এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “নরোত্তম দাস বাবাজির সঙ্গে অপুর আলাপচারিতার পরিচয় দাও।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নরোত্তম দাস বাবাজির সঙ্গে অপুর আলাপচারিতার পরিচয় দাও।
হরিহর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে মাঝে মাঝেই গ্রামের নরোত্তম দাস বাবাজির কাছে যেত। বাবাজির সঙ্গে কথাবার্তা বলতে বলতেই অপু ও বাবাজির মধ্যে একটা স্নেহ-ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। অন্য স্থানে অপু মুখচোরা, কিন্তু সরল শান্তদর্শন বাবাজির সঙ্গে সে সম্পূর্ণ নিঃসঙ্কোচে মিশতে পারত। খেলার সঙ্গীদের সঙ্গে যেমন ঘনিষ্ঠভাবে আলাপ করা হয়, অপু বাবাজির সঙ্গে তেমনই বাধাহীন ও উল্লাসভরা আলাপে মগ্ন হত। অনেকসময় সারা বিকেল ধরে অপু আর বাবাজির গল্প হত, তার কাছে অপুর কোনো সঙ্কোচ হত না। অন্য কারও কাছে যেসব গল্প করতে পারে না, সেসব গল্পই অপু নিঃসঙ্কোচে বাবাজির সঙ্গে করতে পারত। বাবাজির কাছে ‘প্রেমভক্তি-চন্দ্রিকা’ নামক একটি গ্রন্থ ছিল, সেই বইয়ের দুইখানি ছবি আগ্রহ সহকারে অপু দেখত। ছবি দেখা শেষ হলে বাবাজি অপুকে জানাত, ‘আমি মরবার সময়ে বইখানা তোমাকে দিয়ে যাব দাদু।’ গল্পগুজবে অনেকটা সময় কেটে যেত। তারপর বাবাজির বাড়ির উঠোন থেকে মুচকুন্দ চাঁপা ফুল সংগ্রহ করে অপু বাড়ি ফিরত।
নরোত্তম দাস বাবাজির সঙ্গে অপুর এমনই আলাপচারিতায় সময় কেটে যেত।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “নরোত্তম দাস বাবাজির সঙ্গে অপুর আলাপচারিতার পরিচয় দাও।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment