এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “অযৌন জনন কাকে বলে? উদাহরণ দাও। অযৌন জননের সুবিধা উল্লেখ করো।” — নিয়ে আলোচনা করব।
এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

অযৌন জনন কাকে বলে?
যে জনন পদ্ধতিতে একটিমাত্র জনিতৃ জীবদেহ থেকে নিষেক ও গ্যামেট উৎপাদন ব্যতিরেকে সরাসরি রেণু উৎপাদন অথবা দেহকোশ বিভাজিত হয়ে নতুন অপত্য জীবের সৃষ্টি হয়, তাকে অযৌন জনন বলে। এই জনন পদ্ধতিতে অল্প সময়ে বহুসংখ্যক জীবের সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ – ব্যাকটেরিয়া (Bacteria), অ্যামিবা (Amoeba)-তে এই ধরনের জনন দেখা যায়।
অযৌন জননের সুবিধা –
- একক জীবের প্রয়োজন – অযৌন জননে কেবলমাত্র একটি জীবের প্রয়োজন হয়। দুটি ভিন্ন লিঙ্গের জীবের প্রয়োজন হয় না।
- অধিক অপত্য সৃষ্টি – এই পদ্ধতিতে একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণে রেণুর উৎপত্তি ঘটার ফলে অনেক অপত্যের সৃষ্টি হয়।
- দ্রুত বংশবিস্তার – অযৌন জননের মাধ্যমে খুব দ্রুত বংশ বিস্তার ঘটে।
- অসংখ্য জীবের উদ্ভব – একটিমাত্র জনিতৃ থেকে অযৌন জননের মাধ্যমে অসংখ্য অপত্য জীব সৃষ্টি হয়।
- জিনগত সাদৃশ্য – অযৌন জননের মাধ্যমে সৃষ্ট অপত্য জীবগুলি জিনগতভাবে মাতৃ জীবের সম্পূর্ণ সদৃশ হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “অযৌন জনন কাকে বলে? উদাহরণ দাও। অযৌন জননের সুবিধা উল্লেখ করো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন