এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভা সম্পর্কে আলোচনা করো। বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভার সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভা সম্পর্কে আলোচনা করো। বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভার সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করো।“ প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের চতুর্থ অধ্যায় “সংঘবদ্ধতার গোড়ার কথা“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভা সম্পর্কে আলোচনা করো।
1836 খ্রিস্টাব্দে টাকির জমিদার কালীনাথ রায়চৌধুরি, দ্বারকানাথ ঠাকুর, প্রসন্নকুমার ঠাকুর প্রমুখের উদ্যোগে কলকাতায় ‘বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভা’ গড়ে ওঠে।
বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভার প্রধান কার্যাবলিগুলি হল-
- এখানে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা চলতো।
- ধর্ম সংক্রান্ত সমস্ত আলোচনা সেখানে নিষিদ্ধ হলেও ব্রিটিশদের গৃহীত পদক্ষেপগুলি ভারতবাসীর পক্ষে কতটা মঙ্গল-অমঙ্গলের তা এখানে আলোচনা হত।
- 1828 খ্রিস্টাব্দের আইনে নিষ্কর জমির ওপর সরকার কর আরোপ করলে এই সভার মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয় ইত্যাদি।
বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভার সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করো।
বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভার সীমাবদ্ধতা হলো যে, ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সারা দেশ জুড়ে এই সভা সার্বিক প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। তাছাড়া অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল এই সভার নিত্যসঙ্গী। এই কারণে এই সভার আয়ুষ্কাল ছিল কম।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভা সম্পর্কে আলোচনা করো। বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভার সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভা সম্পর্কে আলোচনা করো। বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভার সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের চতুর্থ অধ্যায় “সংঘবদ্ধতার গোড়ার কথা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment