আমরা আমাদের আর্টিকেলে অষ্টম শ্রেণির ভূগোলের নবম অধ্যায় ‘উত্তর আমেরিকা’-এর উপবিভাগ ‘উত্তর আমেরিকার হ্রদ অঞ্চল’ থেকে কিছু ‘সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করবো। এই প্রশ্নগুলো অষ্টম শ্রেণির স্কুল পরীক্ষার জন্য ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার (Competitive Exams) জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অষ্টম শ্রেণির ভূগোল (নবম অধ্যায়): উত্তর আমেরিকার হ্রদ অঞ্চল – সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর
‘পঞ্চহ্রদ অঞ্চল’-এর উৎপত্তি কীভাবে হয়েছে?
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চহ্রদ অঞ্চল এক অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বা নৈসর্গিক শোভায় উদ্ভাসিত। হ্রদ অঞ্চল প্রকৃতপক্ষে একটি নিম্নভূমি বা অবনমিত অঞ্চল। ভূবিজ্ঞানীদের অনুমান, তুষারযুগে (প্রায় 25 লক্ষ থেকে 11 হাজার বছর আগে) এই হ্রদ অঞ্চলসহ সমগ্র উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উত্তরাংশ তুষারাবৃত ছিল। পরবর্তীকালে শেষ হিমযুগে উষ্ণতা বাড়তে থাকে ও বরফ গলতে শুরু করে। সেই সময় চলমান মহাদেশীয় হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে অঞ্চলটির অবনমিত বা নীচু অংশে বরফগলা জল সঞ্চিত হয়ে বৃহৎ পঞ্চহ্রদসহ অনেক ছোটো ছোটো হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। প্রথম দিকে হ্রদগুলির অতিরিক্ত জল মিসিসিপি নদী দিয়ে দক্ষিণে মেক্সিকো উপসাগরে এবং মোহক নদী দিয়ে উত্তরে হাডসন উপসাগরে পতিত হত। পরবর্তীকালে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে সেন্ট লরেন্স নদীর মোহানা বরফমুক্ত হয় এবং হ্রদ অঞ্চলের অতিরিক্ত জল সেন্ট লরেন্স নদী দিয়ে পূর্বদিকে আটলান্টিক মহাসাগরে গিয়ে পড়ে। অপরদিকে, ভূবিজ্ঞানীদের অপর একটি মত হল – ভূ-আন্দোলনের প্রভাবে এই অঞ্চলটি অবনমিত হয় ও পরবর্তীকালে সেখানে জল জমে হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে।
ভারতে কোথায় কোথায় পশুপালন ও তা থেকে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের সহাবস্থান ঘটেছে-আলোচনা করো।
ভারতে পশুপালন কৃষির অপর একটি অঙ্গ। ভারতের প্রান্তিক চাষি ও কৃষি শ্রমিকদের জীবিকার অন্যতম উৎস হল পশুপালন। ভারতে প্রতিপালিত পশুগুলি হল – 1. গবাদিপশু (গোরু ও মহিষ), 2. মেষ ও 3. ছাগল। পশু প্রতিপালনে ভারত বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান (ব্রাজিল প্রথম) অধিকার করে, কিন্তু ভারত হিন্দুপ্রধান রাষ্ট্র হওয়ায় গোমাংস উৎপাদন ও রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতিলাভ করেনি। আবার, ভারতে গাভি প্রতি দুগ্ধ উৎপাদনও অনেক কম। তবুও ভারত দুগ্ধ সংক্রান্ত শিল্পে (দুধ, ঘি, মাখন, পনির, দুগ্ধজাত মিষ্টি প্রভৃতি) পৃথিবীতে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। ভারতে বৃহদাকার বাণিজ্যিক পশুচারণ ক্ষেত্রের সংখ্যা অনেক কম, তবে ভারতে প্রায় সকল রাজ্যেই গবাদিপশু প্রতিপালিত হয়। বর্তমানে ভারতে উন্নতমানের জার্সি প্রজাতির ডেনমার্কের গোরু ব্যাপকভাবে পালন করা হচ্ছে। ভারতের উল্লেখযোগ্য পশুপালক রাজ্যগুলি হল – গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ প্রভৃতি। উল্লেখ্য, ভারত দুগ্ধ উৎপাদনে পৃথিবীতে প্রথম (গুজরাটের খেড়া জেলার আমূল কোম্পানি), চামড়া উৎপাদনে পৃথিবীতে প্রথম এবং পশম উৎপাদনে পৃথিবীতে একাদশ স্থানে অবস্থান করছে।

হ্রদ অঞ্চলের নদনদী সম্পর্কে যা জানো লেখো।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হ্রদ অঞ্চলের সর্বপ্রধান নদী হল সেন্ট লরেন্স নদী। সেন্ট লরেন্স নদী সুপিরিয়র হ্রদের পশ্চিমদিকের উচ্চভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে সুপিরিয়র, হুরন, ইরি ও অন্টারিও হ্রদের মধ্য দিয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট লরেন্স উপসাগরে পড়েছে। সেন্ট লরেন্স নদীটি হ্রদ অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত; যেমন – সুপিরিয়র ও হুরন হ্রদের মাঝখানে সেন্ট মেরি নদী,
- হুরন ও ইরি হ্রদের মাঝখানে সেন্ট ক্লেয়ার নদী,
- ইরি ও অন্টারিও হ্রদের মাঝখানে নায়াগ্রা নদী অবস্থিত।
- এই নদীতেই পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ও সুদৃশ্যতম ‘নায়াগ্রা’ (‘জলরাশির বজ্রনাদ’) জলপ্রপাত আছে। জলপ্রপাতটি 51 মিটার উঁচু এবং 426 মিটার প্রশস্ত। এ ছাড়াও হ্রদ অঞ্চলের ওপর দিয়ে মিসিসিপি, ওহিও, ইলিনয় প্রভৃতি নদী প্রবাহিত হয়ে চলেছে।

হ্রদ অঞ্চল কৃষিকাজে উন্নত কেন?
হ্রদ অঞ্চল উত্তর আমেরিকার অন্যতম কৃষি উন্নত অঞ্চল। এর কারণগুলি হল –
- ভূমি – এখানকার বিস্তীর্ণ তরঙ্গায়িত সমতল ভূমি কৃষিকাজের পক্ষে উপযুক্ত।
- মৃত্তিকা – এই স্থানটি উর্বর কৃষিজ মৃত্তিকা দ্বারা গঠিত, যা কৃষিকার্যের পক্ষে অত্যন্ত অনুকূল।
- জলবায়ু – পরিমিত বৃষ্টিপাত ও উষ্ণতাযুক্ত নাতিশীতোষ্ণ-আর্দ্র জলবায়ু ফসল যেমন – গম, যব, ভুট্টা প্রভৃতির পক্ষে বিশেষ উপযোগী।
- মাটি – এখানকার উর্বর চার্নোজেম মাটি কৃষিকাজের পক্ষে আদর্শ।
- জলসেচ – হ্রদগুলি থেকে কৃষির প্রয়োজনীয় জল জলসেচের মাধ্যমে সহজেই পাওয়া যায়।
- শস্যাবর্তন – একই জমিতে বার বার একই ফসল চাষ না করে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ফসল চাষ করার ফলে একদিকে যেমন জমির উর্বরতা বজায় থাকে, তেমনি অপরদিকে উৎপাদনও বেশি হয়।
- আধুনিক কৃষিব্যবস্থা – যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক সারের মাধ্যমে আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষিকাজ করা হয়। এমনকি মিশ্র কৃষির (ফল চাষ + পশুপালন) ব্যাপক প্রচলন দেখা যায়।
- চাহিদা – জনবহুল অঞ্চল হওয়ায় হ্রদ অঞ্চলে কৃষিজ ফসলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তা ছাড়া পশুখাদ্য হিসেবে ভুট্টার চাহিদা ব্যাপক। এ ছাড়াও প্রচুর সুলভ শ্রমিক ও সরকারি সাহায্য ও সহযোগিতার ফলে এই অঞ্চলটি কৃষির দিক থেকে উন্নত হয়েছে।
শিকাগোকে ‘পৃথিবীর কসাইখানা’ বলা হয় কেন?
মাংস শিল্পের জন্য পৃথিবীবিখ্যাত শিকাগো শহরটিতে অসংখ্য কসাইখানা, মাংস সংরক্ষণ কেন্দ্র ও মাংস প্যাকিং কারখানা আছে। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মিচিগান হ্রদের দক্ষিণতীরে অবস্থিত শিকাগো যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম মহানগর ও বৃহত্তম প্রান্তিক রেলওয়ে জংশন, পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ও ব্যস্ততম বিমানবন্দর ও বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ বন্দর। এই বন্দরের মাধ্যমে সেন্ট লরেন্স নদী মারফত সমগ্র পৃথিবীতে মাংস রপ্তানি করা হয়। শিকাগোতে কসাইখানা গড়ে ওঠার কারণ হল – নিকটবর্তী প্রেইরি অঞ্চলে অসংখ্য পশুপালন করা হয়। পশুগুলিকে কসাইখানায় পাঠানোর আগে মাংস ও চর্বি বৃদ্ধির জন্য 2/3 মাস ভুট্টা খেতে (Ranching Ground) অবাধে বিচরণ করতে দেওয়া হয়। অতঃপর পশুগুলি হৃষ্টপুষ্ট হলে কসাইখানায় এনে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। তারপর ওইসব মাংস রাসায়নিক পদার্থের সাহায্যে পচন নিবারণ করে কৌটোজাতকরণ করা হয় এবং পেটি বোঝাই করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। শিকাগোতে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ পশু বধ করা হয়। এত বেশিসংখ্যক পশু হত্যা পৃথিবীর অন্য কোনো স্থানে হয় না। সেজন্য শিকাগোকে ‘পৃথিবীর কসাইখানা’ (Slaughter House of the World) বলা হয়।
হ্রদ অঞ্চল পশুপালনে উন্নত কেন?
হ্রদ অঞ্চল পশুপালনে অত্যন্ত উন্নত কারণ –
1. পশুচারণ ভূমি – হ্রদ অঞ্চলে বিস্তীর্ণ চারণভূমি থাকায় পশুগুলি সহজে বিচরণ করতে পারে।

2. পশুখাদ্যের সহজলভ্যতা – এখানে প্রচুর পরিমাণে ভুট্টা, ওট এবং বিভিন্ন ঘাস যেমন – হে, ক্লোভার জন্মায়, যার ফলে পশুখাদ্যের জোগান নিয়মিত থাকে।
3. জলবায়ু – শীতল নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুর কারণে পশুজাত দ্রব্য সংরক্ষণে বিশেষ সুবিধা হয়।
4. পশুজাত দ্রব্যের চাহিদা – বিভিন্ন পশুজাত দ্রব্য যেমন – মাখন, চিজ, পনির, মাংস, দুধ প্রভৃতির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
5. সংরক্ষণ – বিভিন্ন পশুজাত দ্রব্যের সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা রয়এ ছাড়া
6. পশুর প্রয়োজনীয় জল সরবরাহ, উন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা প্রভৃতি কারণে এখানে অনেক পোলট্রি ফার্ম গড়ে উঠেছে এবং হ্রদ অঞ্চল পশুপালনে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অঞ্চল।

শিকাগোকে ‘হাওয়ার শহর’ বলা হয় কেন?
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় প্রদেশের অন্তর্গত মিচিগান হ্রদের দক্ষিণ-পশ্চিম তীরে অবস্থিত শিকাগো পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ বন্দর ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম মহানগর। শিকাগোর ও’হেয়ার (O’Hare) পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ও ব্যস্ততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম প্রান্তিক রেলওয়ে জংশন। হ্রদের তীরে অবস্থিত হওয়ায় শিকাগোর ওপর দিয়ে সতেজ ও প্রবল বায়ু প্রবাহিত হয়, সেজন্যও আমেরিকানরা এই শহরকে ‘হাওয়ার শহর’ (Windy City) বলে। বৃহত্তর শিকাগোর জনসংখ্যা প্রায় 1 কোটি 9 লক্ষ। শিকাগোতে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কসাইখানা ও মাংস সংরক্ষণকেন্দ্র থাকায় শহরটিকে ‘পৃথিবীর কসাইখানা’ (Slaughter House of the World) বলা হয়। এ ছাড়াও শিকাগোতে লৌহ-ইস্পাত শিল্প, চর্ম শিল্প, বস্ত্রবয়ন শিল্প, রাসায়নিক, ইঞ্জিনিয়ারিং, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, পশুবধের সরঞ্জাম প্রভৃতি শিল্পের বিকাশ ঘটেছে।
হ্রদ অঞ্চল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের তথা উত্তর আমেরিকার শ্রেষ্ঠ শিল্পাঞ্চল কেন?
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হ্রদ অঞ্চলের প্রধান প্রাকৃতিক সম্পদ হল ভূগর্ভস্থ খনিজ পদার্থ। হ্রদ অঞ্চল খনিজ সম্পদে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এখানকার বিভিন্ন প্রকার খনিজ সম্পদগুলি হল –
- লৌহ আকরিক – হ্রদ অঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদ হল লৌহ আকরিক। সমগ্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় 80 শতাংশ আকরিক লোহা হ্রদ অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা হয়। উল্লেখযোগ্য আকরিক লোহার খনিগুলি হল – মেসাবি (যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম লৌহ আকরিক খনি), কুইনা, ভারমেলিয়ান, গোজেবিক, মারকোয়েট প্রভৃতি। এ ছাড়াও পঞ্চহ্রদের তলদেশ থেকে নিম্নমানের ‘বগ আয়রন’ বা ‘টাইটানিয়াম’ সংগ্রহ করা হয়।
- কয়লা – মিচিগান হ্রদের দক্ষিণ-পশ্চিমে ইলিনয় প্রদেশ থেকে পশ্চিমের কেন্টাকিসহ ইন্ডিয়ানা প্রদেশ পর্যন্ত এক বিস্তীর্ণ এলাকায় উৎকৃষ্ট মানের বিটুমিনাস কয়লা পাওয়া যায়। খনিগুলি হল – ইলিনয়, ইন্ডিয়ানা, পেনসিলভেনিয়া, ভার্জিনিয়া প্রভৃতি।
- খনিজ তেল – মিচিগান, ইন্ডিয়ানা, ইলিনয় ও অন্টারিও হ্রদ অঞ্চল থেকে খনিজ তেল উত্তোলন করা হয়।
- খনিজ লবণ – হ্রদ অঞ্চলের ওহিও, মিচিগান অঞ্চলে খনিজ লবণ পাওয়া যায়।
- তাম্র আকরিক – হ্রদ অঞ্চলের সুপিরিয়র হ্রদের তীরবর্তী কিউইনাও উপদ্বীপ এবং মিচিগান প্রদেশের মোরেনসি, মায়ামি, গ্লোব প্রভৃতি অঞ্চল থেকে প্রচুর পরিমাণে তাম্র আকরিক উত্তোলিত হয়।
- অন্যান্য খনিজ আকরিক – হ্রদ অঞ্চলের অন্যান্য খনিজ পদার্থগুলি হল- চুনাপাথর, ম্যাঙ্গানিজ, জিপসাম, সিসা, দস্তা, নিকেল, কোবাল্ট, অ্যাসবেস্টস প্রভৃতি।
এইসব খনিজ সম্পদকে ভিত্তি করে এখানে অসংখ্য ছোটো বড়ো শিল্প বিকাশলাভ করেছে। অসংখ্য মানুষ শিল্প কারখানায় জীবিকার সুযোগ পেয়েছে। যেমন- ক্লিভল্যান্ড, শিকাগো, ডুলুথ প্রভৃতি স্থানে লৌহ আকরিকের ওপর ভিত্তি করে লৌহ-ইস্পাত শিল্প গড়ে উঠেছে। ফলস্বরূপ, হ্রদ অঞ্চলে অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটেছে।
আমরা আমাদের আর্টিকেলে অষ্টম শ্রেণির ভূগোলের নবম অধ্যায় ‘উত্তর আমেরিকা’ এর উপবিভাগ ‘উত্তর আমেরিকার হ্রদ অঞ্চল’ থেকে কিছু ‘সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নগুলো অষ্টম শ্রেণির ভূগোল পরীক্ষার জন্য বা চাকরির পরীক্ষার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই প্রশ্নগুলি অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষা বা চাকরির পরীক্ষায় প্রায় দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে।
আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা হলে, আপনারা আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। তাছাড়া নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।





Leave a Comment