এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “উপযোজন বলতে কী বোঝো? দূরের ও কাছের বস্তু দেখার ক্ষেত্রে উপযোজন কৌশল ব্যাখ্যা করো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় “জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়” -এর “প্রাণীদের সাড়াপ্রদান ও ভৌত সমন্বয়-স্নায়ুতন্ত্র” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

উপযোজন বলতে কী বোঝো?
যে পদ্ধতিতে চক্ষু ও বস্তুর দূরত্বের পরিবর্তন সত্ত্বেও সিলিয়ারি পেশি ও লেন্সের বক্রতার হ্রাস-বৃদ্ধির সাহায্যে বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থিত বস্তুকে স্পষ্টভাবে দেখা যায় তাকে উপযোজন (Accomodation) বলে।
দূরের ও কাছের বস্তু দেখার ক্ষেত্রে উপযোজন কৌশল ব্যাখ্যা করো।
দূরের বস্তু দেখার ক্ষেত্রে সিলিয়ারি পেশি প্রসারিত হয়, ফলে লেন্সটি বক্রতা হ্রাস পেয়ে সরু হয়ে লম্বাটে হয়ে যায়। এতে লেন্সটির ফোকাস দৈর্ঘ্য বেড়ে যায়।
কাছের বস্তু দেখার ক্ষেত্রে মিলিয়ারি পেশি সঙ্কুচিত হয়। ফলে বক্রতা বেড়ে গিয়ে লেন্স বেশি উত্তল হয়। অর্থাৎ, লেন্সটির ফোকাস দৈর্ঘ্য কমে।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “উপযোজন বলতে কী বোঝো? দূরের ও কাছের বস্তু দেখার ক্ষেত্রে উপযোজন কৌশল ব্যাখ্যা করো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় “জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়” -এর “প্রাণীদের সাড়াপ্রদান ও ভৌত সমন্বয়-স্নায়ুতন্ত্র” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন