এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “জলের মধ্যে বায়ু বুদবুদ কী ধরনের লেন্সের মতো কাজ করে? একজন সাঁতারু জলের তলায় খালি চোখে বস্তুর প্রতিচ্ছবি ঘোলাটে দেখে। কিন্তু মুখোশ পরে খুবই পরিষ্কার দেখতে পায় কেন?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “জলের মধ্যে বায়ু বুদবুদ কী ধরনের লেন্সের মতো কাজ করে? একজন সাঁতারু জলের তলায় খালি চোখে বস্তুর প্রতিচ্ছবি ঘোলাটে দেখে। কিন্তু মুখোশ পরে খুবই পরিষ্কার দেখতে পায় কেন?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় “আলো“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

জলের মধ্যে বায়ু বুদবুদ কী ধরনের লেন্সের মতো কাজ করে?
বুদ্বুদগুলির আকার উত্তল লেন্সের মতো। কিন্তু তাদের পারিপার্শ্বিক মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক বায়ুর তুলনায় বেশি বলে, বুদ্বুদগুলি কার্যত অবতল লেন্সের মতো আচরণ করবে।
একজন সাঁতারু জলের তলায় খালি চোখে বস্তুর প্রতিচ্ছবি ঘোলাটে দেখে। কিন্তু মুখোশ পরে খুবই পরিষ্কার দেখতে পায় কেন?
বায়ুর তুলনায় জল মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্কের মান বড়ো হাওয়ায় জলের ভিতর চোখের লেন্সের ফোকাস দৈর্ঘ্যের বৃদ্ধি ঘটে। অর্থাৎ, ক্ষমতা কমে যায়। ফলে জলে নিমজ্জিত বস্তুসমূহের প্রতিবিম্ব চোখের রেটিনায় গঠিত হয় না এবং প্রতিবিম্ব ঘোলাটে দেখায়। এখন মুখোশ পরিহিত অবস্থায় সাঁতারুর চোখ বায়ুর সংস্পর্শে থাকে। ফলে ফোকাস দৈর্ঘ্যের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং প্রতিবিম্বগুলি খুবই পরিষ্কার দেখা সম্ভব হয়।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর
জলের ভিতরের বায়ু বুদবুদটি আসলে কী ধরনের লেন্সের মতো কাজ করে?
বায়ুর বুদবুদটি তার আকৃতিতে উত্তল লেন্সের মতো হলেও, এটি একটি অবতল লেন্সের (Diverging Lens) মতো আচরণ করে। এর কারণ হল, বুদবুদটি জলে রয়েছে, যার প্রতিসরাঙ্ক বায়ুর প্রতিসরাঙ্কের চেয়ে বেশি। এই পারিপার্শ্বিক মাধ্যমের কারণে আলোক রশ্মি বিচ্ছিন্ন হয়।
বুদবুদটি উত্তল আকৃতির হওয়া সত্ত্বেও তা অবতল লেন্সের মতো কাজ করে কেন?
কারণ বুদবুদটির ভেতরের মাধ্যম (বায়ু) এর চারপাশের মাধ্যম (জল) এর চেয়ে অপটিক্যালি ঘন (প্রতিসরাঙ্ক কম)। এই পার্থক্যের কারণেই এটি আলোকে ছড়িয়ে দেয়।
জলের নিচে খালি চোখে কিছু পরিষ্কার দেখা যায় না কেন?
জলের প্রতিসরাঙ্ক আমাদের চোখের কর্নিয়া/লেন্সের প্রতিসরাঙ্কের কাছাকাছি। এতে চোখের লেন্সের আলোকীয় ক্ষমতা কমে যায় এবং রেটিনায় সঠিক ফোকাস হয় না।
ডাইভিং মাস্ক (মুখোশ) পরলে দৃষ্টি পরিষ্কার হয় কীভাবে?
মাস্ক পরলে চোখের সামনে একটি বায়ুর স্তর থাকে। যেহেতু আমাদের চোখ বায়ু মাধ্যমেই দেখার জন্য অভ্যস্ত, তাই এর প্রতিসরাঙ্কে কোনো পরিবর্তন হয় না এবং দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক থাকে।
চোখ কি জল এবং বায়ু উভয় মাধ্যমেই সমান দক্ষতার সাথে ফোকাস করতে পারে?
না, মানবচোখ শুধুমাত্র বায়ু মাধ্যমের জন্য অভিযোজিত। জলের সাথে এর প্রতিসরাঙ্ক মেলে না, ফলে ফোকাস করার ক্ষমতা হারায়।
মাছেরা জলের নিচে পরিষ্কার দেখতে পায় কেন?
মাছের চোখ বিবর্তিত হয়েছে জলের প্রতিসরাঙ্কের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য, তাই তারা জলের নিচেই স্বাভাবিকভাবে দেখতে পায়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “জলের মধ্যে বায়ু বুদবুদ কী ধরনের লেন্সের মতো কাজ করে? একজন সাঁতারু জলের তলায় খালি চোখে বস্তুর প্রতিচ্ছবি ঘোলাটে দেখে। কিন্তু মুখোশ পরে খুবই পরিষ্কার দেখতে পায় কেন?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “জলের মধ্যে বায়ু বুদবুদ কী ধরনের লেন্সের মতো কাজ করে? একজন সাঁতারু জলের তলায় খালি চোখে বস্তুর প্রতিচ্ছবি ঘোলাটে দেখে। কিন্তু মুখোশ পরে খুবই পরিষ্কার দেখতে পায় কেন?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় “আলো“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়া, নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।
মন্তব্য করুন