এই আর্টিকেলে আমরা পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নগুলি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দুর্গা-অপুর খেলাধুলোর সরঞ্জাম বলতে কী ছিল লেখো।
নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়ে অপু ও দুর্গার দামি দামি খেলনা কোনোদিনই ছিল না। গ্রাম্য এই বালক-বালিকা নিতান্ত সাধারণ তুচ্ছ জিনিস নিয়েই খেলাধুলোয় মেতে থাকত। অপুর একটি টিনের বাক্স ছিল। তাতে একটি রং-ওঠা কাঠের ঘোড়া, একটি টিনের ভেঁপু-বাঁশি, কতকগুলি কড়ি, দু-পয়সার পিস্তল, শুকনো নাটা ফল ও কতকগুলি খাপরার কুচি ছিল। আর দুর্গার একটি পুতুলের বাক্স ছিল। এই জিনিসগুলি ছাড়াও তারা দুজনে বন্য ফল-ফুল, পাথর-বালি, গাছের ডাল সব কিছুকেই খেলার সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহার করত।
অপুর পাঠশালাটি কেমন ছিল?
প্রসন্ন গুরুমশায়ের মুদিখানার দোকানের পাশে গ্রামের পাঠশালা বসত। সেখানে শিক্ষাদানের উপকরণ হিসেবে শুধু বেত ব্যবহৃত হত। গুরুমশাই মাচায় বসে পণ্য বিক্রি করার পাশাপাশি পাঠশালার ছেলেমেয়েদের উপর কড়া নজর রাখতেন। পাঠশালা বিকেলে বসত এবং সেখানে আট-দশ জন ছেলেমেয়ে পড়াশোনা করত। মাঝে মাঝে গুরুমশায়ের বন্ধুরা এসে অনেক গল্প করত। পড়াশোনা করার থেকে এই গল্প শুনতে অপুর বেশি ভালো লাগত।
আশ মিটিয়ে যুদ্ধ জিনিসটা উপভোগ করার জন্য অপু কী করত?
অপুর মতে, যুদ্ধ জিনিসটা মহাভারতে খুবই কম লেখা আছে। তাই আশ মিটিয়ে যুদ্ধ উপভোগ করার জন্য সে একটা উপায় খুঁজে বের করে। একটা বাখারি বা হালকা কোনো গাছের ডালকে অস্ত্র বানিয়ে হাতে নিয়ে সে নিজের মতো করে যুদ্ধ দৃশ্য কল্পনা করে চলে। দ্রোণ, অর্জুন, ভীম-মহাভারতের সব চরিত্রগুলির ভিতরই সে বেশি করে যুদ্ধপ্রবণতা বৃদ্ধি করতে চায়। মহাভারতের মাত্র আঠারো দিনের যুদ্ধ তার যুদ্ধাকাঙ্ক্ষার পরিতৃপ্তি ঘটাতে পারে না।
দুর্গা তো পাঠশালায় যেত না, তার সারাদিন কীভাবে কাটত, লেখো।
দুর্গা কখনো পাঠশালায় শিক্ষা অর্জনের জন্য যায়নি, তাই বলে সে ঘরেও চুপচাপ বসে থাকত না। বলা যায় সারাটা দিনই সে বনজঙ্গলে, এখানে-সেখানে ঘুরে বেড়াত। কোন্ বনে আম গাছে ফল ধরেছে, কোন্ ঝোপঝাড়ে বৈঁচি ফল পেকেছে, কোথায় কোন্ বাঁশবাগানের শেয়াকুল মিষ্টি-এমনসব খবর তার মতো ভালো আর কেউ জানে না। বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে গঙ্গা-যমুনা খেলার উপযুক্ত খাপরা সে সংগ্রহ করত। কোথা থেকে নাটা ফল, কোথা থেকে মাকাল ফল জোগার করে পুতুলের বাক্সে রেখে দিত। কখনো-কখনো গৃহকার্যে মাকে সাহায্য করত। এভাবেই দুর্গার সারাদিন কেটে যেত।
বাছুর খুঁজতে বেরিয়ে দুর্গা-অপু কীভাবে পথ হারিয়ে ফেলেছিল?
অপু ও দুর্গা দক্ষিণ মাঠে বাছুর খুঁজতে বেরিয়েছিল। হঠাৎই পাকা রাস্তার ওপারে বহুদূরে ঝাপসা মাঠের দিকে তাকিয়ে তারা ঠিক করে যে রেলের রাস্তা দেখতে যাবে। সেইমতো, পাকা রাস্তা থেকে নেমে তারা দক্ষিণ মাঠের দিকে ছুট লাগায়। নবাবগঞ্জের লাল রাস্তা, রোয়ার মাঠ, জলসত্রতলা, পুকুর সব ফেলে তারা এগোতে থাকে। এরপর হোগলা আর শোলা গাছে ভরা বড়ো জলা পেরোনোর পরে তার দিদি দুর্গা পথ হারিয়ে ফেলে। কোনো গ্রাম আর তাদের চোখে পড়ে না-কেবলই ধানখেত, জলা আর বেতঝোপ দেখতে পায়। তারা পথ হারিয়ে এমন একস্থানে চলে আসে যেখান থেকে বাড়ি ফেরাই কঠিন হয়ে পড়ে।
রাজকৃষ্ণ সান্যালের দেশভ্রমণের গল্পগুলি কেমন ছিল?
অপুদের পাঠশালায় প্রায়ই বিকেলবেলায় প্রসন্ন গুরুমশায়ের বন্ধুরা গল্প করতে উপস্থিত হতেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন রাজকৃষ্ণ সান্যাল মহাশয়, যিনি ছিলেন দেশভ্রমণের বাতিকগ্রস্ত। পাঠশালায় এসে তিনি তার দেশভ্রমণের নানা গল্প করতেন। কোনো স্থানই তিনি একা দেখে সন্তুষ্ট হতেন না, তাই তিনি স্ত্রী-পুত্র সকলকে নিয়ে যেতেন। কখনও রেলভ্রমণের গল্প, কখনও সাবিত্রী পাহাড়ে ওঠার বর্ণনা, আশ্চর্য ফকিরের কাহিনি এসবই উঠে আসত তার গল্পের মধ্যে। এই গল্পগুলি তার নতুন নতুন বিষয়ের জন্য সবার কাছেই খুব অদ্ভুত এবং আকর্ষণীয় ছিল।
‘একদিন পাঠশালায় এমন একটি ঘটনা হইয়াছিল, যাহা তাহার জীবনের একটি নতুন অভিজ্ঞতা।’ – অপুর জীবনের সেই নতুন অভিজ্ঞতাটি কী?
পাঠশালায় একদিন গুরুমশাই শ্রুতিলিখন লিখতে দিয়েছিলেন। যে বিষয়টি গুরুমশাই মুখে বলছিলেন, অপু বুঝতে পারছিল যে তা তিনি নিজে বলছেন না, মুখস্থ বলছেন। কিন্তু পর পর একসঙ্গে অতগুলি সুন্দর কথা অপু কোনোদিন শোনেনি। তার শিশুকর্ণে শব্দগুলি অজানা ঠেকলেও শব্দধ্বনির ঝংকার তার অপূর্ব লেগেছিল। এই নতুন শব্দ সমন্বিত শ্রুতিলিখনের বিষয়টি তার জীবনে একটি নতুন অভিজ্ঞতা গড়ে তুলেছিল।
দুর্গা-অপু কীভাবে রেলের রাস্তা দেখার চেষ্টা করেছিল?
অপু ও দুর্গা দক্ষিণ মাঠে বাছুর খুঁজতে বেরিয়েছিল। হঠাৎই পাকা রাস্তার ওপারে বহুদূরে ঝাপসা মাঠের দিকে তাকিয়ে তারা ঠিক করে যে রেলের রাস্তা দেখতে যাবে। সেইমতো, পাকা রাস্তা থেকে নেমে তারা দক্ষিণ মাঠের দিকে ছুট লাগায়। নবাবগঞ্জের লাল রাস্তা, রোয়ার মাঠ, জলসত্রতলা, পুকুর সব ফেলে তারা এগোতে থাকে। এরপর হোগলা আর শোলা গাছে ভরা বড়ো জলা পেরোনোর পরে তার দিদি দুর্গা পথ হারিয়ে ফেলে। কোনো গ্রাম আর তাদের চোখে পড়ে না-কেবলই ধানখেত, জলা আর বেতঝোপ দেখতে পায়। তারা পথ হারিয়ে এমন একস্থানে চলে আসে যেখান থেকে বাড়ি ফেরাই কঠিন হয়ে পড়ে।
‘বাঁকা কঞ্চি অপুর জীবনের এক অদ্ভুত জিনিস।’ – এ কথা বলার কারণ কী? সামান্য উপকরণ নিয়ে। খেলার আনন্দ তুমি কখনও বুঝেছ?
বাঁকা কঞ্চি অপুর কাছে এক অদ্ভুত দুর্মূল্য জিনিস। অপু সেই বিশেষ কঞ্চি হাতে নিয়ে সকালবিকেল বাঁশবনের পথে ঘুরে ঘুরে নিজেকে বিভিন্ন চরিত্র হিসেবে কল্পনা করে। কঞ্চি যত হালকা হয়, তার আনন্দ ও কল্পনাও যেন ততটাই নৌকোর মতো পাল পেয়ে উড়ে চলতে থাকে। তাই এই কঞ্চি অপুর জীবনে এক অদ্ভুত জিনিসই বটে।
প্রত্যেক শিশুই তার জীবনে সাধারণ, তুচ্ছ জিনিস নিয়ে খেলা করে। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। ছোটোবেলায় আমি প্রায়ই একটি পুরোনো কাপড়ের টুকরো নিয়ে খেলা করতাম। সেই কাপড়ের টুকরোটিকে গায়ে জড়িয়ে মায়ের মতো করে শাড়ি পরার চেষ্টা করতাম। কখনও মাথায় ঘোমটা দিয়ে বউ সাজার প্রচেষ্টাও চলত। ছোটো বয়সে বড়োদের অনুকরণ করার ইচ্ছা ছিল প্রবল। সামান্য সেই কাপড়ের টুকরোটি আমার সেই ইচ্ছায় সবসময়ের সঙ্গী হয়ে থাকত। ছোটোবেলায় এক টুকরো কাপড় দিয়ে শাড়ি পরার চেষ্টা বড়ো হয়ে হাস্যকর মনে হলেও সেই সরল অবুঝ মনের কীর্তিকলাপ সেই বয়সে আমাকে খুবই আনন্দ দিয়েছিল, যা কোনো মূল্যবান খেলনার থেকেও অনেক বেশি দামি।
শূন্যে ওড়ার ক্ষমতা অর্জনের জন্য অপু কী করেছিল?
অপু ‘সর্ব-দর্শন সংগ্রহ’ বইটির মাধ্যমে জানতে পারে যে, শকুনের ডিমের মধ্যে পারদ পুরে মানুষ ইচ্ছা করলে শূন্যমার্গে বিচরণ করতে পারে। তাই অপু তার শূন্যে ওড়ার ক্ষমতা লাভ করার জন্য শকুনের ডিমের খোঁজ করে। সে রাখাল বালককে দায়িত্ব দেয় শকুনের ডিম সংগ্রহ করে আনার জন্য। আর পারদ সে ঘরে রাখা আয়না থেকে সংগ্রহ করে। রাখাল বালক তাকে দু-আনার বিনিময়ে শকুনের ডিম দেবে বললে, অপু মহাবিপদে পড়ে। সে শেষপর্যন্ত তার স্বপ্নপূরণ করতে সমর্থ হয় না। কারণ তার দিদির হাত লেগে ডিম দুটি পড়ে ভেঙে যায়।
ভুলো কুকুরকে নিয়ে দুর্গা কীভাবে আমোদ উপভোগ করত?
দুর্গা হঠাৎই একদিন ভুলো নামে একটি কুকুরকে নিয়ে নতুন খেলার উৎস খুঁজে পায়। দুর্গা একমুঠো ভাত নিয়ে বাড়ির দরজায় গিয়ে ‘ভুলো’ বলে ডাক দিলেই, ভুলো কোথা থেকে যেন ছুটে আসে। এইভাবে রোজ ডেকে ডেকে ‘ভুলো’কে ভাত খাওয়ানোতে দুর্গা নতুন আনন্দ উপলব্ধি করে। অপুর কাছেও দুর্গা এ আনন্দের বিষয়টি দেখায়।
বৃদ্ধ নরোত্তম বাবাজির সঙ্গে অপুর কীভাবে ভাব হয়েছিল?
বৃদ্ধ নরোত্তম দাস গ্রামের সামান্য খড়ের ঘরে বাস করেন। তিনি খুবই শান্তিপ্রিয় মানুষ। মাঝে মাঝে চণ্ডীমণ্ডপে গিয়ে বসেন। সেখানেই অপুর পরিচয় হয় নরোত্তম বাবাজির সঙ্গে। এই পরিচয়ই ধীরে ধীরে গাঢ় হয়ে ওঠে। মুখচোরা অপু নানারকম বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করে এই বৃদ্ধ ব্যক্তির সাথে। তাদের দুজনকে দেখলে মনে হয় তারা যেন সতীর্থ।
‘অপু-দুর্গার চড়ুইভাতির আয়োজন সম্পর্কে লেখো। এখনকার পিকনিকের সঙ্গে এরকম চড়ুইভাতির তফাত কোথায়?
সময়টা ছিল বসন্তকাল, দুর্গা অপুকে চুপিচুপি চড়ুইভাতির ইচ্ছা জানালে অপুও সঙ্গে সঙ্গেই তাতে রাজি হয়ে যায়। নীলমণি রায়ের জঙ্গলময় ভিটেটা পরিষ্কার করে সেখানে চড়ুইভাতির আয়োজন করা হয়েছিল। অপু-দুর্গা ঘর থেকে চুপিসারে চাল, তেল নিয়ে আসে। তারপর ছোট্ট একটা মাটির হাঁড়িতে ভাত চাপানো হয়, এমন সময় বিনি তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। সেও উৎসাহের সঙ্গে কাঠ সংগ্রহ করে আনে, একটু পরে সে জল নিয়ে আসে। রান্নার দায়িত্ব নেয় দুর্গা। ভাত, মেটে আলুসেদ্ধ, বেগুনভাজা ছিল চড়ুইভাতির আহার। খেজুর গাছের তলায় শুকনো পাতার পাশে এভাবেই অপু-দুর্গার চড়ুইভাতির আয়োজন হয়েছিল।
এখনকার পিকনিকের সঙ্গে এই চড়ুইভাতির কোনোই মিল পাওয়া যাবে না। এখনকার পিকনিকে উপকরণের প্রাচুর্য আর কৃত্রিম শৌখিনতায় মনের ঔদার্য বা প্রকৃতির সংযোগ থাকে না বললেই চলে, কিন্তু অপু-দুর্গার চড়ুইভাতি মনের ঔদার্যে ঐশ্বর্যশালী হয়ে উঠেছিল। প্রকৃতির সরাসরি সংযোগ আর শিশুহৃদয়ের সহজসরল আনন্দে উপকরণের অভাব দূর হয়ে গিয়েছিল। এত সামান্য আয়োজন অথচ এত অনাবিল আনন্দ বর্তমানের পিকনিকে পাওয়া যাবে না।
অজয় কে? তার সঙ্গে অপুর বন্ধুত্ব হল কীভাবে?
নীলমণি হাজরার যাত্রাদলে রাজকুমারের চরিত্রে অভিনয় করে অজয়। তার প্রকৃত নাম কোথাও উল্লেখ করা হয়নি। রাজকুমার অজয়ের চরিত্রে সে অভিনয় করে বলে সেই নামেই সে সর্বাধিক পরিচিত।
প্রথম আলাপে অজয়কে অপু পান খাইয়েছিল। সেই থেকেই দুজনের মধ্যে অনেক কথাবার্তা হয়। অপু যাত্রাপালার অনেক কথা অজয়কে জিজ্ঞেস করে জানে। অপুদের বাড়িতে অজয় খেতে এলে অপুর মা, দিদি সকলের কাছেই অজয় প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠে। অপুর গান শুনে মুগ্ধ অজয় তাকে যাত্রাদলে যোগ দিতেও পরামর্শ দেয়। এইভাবে নানা কথোপকথনের মধ্য দিয়ে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়।
অপু তার দিদির সঙ্গে কেন কখনও আড়ি করবে না?
‘পথের পাঁচালী’র শিশু নায়ক অপুর জীবনের সবথেকে কাছের মানুষ হল তার দিদি দুর্গা। দিদি তার খেলার সাথিও। দুর্গা বনজঙ্গলে ঘুরে বেড়ায়, বুনো ফলমূল কুড়িয়ে খায় আর সঙ্গে থাকে অপু। অপুর মনের গোপন কথা আর কেউ জানে না, কিন্তু জানে তার দিদি দুর্গা। দিদির প্রতি তার অভিমান হয়, আবার ঝগড়াও হয়, মাঝে মাঝে আড়িও হয়, কিন্তু তা বেশিক্ষণের নয়। তবে অপু জানে দিদি খুব দুঃখী, কেউই তেমনভাবে দিদিকে ভালোবাসে না। তবে সে এটা বোঝে যে, দিদিকে ছাড়া সে প্রায় অচল। এই কারণেই অপু ঠিক করেছে যে দিদির সঙ্গে সে কখনও আড়ি করবে না।
এই আর্টিকেলে আমরা পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নগুলি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নগুলি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ছাত্রছাত্রীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment