অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – ওশিয়ানিয়ার প্রাকৃতিক পরিবেশ – ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর

Souvick

আমরা আমাদের আর্টিকেলে অষ্টম শ্রেণির ভূগোলের একাদশ অধ্যায় ‘ওশিয়ানিয়া’-এর উপবিভাগ ‘ওশিয়ানিয়ার প্রাকৃতিক পরিবেশ’ থেকে কিছু ‘সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করবো। এই প্রশ্নগুলো অষ্টম শ্রেণির ভূগোল পরীক্ষার জন্য ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Contents Show

অষ্টম শ্রেণির ভূগোল: ওশিয়ানিয়ার প্রাকৃতিক পরিবেশ (একাদশ অধ্যায়) – প্রশ্ন ও উত্তর

ওশিয়ানিয়া মহাদেশের প্রধান হ্রদগুলির নাম লেখো।

ওশিয়ানিয়া মহাদেশে অনেক বড়ো বড়ো হ্রদ আছে। সেগুলি হলো –

  • অস্ট্রেলিয়া – অস্ট্রেলিয়ায় আয়ার, গার্ডনার, অস্টিন, টরেন্স, মুর, ইরি, ক্রোম, উডস, ডিসাপয়েন্টমেন্ট, ম্যাকডোনাল্ড প্রভৃতি লবণাক্ত হ্রদ আছে। অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম লবণাক্ত জলের হ্রদ হলো আয়ার (9,324 বর্গ কিমি)। এই হ্রদ সমুদ্রসমতল থেকে 16 মিটার নিচে অবস্থিত। হ্রদটির গভীরতা দেড় মিটারেরও কম, সেজন্য আয়ার হ্রদে সারা বছর জল থাকে না। উল্লেখ্য, সেন্ট ক্লেয়ার হলো অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ।
  • নিউজিল্যান্ড – নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপের বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ হলো তাউপো (606 বর্গ কিমি) এবং দক্ষিণ দ্বীপের হ্রদগুলির মধ্যে টে আনাউ, ওকাতিপু, ওহাউ উল্লেখযোগ্য।
  • তাসমানিয়া – তাসমানিয়ার মধ্যভাগের মালভূমিতে অবস্থিত ‘গ্রেট লেক’ বা গ্রেট হ্রদ (150 বর্গ কিমি) হলো এই দ্বীপের বৃহত্তম হ্রদ।
আয়ার হৃদ

ওশিয়ানিয়া মহাদেশ আবিষ্কারের ইতিহাস লেখো।

অথবা, ওশিয়ানিয়া অভিযান সম্পর্কে যা জান লেখো।

অ্যাবরিজিনাল, মাওরি প্রভৃতি আদিবাসীরা ওশিয়ানিয়ার দ্বীপগুলিতে (অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড) বসবাস করতো। ইউরোপীয়দের অভিযানের পূর্বে এই দ্বীপগুলি বিশ্বের মানুষের কাছে অজ্ঞাত ছিল। এরপর একের পর এক অভিযানের ফলে ওশিয়ানিয়ার দ্বীপগুলি সকলের কাছে পরিচিত হতে থাকে। যেমন –

  • ষোড়শ শতাব্দীতে পর্তুগিজ নাবিক ফার্দিনান্দ ম্যাগেলান তাঁর বিখ্যাত পৃথিবী পরিভ্রমণের সময় মারিয়ানা-সহ কয়েকটি দ্বীপের সন্ধান পান।
  • ডাচ নাবিক অ্যাবেল তাসমান 1644 সালে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, টোঙ্গা ও ফিজি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছান।
  • 1770 সালে জেমস কুক অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল ও প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন দ্বীপে পা রাখেন।
  • ব্রিটিশ রয়্যাল নৌবাহিনীর বিদ্রোহীরা 1789 সালে পিটকেয়ার্ন দ্বীপে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে।
  • এরপর অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ফিজি ও অন্যান্য দ্বীপে ব্রিটিশ ও ফরাসিরা নিজেদের উপনিবেশ স্থাপন করে।
  • ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে অস্ট্রেলিয়ায় সোনার খনি আবিষ্কার এবং অন্যান্য সম্পদের টানে ইউরোপ থেকে দলে দলে মানুষ এসে এখানে ভিড় করতে থাকে।
ফার্দিনান্দ ম্যাগেলান

মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া ও পলিনেশিয়ার ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য লেখো।

ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য –

  • হাজার হাজার দ্বীপ নিয়ে মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া ও পলিনেশিয়া – এই তিনটি অঞ্চল গঠিত।
  • এখানকার বেশিরভাগ দ্বীপ সমুদ্রের তলদেশে আগ্নেয় পদার্থ জমা হয়ে গঠিত হয়েছে। তাই এগুলোকে আগ্নেয় দ্বীপ বলা হয়। যেমন – হাওয়াই, ফিজি, সলোমন প্রভৃতি।
  • হাওয়াই দ্বীপের মৌনালোয়া পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম জীবন্ত আগ্নেয়গিরি। এছাড়া কিলাউইয়া আগ্নেয়গিরি উল্লেখযোগ্য।
  • মেলানেশিয়ার পাপুয়া নিউগিনি দ্বীপের মাউন্ট উইলহেলম (4,509 মিটার) ওশিয়ানিয়া মহাদেশের অন্যতম প্রধান শৃঙ্গ।
  • এই অঞ্চলে সমুদ্রের মৃত প্রবাল কীট জমে কিছু প্রবাল দ্বীপ গড়ে উঠেছে। যেমন – সামোয়া, গিলবার্ট প্রভৃতি।

ওশিয়ানিয়ার খনিজ সম্পদের ও শিল্প সম্ভারের বিবরণ দাও।

খনিজ সম্পদ – ওশিয়ানিয়া নানা খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। এখানকার দ্বীপগুলির মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় সবচেয়ে বেশি খনিজ সম্পদ পাওয়া যায়। অস্ট্রেলিয়ায় সোনা, বক্সাইট, রুপা, সিসা, দস্তা, ইউরেনিয়াম, নিকেল, ম্যাঙ্গানিজ, কোবাল্ট, টাংস্টেন, অ্যান্টিমনি, আকরিক লোহা, কয়লা প্রভৃতি পাওয়া যায়। অস্ট্রেলিয়া বক্সাইট উৎপাদনে প্রথম, সিসা ও আকরিক লোহা উৎপাদনে দ্বিতীয়, টিন উৎপাদনে ষষ্ঠ এবং কয়লা উৎপাদনে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে। নিউজিল্যান্ডেও প্রচুর কয়লা পাওয়া যায়।

শিল্প সম্ভার – ওশিয়ানিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডেই কেবল শিল্পের বিকাশ ঘটেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রকার শিল্পগুলি হলো – লৌহ-ইস্পাত, ইঞ্জিনিয়ারিং, বৈদ্যুতিক, রেলইঞ্জিন, বিমান ও জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতি, মোটরগাড়ি তৈরি, পশম ও কার্পাস-বয়ন শিল্প, মাংস প্রক্রিয়াকরণ, চট শিল্প, ময়দা শিল্প, রাসায়নিক পদার্থ, পেট্রো-রাসায়নিক শিল্প, খনিজ তৈল শোধনাগার, চিনিকল, কাগজ, কৃষি ও খনি যন্ত্রপাতি নির্মাণ শিল্প প্রভৃতি। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডে মাংস সংরক্ষণ, ডেয়ারি, চর্ম, বস্ত্রবয়ন ও পশম প্রভৃতি শিল্পের বিকাশ ঘটেছে।

নিউজিল্যান্ডের জলবায়ু কী প্রকৃতির?

নিউজিল্যান্ড সমুদ্রমধ্যস্থ একটি দ্বীপময় দেশ হওয়ায় এখানে সামুদ্রিক প্রভাবযুক্ত সমভাবাপন্ন নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু বিরাজ করে। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত 200 সেমি, তবে পূর্ব উপকূলে বার্ষিক 100 সেমির কম বৃষ্টি হয়। নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু এবং দক্ষিণ দ্বীপে শীতল জলবায়ু (শীতকালে তুষারপাত হয়) লক্ষ করা যায়। এখানে সারা বছর উষ্ণ ও আর্দ্র পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় সারা বছর বৃষ্টিপাত হয়। দক্ষিণে আল্পস পর্বতের প্রতিবাদ ঢালে (পশ্চিম দিকে) অপেক্ষাকৃত বেশি শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত হয়। পর্বতের অভ্যন্তরভাগের মালভূমি এবং পূর্বের সমভূমি অঞ্চলে অপেক্ষাকৃত কম বৃষ্টিপাত হয়। উষ্ণ পূর্ব অস্ট্রেলীয় স্রোত বা নিউ সাউথ ওয়েলস স্রোতের প্রভাবে নিউজিল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলের জলবায়ু উষ্ণতর থাকে।

অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ুর নিয়ন্ত্রকগুলি কী কী?

অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ুর নিয়ন্ত্রকগুলি হলো –

  • ভৌগোলিক অবস্থান – অস্ট্রেলিয়া প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় সামুদ্রিক জলবায়ুর প্রভাব লক্ষ করা যায়। তবে মকরক্রান্তি রেখা অস্ট্রেলিয়ার মধ্যভাগ দিয়ে প্রসারিত হওয়ায় এই দেশের উত্তরাংশে ক্রান্তীয় গ্রীষ্মপ্রধান জলবায়ু এবং দক্ষিণাংশে সমভাবাপন্ন নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু পরিলক্ষিত হয়।
  • পর্বতশ্রেণির অবস্থান – অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে ‘গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জ’-এর উচ্চতার জন্য উষ্ণতা অপেক্ষাকৃত কম থাকে। আবার, এই পর্বতশ্রেণি প্রশান্ত মহাসাগরের আর্দ্র বায়ুকে মহাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশে বাধা দেয়।
  • বায়ুপ্রবাহ – পশ্চিমা বায়ুর কল্যাণে সারা বছর বৃষ্টিপাত হলেও শীতকালে অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টিপাত হয়।
  • সমুদ্রস্রোত – অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল দিয়ে উষ্ণ পূর্ব অস্ট্রেলীয় স্রোত বা নিউ সাউথ ওয়েলস স্রোত এবং পশ্চিম উপকূল দিয়ে শীতল পশ্চিম অস্ট্রেলীয় স্রোত প্রবাহিত হয়।
  • সমুদ্র থেকে দূরত্ব – অস্ট্রেলিয়ার মধ্যভাগের সমভূমির উত্তরাংশ সমুদ্র থেকে বহু দূরে অবস্থান করায় সেখানে চরম প্রকৃতির মহাদেশীয় জলবায়ু দেখা যায়।
  • মৃত্তিকা – অস্ট্রেলিয়ার পূর্বদিকের পার্বত্যভূমি ও পশ্চিমের মালভূমির কঠিন মৃত্তিকা অঞ্চলে উষ্ণ জলবায়ু, অন্যদিকে মধ্যভাগের সমভূমি ও উপকূলবর্তী সমভূমির পলিসমৃদ্ধ অঞ্চলে সমভাবাপন্ন জলবায়ু দেখা যায়।

ওশিয়ানিয়া মহাদেশকে ‘ভিন্ন প্রকৃতির মহাদেশ’ বলা হয় কেন?

পৃথিবীর অন্যান্য মহাদেশ অপেক্ষা ওশিয়ানিয়ার গঠন, প্রকৃতি ও অবস্থান ভিন্ন ধরনের, যেমন –

  1. ওশিয়ানিয়া সম্পূর্ণভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
  2. দশ হাজারেরও বেশি দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ওশিয়ানিয়া মহাদেশ গঠিত। পৃথিবীর অন্য কোনো মহাদেশে এত বেশি সংখ্যক দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ নেই।
  3. অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূল বরাবর উত্তর থেকে দক্ষিণে ‘গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ’ নামক এক বৃহৎ প্রবাল প্রাচীর দেখা যায় – এইরকম বিশালাকৃতির প্রবাল প্রাচীর পৃথিবীর অন্য কোনো মহাদেশে দেখা যায় না।
  4. ওশিয়ানিয়ার মতো এত বিভিন্ন প্রকার বিচিত্র পশু-পাখি (ক্যাঙারু, কোয়ালা, প্লাটিপাস, এমু, কিউই প্রভৃতি) পৃথিবীর অন্য কোনো মহাদেশে নেই। এইসব কারণে ওশিয়ানিয়াকে ‘ভিন্ন প্রকৃতির মহাদেশ’ বলা হয়।

অস্ট্রেলিয়াকে ‘দ্বীপময় মহাদেশ’ বলা হয় কেন?

ওশিয়ানিয়া মহাদেশের অন্তর্গত অস্ট্রেলিয়া একটি বিশাল দ্বীপ। প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগর দ্বারা আবদ্ধ ওশিয়ানিয়া পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধের এক সুদূর প্রান্তে অবস্থিত। এই মহাদেশ পৃথিবীর মহাদেশগুলির মধ্যে সর্বাপেক্ষা ক্ষুদ্র, দ্বীপময় ও বিরল বসতির মহাদেশ। ওশিয়ানিয়ার মোট ক্ষেত্রমানের (96,08,112 বর্গকিমি) মধ্যে অস্ট্রেলিয়া প্রায় 76.87 লক্ষ বর্গকিমি জায়গা অধিকার করে আছে। ওশিয়ানিয়ার প্রায় দশ সহস্রাধিক দ্বীপের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া একক বৃহত্তম দেশ। সর্বোপরি একটি মহাদেশের সবরকমের বৈশিষ্ট্য ও বৈচিত্র্য (ভূপ্রকৃতি, নদ-নদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ, জীব-জন্তু, বনজ ও খনিজ সম্পদ প্রভৃতি) থাকায় অস্ট্রেলিয়াকে ‘দ্বীপময় মহাদেশ’ বলা হয়।

মৌনালোয়া ও মাউন্ট এভারেস্টের মধ্যে উচ্চতার পার্থক্য কী?

অথবা, মৌনালোয়ার মোট উচ্চতা 9,170 মিটার হলেও এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ নয় কেন?

হাওয়াই দ্বীপের জীবন্ত আগ্নেয়গিরি মৌনালোয়ার মোট উচ্চতা পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের থেকেও বেশি। মৌনালোয়ার মোট উচ্চতা সমুদ্রতলদেশ থেকে প্রায় 9,170 মিটার, আর মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে 8,884 মিটার। সুতরাং, মোট উচ্চতার বিচারে মৌনালোয়ার উচ্চতা বেশি। কিন্তু পৃথিবীতে উচ্চতা মাপা হয় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে। মৌনালোয়ার উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে 4,170 মিটার এবং অবশিষ্ট 5,000 মিটার রয়েছে সমুদ্রপৃষ্ঠের নীচে। এই কারণে এভারেস্টকেই পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ বলা হয়, মৌনালোয়াকে নয়।

নিউজিল্যান্ডকে ‘দক্ষিণ গোলার্ধের ব্রিটেন’ বলা হয় কেন?

নিউজিল্যান্ডকে ‘দক্ষিণ গোলার্ধের ব্রিটেন’ বলা হয়, কারণ নিউজিল্যান্ড ও ব্রিটিশ যুক্তরাজ্যের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য বা মিল আছে, যেমন –

  • ব্রিটিশ যুক্তরাজ্যের ঠিক বিপরীত অর্থাৎ প্রতিপাদ স্থানে নিউজিল্যান্ড অবস্থিত।
  • উভয় দেশই সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত।
  • দেশ দুটি একাধিক দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত।
  • উভয় দেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন, শীতল নাতিশীতোষ্ণ ও অত্যন্ত মনোরম।
  • নিউজিল্যান্ডেও ব্রিটিশ জাতির প্রাধান্য আছে।
  • উভয় দেশের অধিবাসীদের খাদ্যাভ্যাস, পোশাক-পরিচ্ছদ, আভিজাত্য ও সংস্কৃতির মধ্যে অনেক মিল আছে।

আমরা আমাদের আর্টিকেলে অষ্টম শ্রেণির ভূগোলের একাদশ অধ্যায় ‘ওশিয়ানিয়া’-এর উপবিভাগ ‘ওশিয়ানিয়ার প্রাকৃতিক পরিবেশ‘ থেকে কিছু ‘সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নগুলো অষ্টম শ্রেণির ভূগোল পরীক্ষার জন্য বা চাকরির পরীক্ষার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই প্রশ্নগুলি অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষা বা চাকরির পরীক্ষায় প্রায় দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে।

আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা হলে, আপনারা আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। তাছাড়া নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

ওশিয়ানিয়া - মারে-ডার্লিং অববাহিকা - অষ্টম শ্রেণি ভূগোল - টীকা

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – টীকা

ওশিয়ানিয়া - মারে-ডার্লিং অববাহিকা - অষ্টম শ্রেণি ভূগোল - রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

ওশিয়ানিয়া - মারে-ডার্লিং অববাহিকা - অষ্টম শ্রেণি ভূগোল - সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

About The Author

Souvick

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – টীকা

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – ওশিয়ানিয়ার প্রাকৃতিক পরিবেশ – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর