর – সাড়ে আটটায়।

স্টেশনের ধারে অপুর মা (ভাত/ডাল/খিচুড়ি) রান্নার আয়োজন করছিল।

উত্তর – খিচুড়ি।

সকাল (সাড়ে পাঁচ/সাড়ে ছয়/সাড়ে সাত)-টায় ট্রেন আসল।

উত্তর – সাড়ে সাত।


এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে কিছু সঠিক উত্তর নির্বাচন (MCQ) গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নগুলি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ছাত্রছাত্রীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!

Please Share This Article

Related Posts

ব্যাকরণ বিভাগ - সাধু ও চলিত রীতি - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সাধু ও চলিত রীতি

ব্যাকরণ বিভাগ - সমাস - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সমাস

অষ্টম শ্রেণি বাংলা - ব্যাকরণ বিভাগ - ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়ার ভাব

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়ার ভাব

About The Author

Souvick

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ছোটোদের পথের পাঁচালী – সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সাধু ও চলিত রীতি

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সমাস

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়ার ভাব

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া ও অব্যয়