এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “মৌলিক বর্ণ ও পরিপূরক বর্ণ কাকে বলে?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “মৌলিক বর্ণ ও পরিপূরক বর্ণ কাকে বলে?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় “আলো“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

মৌলিক বর্ণ ও পরিপূরক বর্ণ কাকে বলে?
মৌলিক বর্ণ –
লাল, সবুজ এবং আকাশি নীল- এই তিনটি বর্ণকে বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে যে-কোনো বর্ণ সৃষ্টি করা যায়। তাই এই তিনটি বর্ণকে মৌলিক বর্ণ বলে। যেমন- লাল এবং সবুজ বর্ণ মেশালে হলুদ বর্ণ পাওয়া যায়। সবুজ ও নীল মেশালে গাঢ় নীল পাওয়া যায়।
পরিপূরক বর্ণ –
বর্ণালির সাতটি বর্ণের যে-কোনো একটিকে বাদ দিয়ে অপর 6টি বর্ণকে মেশালে একটি বিশেষ বর্ণ পাওয়া যায়। এই বিশেষ বর্ণের সঙ্গে বাদ দেওয়া অন্য বর্ণটি মেশালে সাদা বর্ণ পাওয়া যায়, এই বিশেষ বর্ণ এবং বাদ দেওয়া অন্য বর্ণটিকে পরস্পরের পরিপূরক বর্ণ বলে। অর্থাৎ, যে দুটি বর্ণকে উপযুক্ত পরিমাণে মিশিয়ে সাদা বর্ণ পাওয়া যায় সেই বর্ণ দুটিকে পরস্পরের পরিপূরক বর্ণ বলে। যেমন – হলুদ ও নীল মেশালে সাদা বর্ণ পাওয়া যায়। তাই হলুদ ও নীল পরস্পরের পরিপূরক বর্ণ।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “মৌলিক বর্ণ ও পরিপূরক বর্ণ কাকে বলে?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “মৌলিক বর্ণ ও পরিপূরক বর্ণ কাকে বলে?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় “আলো“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment