এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “নিষেক কাকে বলে? এটি কত প্রকার ও কী কী? জীবদেহে নিষেকের গুরুত্বগুলি উল্লেখ করো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় ‘জীবনের প্রবহমানতা’-এর ‘সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জনন’ অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

নিষেক কাকে বলে? এটি কত প্রকার ও কী কী?
যে প্রক্রিয়ায় হ্যাপ্লয়েড (n) পুং-জননকোশ (পরাগরেণু) এবং হ্যাপ্লয়েড (n) স্ত্রী-জননকোশ (ডিম্বাণু) মিলিত হয়ে ডিপ্লয়েড (2n) জাইগোট সৃষ্টি করে, তাকে নিষেক বলে।

পরাগনালিকা ডিম্বকের কোথায় দিয়ে প্রবেশ করছে, তার ওপর ভিত্তি করে নিষেক প্রক্রিয়াটি মূলত তিন প্রকারের হয়। যেমন –
- পোরোগ্যামি (Porogamy)
- মেসোগ্যামি (Mesogamy)
- চ্যালাজোগ্যামি (Chalazogamy)
জীবদেহে নিষেকের গুরুত্ব
জীবদেহে নিষেকের প্রধান গুরুত্বগুলি হলো –
- নিষেক প্রক্রিয়ায় হ্যাপ্লয়েড পরাগরেণু এবং হ্যাপ্লয়েড ডিম্বাণুর মিলনে ডিপ্লয়েড জাইগোট গঠিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে বিভাজিত হয়ে ভ্রূণ গঠন করে।
- নিষেকের পর ডিম্বকটি বীজে পরিণত হয়, যা থেকে নতুন চারাগাছের সৃষ্টি হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “নিষেক কাকে বলে? এটি কত প্রকার ও কী কী? জীবদেহে নিষেকের গুরুত্বগুলি উল্লেখ করো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন