এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “পতঙ্গপরাগী এবং পক্ষীপরাগী ফুলের উদাহরণসহ বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা”-এর “সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

পতঙ্গপরাগী ফুল
যেসব ফুলের পরাগযোগ পতঙ্গ (যেমন— মৌমাছি, প্রজাপতি, মথ, বোলতা ইত্যাদি) দ্বারা সম্পন্ন হয়, তাদের পতঙ্গপরাগী ফুল বলে।
পতঙ্গপরাগী ফুলের বৈশিষ্ট্য
- পতঙ্গপরাগী ফুলগুলি বৃহৎ ও উজ্জ্বল বর্ণযুক্ত হয়।
- ফুলগুলি সুগন্ধবিশিষ্ট এবং এতে মকরন্দ উপস্থিত থাকে।
- ফুলের পরাগরেণু সুমিষ্ট প্রকৃতির হয়।
- গর্ভমুণ্ডটি ছোটো এবং অমসৃণ প্রকৃতিবিশিষ্ট হয়।
- পরাগরেণুগুলি আঠালো প্রকৃতির হওয়ায় পতঙ্গের গায়ে সহজে আটকে যায়।
- উদাহরণ – শালুক, গোলাপ, জবা ইত্যাদি ফুল।

পক্ষীপরাগী ফুল
যেসব ফুলের পরাগযোগ পাখি (যেমন— হামিংবার্ড, মৌটুসী বা সানবার্ড ইত্যাদি) দ্বারা সম্পন্ন হয়, তাদের পক্ষীপরাগী ফুল বলে।
পক্ষীপরাগী ফুলের বৈশিষ্ট্য –
- পক্ষীপরাগী ফুল আকারে বড়ো এবং উজ্জ্বল বর্ণযুক্ত হয়।
- এই ফুলে মকরন্দ বর্তমান থাকে।
- এই ফুলের দলমণ্ডলটি চোঙাকৃতিবিশিষ্ট হয়।
- পক্ষীপরাগী ফুলের পরাগধানী এবং পরাগরেণু পাখির খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ – পলাশ, শিমুল ইত্যাদি ফুল।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “পতঙ্গপরাগী এবং পক্ষীপরাগী ফুলের উদাহরণসহ বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা”-এর “সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন