এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “কোরকোদ্গমের সংজ্ঞা লেখো এবং উদাহরণ দাও। ইস্টের কোরকোদ্গম দ্বারা কীভাবে জনন ঘটে?” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা”-এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

কোরকোদ্গম
যে অযৌন জনন পদ্ধতিতে জনিতৃ জীবদেহে কোরক (Bud) গঠিত হয়, যা পরিণত হয়ে মাতৃদেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নতুন অপত্য কোশের সৃষ্টি করে, তাকে কোরকোদ্গম বা বাডিং (Budding) বলে।
- উদাহরণ – ইস্ট, Sycon (স্পঞ্জ), হাইড্রা ইত্যাদি জীব কোরকোদ্গম পদ্ধতিতে অযৌন জনন সম্পন্ন করে।
ইস্টের কোরকোদ্গম দ্বারা কীভাবে জনন ঘটে?
মাতৃ ইস্টের বহির্গাত্রে সৃষ্ট উপবৃদ্ধি (কোরক) মাতৃদেহ থেকে পুষ্টিরস শোষণ করে ধীরে ধীরে পুষ্ট হয়। মাতৃকোশের নিউক্লিয়াসটি বিভাজিত হলে একটি অপত্য নিউক্লিয়াস কোরকের মধ্যে প্রবেশ করে এবং অবশেষে মাতৃদেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কোরকটি অপত্য ইস্টে পরিণত হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “কোরকোদ্গমের সংজ্ঞা লেখো এবং উদাহরণ দাও। ইস্টের কোরকোদ্গম দ্বারা কীভাবে জনন ঘটে?” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা”-এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন