নবম শ্রেণি বাংলা – হিমালয় দর্শন – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Souvick

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের তৃতীয় পাঠের প্রথম অধ্যায়, ‘হিমালয় দর্শন’ -এর কিছু অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করবো। এই প্রশ্নোত্তরগুলো নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

নবম শ্রেণি - বাংলা - হিমালয় দর্শন - অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
Contents Show

বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্নাবলি

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

‘হিমালয় দর্শন’ -এর রচয়িতা –

  1. সৈয়দ মুজতবা আলি
  2. বেগম রোকেয়া
  3. সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
  4. নজরুল ইসলাম

উত্তর – 2. বেগম রোকেয়া

লেখিকা ট্রেনে যাত্রা করে পৌঁছোলেন –

  1. মালদা স্টেশনে
  2. শিলিগুড়ি স্টেশনে
  3. জলপাইগুড়ি স্টেশনে
  4. বোলপুর স্টেশনে

উত্তর – 2. শিলিগুড়ি স্টেশনে

হিমালয় রেল রোড আরম্ভ হইয়াছে –

  1. দার্জিলিং থেকে
  2. কালিম্পং থেকে
  3. শিলিগুড়ি থেকে
  4. সিকিম থেকে

উত্তর – 3. শিলিগুড়ি থেকে

ইস্ট ইন্ডিয়ান গাড়ি অপেক্ষা ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলগাড়ি –

  1. ছোটো
  2. বড়ো
  3. খুব ছোটো
  4. খুব বড়ো

উত্তর – 1. ছোটো

হিমালয়ান রেলগাড়ি দেখতে –

  1. ভালো
  2. খারাপ
  3. মোটামুটি
  4. খেলনা গাড়ির মতো সুন্দর

উত্তর – 4. খেলনা গাড়ির মতো সুন্দর

লেখিকাদের ট্রেনটি যে পথ অতিক্রম করে উপরে উঠতে লাগল –

  1. সরুপথ
  2. আঁকাবাঁকা পথ
  3. ঢালু পথ
  4. চড়াই উতরাই পথ

উত্তর – 2. আঁকাবাঁকা পথ

“ক্রমে আমরা সমুদ্র (Sea Level) হইতে ___ ফিট উচ্চে উঠিয়াছি।” –

  1. দু-হাজার
  2. তিন হাজার
  3. চার হাজার
  4. পাঁচ হাজার

উত্তর – 2. তিন হাজার

নির্মল শ্বেত কুজ্ঝটিকা কোথায় ছিল? –

  1. নিম্ন উপত্যকায়
  2. মধ্য উপত্যকায়
  3. উচ্চ উপত্যকায়
  4. ঝুলন্ত উপত্যকায়

উত্তর – 1. নিম্ন উপত্যকায়

নিম্ন উপত্যকায় নির্মল শ্বেত কুজ্ঝটিকা দেখে গল্পলেখিকার ভ্রম জন্মে –

  1. মেঘ বলে
  2. কুয়াশা বলে
  3. সমুদ্র বলে
  4. নদী বলে

উত্তর – 4. নদী বলে

লেখিকার বর্ণিত চায়ের ক্ষেত্রগুলি –

  1. পাণ্ডুবর্ণ
  2. রক্তবর্ণ
  3. হরিদ্বর্ণ
  4. শ্বেতবর্ণ

উত্তর – 3. হরিদ্বর্ণ

প্রাকৃতিক শোভা আরও শতগুণ বৃদ্ধি করেছিল –

  1. ফুলের ক্ষেত্র
  2. ধানের ক্ষেত্র
  3. হরিদ্বর্ণ চায়ের ক্ষেত্র
  4. ঝরনাধারা

উত্তর – 3. হরিদ্বর্ণ চায়ের ক্ষেত্র

মানুষের চলবার সংকীর্ণ পথগুলিকে লেখিকা কীসের সঙ্গে তুলনা করেছেন? –

  1. নদীর সঙ্গে
  2. সমুদ্রের সঙ্গে
  3. ধরণির সীমন্তের সঙ্গে
  4. প্রান্তরের সঙ্গে

উত্তর – 3. ধরণির সীমন্তের সঙ্গে

মানুষের চলবার নিবিড় শ্যামল বনকে তুলনা করা হয়েছে –

  1. মেঘের সঙ্গে
  2. পদযুগলের সঙ্গে
  3. মাথার চুলের সঙ্গে
  4. বুকের সঙ্গে

উত্তর – 3. মাথার চুলের সঙ্গে

রেলপথে যেতে যেতে লেখিকা দেখেছিলেন –

  1. উদ্যান বা বাগান
  2. প্রান্তর বা মাঠ
  3. জলপ্রপাত বা নির্ঝর
  4. তরঙ্গিনী বা নদী

উত্তর – 3. জলপ্রপাত বা নির্ঝর

“ইহার সৌন্দর্য বর্ণনাতীত।” – এখানে যার কথা বলা হয়েছে –

  1. জলপ্রপাত
  2. চায়ের ক্ষেত্র
  3. ধানের ক্ষেত্র
  4. ফুলের ক্ষেত্র

উত্তর – 1. জলপ্রপাত

ট্রেন থেমেছিল –

  1. পাহাড়ের নিকট
  2. অরণ্যের নিকট
  3. বড়ো ঝরনার নিকট
  4. মাঠের নিকট

উত্তর – 3. বড়ো ঝরনার নিকট

একটি বড়ো ঝরনার কাছে ট্রেনটি থামল, কারণ –

  1. জলপ্রপাত দেখার জন্য
  2. জ্বালানি নেওয়ার জন্য
  3. জল পরিবর্তনের জন্য
  4. অন্য ট্রেনকে পাশ দেওয়ার জন্য

উত্তর – 3. জল পরিবর্তনের জন্য

“সে জুলুম হইতে রক্ষা পাইলাম।” – জুলুমটি হল –

  1. শীতের কাঁপন
  2. গরমের জ্বালা
  3. বৃষ্টির দাপট
  4. কুয়াশার অন্ধকার

উত্তর – 2. গরমের জ্বালা

ভার্সিয়াং স্টেশনের উচ্চতা –

  1. 4860 ফিট
  2. 4861 ফিট
  3. 4862 ফিট
  4. 4864 ফিট

উত্তর – 4. 4864 ফিট

জিনিসপত্রের অভাবে সন্ধ্যার পূর্বে বাসায় এসে লেখিকা লাভকরতে পারেননি –

  1. বেড়ানোর আনন্দ
  2. ভোজন সুখ
  3. গৃহসুখ
  4. গল্পগুজবের আনন্দ

উত্তর – 3. গৃহসুখ

___ ট্রেনে লেখিকাদের ট্রাঙ্কগুলি ফিরে এল। –

  1. সকালের
  2. দুপুরের
  3. বিকালের
  4. সন্ধ্যার

উত্তর – 4. সন্ধ্যার

খুবই স্বাস্থ্যকর কী? –

  1. জল
  2. বায়ু
  3. আলো
  4. দৃশ্য

উত্তর – 2. বায়ু

পাহাড়ে লেখিকারা জলপান করতেন –

  1. জল ফুটিয়ে
  2. ফিলটারে জল ছেঁকে
  3. মেশিনের জল পরিশুদ্ধ করে
  4. টিউবওয়েল থেকে

উত্তর – 2. ফিলটারে জল ছেঁকে

কী দেখতে খুব পরিষ্কার ও স্বচ্ছ? –

  1. জল
  2. বায়ু
  3. দৃশ্য
  4. আলো

উত্তর – 1. জল

পাহাড়ে কুয়ো, নদী কিংবা পুষ্করিণী না থাকায় লেখিকাদের কীসের জলপান করতে হত –

  1. ঝরনার জল
  2. মিনারেল ওয়াটার বোতলের
  3. সমতলের পানীয় জল
  4. টিউবওয়েলের জল

উত্তর – 1. ঝরনার জল

দার্জিলিঙের বায়ু –

  1. জলীয় বাষ্পপূর্ণ
  2. মেঘময় অস্বস্তিকর
  3. পরিষ্কার ও হালকা
  4. স্যাঁতসেতে

উত্তর – 3. পরিষ্কার ও হালকা

এখানকার বায়ু পরিষ্কার ও ___। –

  1. ভারী
  2. হালকা
  3. ভিজে
  4. ঠান্ডা

উত্তর – 2. হালকা

“… খেলা দেখিতে বেশ চমৎকার!” – কী খেলা? –

  1. ক্রিকেট
  2. ফুটবল
  3. ভলি
  4. বায়ু এবং মেঘের লুকোচুরি

উত্তর – 4. বায়ু এবং মেঘের লুকোচুরি

“প্রতিদিন অস্তমান রবি বায়ু এবং ___ লইয়া মনোহর সৌন্দর্যের রাজ্য রচনা করে।” –

  1. আলো
  2. দৃষ্টি
  3. মেঘ
  4. জল

উত্তর – 3. মেঘ

___ গগনে পাহাড়ের গায়ে তরল স্বর্ণ ঢালিয়া দেওয়া হয়।” –

  1. পশ্চিম
  2. পূর্ব
  3. উত্তর
  4. দক্ষিণ

উত্তর – 1. পশ্চিম

ঢেঁকির শাকের কথা লেখিকা কোথায় পাঠ করেছিলেন? –

  1. দেশ পত্রিকায়
  2. আনন্দলোক পত্রিকায়
  3. মহিলা পত্রিকায়
  4. পুরুষ পত্রিকায়

উত্তর – 3. মহিলা পত্রিকায়

বড় বড় ঢেঁকিতরু ছিল –

  1. সুলতানি যুগে
  2. পুরোনো প্রস্তরযুগে
  3. কারবনিফেরাস যুগে
  4. কারাকাস যুগে

উত্তর – 3. কারবনিফেরাস যুগে

তরুবর কত ফিট উঁচু? –

  1. 20-25
  2. 10-15
  3. 30-35
  4. 5-10

উত্তর – 1. 20-25

“তাই নির্ভয়ে বেড়াইতে পারি,” – কারণ? –

  1. বাঘ নেই
  2. সাপ নেই
  3. ভালুক নেই
  4. গণ্ডার নেই

উত্তর – 1. বাঘ নেই

পাহাড়ের কোনো কোনো স্থানে যে নিবিড় বন ছিল, তাতে আছে –

  1. সর্প এবং ছিনে জোঁক
  2. বাঘ এবং ভালুক
  3. সজারু এবং হরিণ
  4. প্রকাণ্ড গরিলা

উত্তর – 1. সর্প এবং ছিনে জোঁক

জোঁকে লেখিকার কতবার রক্ত শোষণ করেছে? –

  1. দু-একবার
  2. দু-তিনবার
  3. তিন-চারবার
  4. চার-পাঁচবার

উত্তর – 2. দু-তিনবার

“এদেশের স্ত্রীলোকেরা দেখিলে ভয় পায় না।” –

  1. বাঘ
  2. ভালুক
  3. জোঁক
  4. সাপ

উত্তর – 3. জোঁক

ভুটিয়া চাকরানি কাকে ‘ভালু’ বলে? –

  1. সাপকে
  2. জোঁককে
  3. বাঘকে
  4. ভালুককে

উত্তর – 2. জোঁককে

ভুটিয়ানিরা কত গজ লম্বা কাপড় ঘাঘরার মতো করে পরে। –

  1. 7
  2. 6
  3. 5
  4. 4

উত্তর – 1. 7

ভুটিয়ানিরা পৃষ্ঠে কত মন বোঝা নিয়ে অনায়াসে উঁচু পাহাড়ে ওঠে? –

  1. তিন-চার মন
  2. দুই-এক মন
  3. দুই-তিন মন
  4. চার-পাঁচ মন

উত্তর – 2. দুই-এক মন

পাহাড়ের স্ত্রীলোকেরা নিজেদের উদরান্নের জন্য কাদের কাছে প্রত্যাশী নয়? –

  1. আত্মীয়পরিজনের কাছে
  2. সরকারি দয়াদাক্ষিণ্যের উপর
  3. পর্যটকদের অনুকম্পার উপর
  4. নিজেদের পুরুষদের কাছে

উত্তর – 4. নিজেদের পুরুষদের কাছে

পাথর বিছিয়ে রাস্তা তৈরি করে –

  1. অবলারা
  2. সবলেরা
  3. দুর্বলেরা
  4. পূর্বোক্ত কোনোটিই নয়

উত্তর – 2. সবলেরা

ভুটিয়ানিরা কী বলে আপন পরিচয় দেয়? –

  1. সাহসিনী
  2. পাহাড়নি
  3. অবলা
  4. সবলা

উত্তর – 2. পাহাড়নি

ভুটিয়ানির মতে ‘নীচেকা আদমি’ আসলে –

  1. অসভ্য
  2. সভ্য
  3. নীচমনের
  4. উঁচুমনের

উত্তর – 1. অসভ্য

ভুটিয়া চরিত্রের অন্যতম গুণ হল –

  1. সত্যবাদিতা
  2. চতুরতা
  3. মানবিকতা
  4. সরলতা

উত্তর – 1. সত্যবাদিতা

“… সংস্রবে থাকিয়া ইহারা ক্রমশ সদ্‌গুণরাজি হারাইতেছে।” – কাদের সংস্রবে? –

  1. পুরুষদের
  2. মহিলাদের
  3. নীচেকা আদমির
  4. বালকদের

উত্তর – 3. নীচেকা আদমির

লেখিকার বাসস্থান থেকে যে ঝরনা বইছে তা কত দূরে –

  1. এক মাইল
  2. দেড় মাইল
  3. দুই মাইল
  4. আড়াই মাইল

উত্তর – 1. এক মাইল

দিবানিশি ঝরনার কল্লোলগীতি শুনে লেখিকার –

  1. মন উদাস হয়
  2. ঈশ্বরের প্রতি ভক্তির উচ্ছ্বাস জাগে
  3. মন আনন্দে নেচে ওঠে
  4. স্বদেশের জন্য মন টানে

উত্তর – 2. ঈশ্বরের প্রতি ভক্তির উচ্ছ্বাস জাগে

লেখিকা পাহাড়ে এসে অত্যন্ত –

  1. খুশি
  2. সুখী
  3. ব্যথাতুর
  4. চিন্তান্বিত

উত্তর – 2. সুখী

ঈশ্বরের নিকট লেখিকা এ কারণে কৃতজ্ঞ যে তিনি –

  1. পাহাড়ে বেড়ানোর সৌভাগ্য অর্জন করেছেন
  2. পাহাড়ে এসে ভালো মানুষের সাক্ষাৎ পেয়েছেন
  3. পাহাড়ে এসে ঝরনা দেখেছেন
  4. পাহাড়ে এসে সুখে দিন কাটিয়েছেন

উত্তর – 4. পাহাড়ে এসে সুখে দিন কাটিয়েছেন

সমুদ্রের সামান্য নমুনা বঙ্গোপসাগর দেখার পর লেখিকার বাকি ছিল –

  1. ঝরনা দেখা
  2. টয়ট্রেন দেখা
  3. পর্বতের নমুনা দেখা
  4. শৈলশহর দেখা

উত্তর – 3. পর্বতের নমুনা দেখা

‘প্রভু’ কথাটি-র অর্থ হল –

  1. বিধাতা
  2. বিশ্ব
  3. সূর্য
  4. চন্দ্র

উত্তর – 1. বিধাতা

পাহাড়ে প্রতিটি উচ্চশৃঙ্গ ও ঝরনা লেখিকাকে প্রথমে কী বলে –

  1. আমায় ভুলে যেও না
  2. আমার কথা মনে রেখো
  3. আমাকে দ্যাখো
  4. আমার দিকে তাকিও না

উত্তর – 3. আমাকে দ্যাখো

পাহাড়ে প্রতিটি উচ্চশৃঙ্গ ও ঝরনা লেখিকাকে ঈষৎ হেসে কী বলে –

  1. আমাকে না দেখে স্রষ্টাকে স্মরণ করো
  2. আমাকে না দেখে নদীর কল্লোল শোনো
  3. আমাকে না দেখে প্রকৃতির অন্য সৌন্দর্য দ্যাখো
  4. আমাকে না দেখে ঘর বন্ধ করে বসে থাকো

উত্তর – 1. আমাকে না দেখে স্রষ্টাকে স্মরণ করো

চিত্র দেখে কার নৈপুণ্য বোঝা যায়? –

  1. পাহাড়িয়াদের
  2. চিত্রপরিচালকের
  3. চিত্রকরের
  4. খোদাইকরের

উত্তর – 3. চিত্রকরের

মহাশিল্পীর জগতে ক্ষুদ্র –

  1. মানুষ
  2. সাগর
  3. নদী
  4. হিমালয়

উত্তর – 4. হিমালয়

“আর সেই মহাশিল্পীর সৃষ্ট জগতে হিমালয় কত ক্ষুদ্র!” এই মহাশিল্পী হলেন –

  1. প্রকৃতি
  2. বনদেবতা
  3. পর্বতরাজ
  4. ঈশ্বর

উত্তর – 4. ঈশ্বর

‘কৃতঘ্নতা’ শব্দটির অর্থ –

  1. উপকারীর উপকার স্বীকার না করা
  2. উপকারীর উপকার স্বীকার করা
  3. উপকারীর মঙ্গল করা
  4. উপকারীর সর্বনাশ সাধন করা

উত্তর – 1. উপকারীর উপকার স্বীকার না করা

“প্রশংসার যোগ্য” – কে? –

  1. মানুষ
  2. ঈশ্বর
  3. সমুদ্র
  4. নদী

উত্তর – 2. ঈশ্বর

“তিনিই ধন্য!” – কার কথা বলা হয়েছে? –

  1. পাহাড়
  2. মানুষ
  3. ঈশ্বর
  4. মহামানব

উত্তর – 3. ঈশ্বর

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

‘হিমালয় দর্শন’ ভ্রমণকাহিনির লেখিকা কোথায় এসে পৌঁছোনোর কথা বলেছেন?

‘হিমালয় দর্শন’ ভ্রমণকাহিনির লেখিকা বেগম রোকেয়া শৈলশহর শিলিগুড়িতে এসে পৌঁছোনোর কথা বলেছেন।

হিমালয় রেল রোড কোথা থেকে শুরু হয়েছে?

শিলিগুড়ি থেকে হিমালয় রেল রোড শুরু হয়েছে।

ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলগাড়ি কেমন?

ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলগাড়ি ছোটো, খুব নীচু। এতে চলার সময়ও অনায়াসে নামা-ওঠা করা যায়।

হিমালয়ান রেলগাড়িই বা কেমন?

হিমালয়ান রেলগাড়ি ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলগাড়ি অপেক্ষা ছোটো এবং খেলনা গাড়ির মতো সুন্দর।

হিমালয়ান রেলগাড়িগুলিতে যাত্রীদের কী সুবিধা হয়?

হিমালয়ান রেলগাড়িগুলিতে যাত্রীরা অনায়াসে চলার সময়ও ওঠা-নামা করতে পারে।

গাড়িগুলি কীভাবে চলে?

গাড়িগুলি আঁকাবাঁকা পথ ধরে ধীর গতিতে চলে।

“ট্রেন অনেক আঁকাবাঁকা পথ অতিক্রম করিয়া ধীরে ধীরে উপরে উঠিতে লাগিল।” – গাড়িগুলি কীরূপ শব্দে কোনদিকে এঁকেবেঁকে চলে?

গাড়িগুলি ‘কটাটটা’ শব্দে কখনও উত্তরে কখনও দক্ষিণে এঁকেবেঁকে চলে।

পথের দু-ধারের দৃশ্য কেমন?

পথের দু-ধারের দৃশ্য অত্যন্ত মনোরম। কোথাও অতি উচ্চ চূড়া আবার কোথাও নিবিড় অরণ্য।

সমুদ্র থেকে প্রথমে কত ফিট উঁচুতে তারা উঠেছিলেন?

সমুদ্র থেকে তিন হাজার ফিট উপরে তারা উঠেছিলেন।

কী দেখে লেখিকার নদী বলে ভ্রম হয়েছিল?

নিম্ন উপত্যকায় নির্মল শ্বেত কুজ্ঝটিকা দেখে হঠাৎই লেখিকার নদী বলে ভ্রম হয়েছিল।

চায়ের ক্ষেত্রগুলো কেমন দেখতে ছিল?

চায়ের ক্ষেত্রগুলো ছিল সবুজ রঙের, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও বৃদ্ধি করেছিল।

কাকে ধরণির সীমন্ত বলা হয়েছে?

চা ক্ষেত্রের মধ্যবর্তী মানুষের চলাচলের সংকীর্ণ পথগুলিকে ধরণির সীমন্ত বলা হয়েছে।

‘বসুমতীর ঘন কেশপাশ’ -এর সঙ্গে লেখিকা কীসের তুলনা করেছেন?

‘হিমালয় দর্শন’ প্রবন্ধাংশের লেখিকা বেগম রোকেয়া ‘বসুমতীর ঘন কেশপাশ’ -এর সঙ্গে নিবিড় শ্যামল বনানীর তুলনা করেছেন।

রেলপথে বর্ণনাতীত সৌন্দর্য কী?

রেলপথে যাবার কালে জলপ্রপাত বা নির্ঝর হল বর্ণনাতীত সৌন্দর্য।

জলপ্রপাত বা নির্ঝরগুলির গন্তব্য কোথায়?

লেখিকা বলেছেন জলপ্রপাত বা নির্ঝরগুলি কোথা থেকে এসে ভীমবেগে হিমাদ্রির পাষাণ হৃদয় বিদীর্ণ করতে করতে আবার কোথায় চলে যায়।

জাহ্নবীর উৎস কী?

লেখিকা বেগম রোকেয়ার মতে অসংখ্য পার্বত্য জলপ্রপাতের মধ্যে কোনো একটি জলপ্রপাত বা নির্ঝরই হচ্ছে জাহ্নবীর উৎস।

রেলগাড়ি ঝরনার কাছে এসে থামল কেন?

রেলগাড়ি জল পরিবর্তনের জন্য ঝরনার কাছে এসে থেমেছিল।

চার হাজার ফিট উপরে উঠে লেখিকার কী অনুভূত হয়েছিল?

চার হাজার ফিট উপরে উঠে লেখিকার শীত অনুভূত হয়নি, তবে গরমের জ্বালা থেকে তিনি রক্ষা পেয়েছিলেন।

গরমের জুলুম থেকে কীভাবে তিনি স্বস্তি পেলেন?

চার হাজার ফিট উচ্চতায় পর্বতগাত্রে মৃদু মৃদু বাতাস বইছিল, তাই লেখিকা সেখানে স্বস্তি অনুভব করেন।

অবশেষে লেখিকা কোথায় পৌঁছোলেন?

অবশেষে লেখিকা কার্সিয়াং স্টেশনে এসে পৌঁছোলেন।

কার্সিয়াং -এর উচ্চতা কত?

কার্সিয়াং -এর উচ্চতা 4,864 ফুট।

লেখিকার জন্য দার্জিলিং -এর ঠিকানায় কী প্রেরিত হয়েছিল?

লেখিকার জন্য দার্জিলিং -এর ঠিকানায় শীতবস্ত্রের ট্রাঙ্কগুলি প্রেরিত হয়েছিল।

ট্রাঙ্কগুলি না থাকায় লেখিকার কী অসুবিধে হয়েছিল?

ট্রাঙ্কগুলি না থাকায় আবশ্যকীয় আসবাব ও সরঞ্জামের অভাবে লেখিকা গৃহসুখ অনুভব করতে পারছিলেন না।

পার্বত্য বসন্তকাল কী?

বছরের যে সময় কার্সিয়াং-এ শীত বেশি থাকে না আর গ্রীষ্মের গরমও অনুভূত হয় না, তাকে লেখিকা পার্বত্য বসন্তকাল বলেছেন।

সেখানে পানীয় জল কীভাবে ব্যবহার করা হয়?

সেখানে পানীয় জল ফিলটারে ছেঁকে ব্যবহার করা হয়।

জল কোথা থেকে পাওয়া যায়?

কূপ, পুকুর বা নদী না থাকার জন্য জল নির্ঝর থেকে পাওয়া যায়।

ঝরনার দৃশ্য মানুষ কীভাবে অনুভব করে?

ঝরনার সুবিমল ও শীতল জল, চারপাশে ঠান্ডাবাতাস ও ঘন কুয়াশাকে মানুষ আনন্দের সঙ্গে অনুভব করে।

‘ঢেঁকি’ শাকের কথা কোথায় লেখিকা পড়েছেন?

‘ঢেঁকি’ শাকের কথা লেখিকা ‘মহিলা’ পত্রিকায় পড়েছেন।

বন্যপথে কীসের উৎপাত বেশি?

বন্যপথে বাঘ না থাকলেও সাপ ও ছিনে জোঁকের উৎপাত বেশি।

‘জোঁক’কে ভুটিয়া চাকরানিরা কী বলে?

‘জোঁক’কে ভুটিয়া চাকরানিরা ‘ভালু’ বলে।

জোঁক কী ক্ষতি করে?

জোঁক বন্যপথে প্রচুর দেখা যায়। রক্তশোষণ করে তারা মানুষের ক্ষতি করে।

ভুটিয়ানিরা কী পোশাক পরিধান করে?

ভুটিয়ানিরা সাত গজ লম্বা কাপড় ঘাগরার মতো করে পরে। তাদের কোমরে থাকে একখণ্ড কাপড়, গায়ে থাকে জ্যাকেট এবং মাথা বিলাতি শাল দিয়ে ঢাকা থাকে।

পাহাড়ি রমণীরা কী বলে পরিচিত?

পাহাড়ি রমণীরা ‘পাহাড়নি’ বলে পরিচিত।

ভুটিয়ানিরা নিজেদের কী নামে পরিচয় দেয়?

ভুটিয়ানিরা নিজেদের ‘পাহাড়নি’ বলে পরিচয় দেয়।

সমতলের মানুষদের তারা কী বলে?

সমতলের মানুষদের তারা ‘নীচেকা আদমি’ বলে।

ভুটিয়ানিরা কেমন?

ভুটিয়ারা শ্রমশীলা, কার্যপ্রিয়, সাহসী ও সত্যবাদী।

পাহাড়ি ঝরনা সম্পর্কে লেখিকার আর কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল?

পাহাড়ি ঝরনায় দুধের ফেনার ন্যায় শুভ্র জলস্রোতধারা বয়ে চলে।

লেখিকা ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ কেন?

ঈশ্বরের অপরূপ সৃষ্টির জন্য লেখিকা ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ।

পাহাড় দর্শনের পর লেখিকার কী মনে হয়েছিল?

পাহাড় দর্শনের পর লেখিকার দর্শন পিপাসা আরও শত গুণ বেড়ে যায়।

প্রত্যেকটি উচ্চশৃঙ্গে দর্শনীয় বিষয়টি কী?

প্রত্যেকটি উচ্চশৃঙ্গের দর্শনীয় বিষয়টি হল ঝরনাগুলো জলছন্দে স্বচ্ছন্দ বেগে বয়ে চলেছে।

সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে লেখিকার কী ধারণা হয়?

সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে লেখিকার ধারণা হল তিনি বিশ্বের অমোঘ সৌন্দর্যস্রষ্টা।

হিমালয়ের পাদদেশ সম্পর্কে লেখিকার কী মনে হয়?

লেখিকার মনে হয় হিমালয়ের পাদদেশ সুদূর বিস্তৃত, বৃহৎ ও মহান।

হিমালয় সম্পর্কে তাঁর কী ধারণা?

হিমালয়ের বিস্তৃত পাদদেশ দর্শন করার পর তাঁর মনে হয়েছে বিশ্বস্রষ্টার সৃষ্ট এই জগতে হিমালয় কত ক্ষুদ্র!

হিমালয় দর্শনে আমাদের কোন্ কোন্ ইন্দ্রিয় সজাগ হয়?

হিমালয় দর্শনে আমাদের চক্ষু ও কর্ণের সহযোগে মন জেগে ওঠে।

কোন্ পাখীর মতো কণ্ঠস্থ শব্দে উপাসনা হয় না?

টিয়াপাখির মতো কণ্ঠস্থ শব্দে উপাসনা হয় না।

উপাসনার জন্য কী প্রয়োজন?

উপাসনার জন্য মন ও প্রাণের মেলবন্ধন প্রয়োজন, প্রাণের আবেগ প্রয়োজন।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দর্শনের জন্য কী প্রয়োজন?

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দর্শন ও উপলব্ধির জন্য মন ও প্রাণের স্বতঃস্ফূর্ততা প্রয়োজন।

ঈশ্বরের উদ্দেশে তাঁর সৃষ্টির জন্য লেখিকার কী বলতে ইচ্ছে করে?

জগৎস্রষ্টা ঈশ্বরের সৃষ্টির উদ্দেশে তাঁকে লেখিকা বেগম রোকেয়ার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে ইচ্ছে করে।

লেখিকার চোখে হিমালয় দর্শন কী বলে মনে হয়?

লেখিকার চোখে হিমালয় দর্শন শুধু ভ্রমণ অভিজ্ঞতা অর্জন নয়, ঈশ্বর উপাসনার এক অধ্যায় বলে মনে হয়।

কাকে তিনি এই বিশ্বসৌন্দর্য সৃষ্টির জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন?

ঈশ্বরকে তিনি এই বিশ্বসৌন্দর্য সৃষ্টির জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

হিমালয় দর্শন প্রবন্ধটির রচয়িতা কে?

হিমালয় দর্শন প্রবন্ধটির রচয়িতা হলেন বেগম রোকেয়া।

হিমালয় দর্শন রচনাংশটি কোন্ নামে কোথায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল?

হিমালয় দর্শন রচনাংশটি কূপমণ্ডূকের হিমালয় দর্শন নামে 1311 বঙ্গাব্দে মহিলা পত্রিকার কার্তিক সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।

হিমালয় দর্শন রচনাংশে লেখিকার আলোচ্য বিষয়টি কী?

হিমালয় দর্শন রচনাংশে লেখিকা বেগম রোকেয়ার আলোচ্য বিষয় তাঁর কার্সিয়াং ভ্রমণের অভিজ্ঞতা।

যথা সময় যাত্রা করিয়া শিলিগুড়ি স্টেশনে আসিয়া পঁহুছিলাম। — লেখিকা কোন্ উদ্দেশ্যে শিলিগুড়ি স্টেশনে এসে পৌঁছেছেন?

লেখিকা বেগম রোকেয়া হিমালয়ান রেলগাড়িতে চড়ে কার্সিয়াং যাওয়ার জন্য শিলিগুড়ি স্টেশনে এসে পৌঁছেছেন।

হিমালয় রেল রোড কোথা থেকে আরম্ভ হয়েছে?

হিমালয়ান রেল রোড শিলিগুড়ি থেকে আরম্ভ হয়েছে।

ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলগাড়ি ও ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলগাড়ি — এই দুটির মধ্যে কোনটি ছোটো ও কোনটি বড়ো?

ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলগাড়ি বড়ো এবং ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলগাড়ি ছোটো।

হিমালয়ান রেলগাড়ি আবার তাহার অপেক্ষাও ছোটো — কার অপেক্ষা ছোটো?

হিমালয়ান রেলগাড়ি ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলগাড়ি অপেক্ষা আকারে ছোটো।

বেশ সুন্দর দেখায়। — হিমালয় দর্শন রচনাংশে লেখিকা কোন্ জিনিসটিকে বেশ সুন্দর দেখায় বলে মন্তব্য করেছেন?

লেখিকা বেগম রোকেয়া ছোটো ছোটো হিমালয়ান রেলগাড়িগুলিকে খেলনা গাড়ির মতো সুন্দর দেখায় বলে মন্তব্য করেছেন।

ক্ষুদ্র গাড়িগুলিকে কীসের মতো দেখতে লাগে?

হিমালয়ান রেলের ক্ষুদ্র গাড়িগুলিকে খেলনাগাড়ির মতো সুন্দর দেখতে লাগে।

হিমালয়ান রেলগাড়ির দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।

হিমালয় দর্শন প্রবন্ধে উল্লিখিত হিমালয়ান রেলগাড়ির দুটি বৈশিষ্ট্য হল — 1. গাড়িগুলি খুব ছোটো এবং 2. গাড়িগুলি অত্যন্ত নীচু।

যাত্রীগণ ইচ্ছা করিলে অনায়াসে উঠিতে নামিতে পারেন। – যাত্রীরা কোথা থেকে ওঠানামা করতে পারেন?

আয়তনে বেশ ছোটো এবং খেলনাগাড়ির মতো দেখতে হিমালয়ান রেলগাড়ি থেকে ইচ্ছামতো যাত্রীরা ওঠানামা করতে পারেন।

পথের দুইধারে মনোরম দৃশ্য — মনোরম দৃশ্যটি কী?

শিলিগুড়ি থেকে কার্সিয়াং যাওয়ার পথের দু-দিকে কোথাও অতি উচ্চ পর্বতশৃঙ্গ আবার কোথাও নিবিড় অরণ্য দেখা যায়।

মেঘের ভিতর দিয়া চলিয়াছি। — কখন লেখিকা মেঘের ভিতর দিয়ে চলেছেন?

রেলগাড়িতে কার্সিয়াং যাওয়ার সময়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে 3000 ফুট উচ্চতায় লেখিকার মনে হয়েছে তিনি মেঘের ভিতর দিয়ে চলেছেন।

সহসা নদী বলিয়া ভ্ৰম জন্মে। — কী দেখে নদী বলে ভুল হয়?

কার্সিয়াং যাত্রাকালে 3000 ফুট উচ্চতা থেকে নীচের উপত্যকার সাদা কুয়াশা দেখে লেখিকার নদী বলে ভুল হয়েছে।

সকলই মনোহর। — কীসের কথা বলা হয়েছে?

কার্সিয়াং যাওয়ার পথে গাছ, লতা, ঘাস, পাতা সমস্ত কিছুকেই লেখিকার মনোহর বলে মনে হয়েছে।

প্রাকৃতিক শোভা আরও শতগুণ বৃদ্ধি করিয়াছে। — কীসের জন্য প্রাকৃতিক শোভা আরও শতগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে?

লেখিকার মতে সবুজ চায়ের খেতগুলির জন্য পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক শোভা যেন আরও শতগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

দূর হইতে সারি সারি চারাগুলি বড়ো সুন্দর বোধ হয়। — কীসের চারাকে বড়ো সুন্দর দেখায়?

দূর থেকে সবুজ রঙের চা গাছের সারিবদ্ধ চারাগুলিকে বড়ো সুন্দর দেখায়।

ইহার সৌন্দর্য বর্ণনাতীত। — কার সৌন্দর্যের কথা বলা হয়েছে?

হিমালয়ান রেলপথ ধরে কার্সিয়াং যাওয়ার সময় লেখিকা অনেকগুলি জলপ্রপাত দেখেছিলেন। তার সৌন্দর্যের কথা বলা হয়েছে।

ইহার সৌন্দর্য বর্ণনাতীত। — কোথা থেকে লেখিকা সেই সুন্দরকে দেখেছেন?

শিলিগুড়ি থেকে কার্সিয়াং যাওয়ার পথে ট্রেন থেকে লেখিকা বেগম রোকেয়া জলপ্রপাতের বর্ণনাতীত সৌন্দর্য দেখেছেন।

ইহারা কোথায় চলিয়াছে! — কখন লেখিকার মনে এরূপ চিন্তার উদয় হয়েছে?

কার্সিয়াং যাওয়ার পথে ট্রেন থেকে অনেকগুলি জলপ্রপাত দেখে লেখিকার মনে এরূপ চিন্তার উদয় হয়েছিল।

একথা সহসা বিশ্বাস হয় কি? – এখানে কোন্ কথা বিশ্বাস করার কথা বলা হয়েছে?

লেখিকার হিমালয়ান রেলপথে দেখা জলপ্রপাতগুলির কোনো একটি বিশাল গঙ্গানদীর উৎস – এ কথা সহসা বিশ্বাস হয় না।

একটি বড়ো ঝরনার নিকট ট্রেন থামিল। — ট্রেন থামার কারণ কী?

লেখিকা বেগম রোকেয়া হিমালয়ান রেলের যে ট্রেনটিতে চড়ে কার্সিয়াং যাচ্ছিলেন, একটি বড়ো ঝরনার কাছে জল পরিবর্তনের জন্য সেটি দাঁড়িয়েছিল।

ট্রেন থামিল। — প্রাথমিকভাবে লেখিকার ট্রেন থামার কারণ হিসেবে কী মনে হয়েছিল?

হিমালয় দর্শন রচনাংশে লেখিকার প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছিল যাত্রীসাধারণ যাতে প্রাণভরে ঝরনাটি দেখতে পায় সে কারণেই ট্রেনটি দাঁড়িয়েছে।

সেই জন্য বোধহয় গাড়ি থামিয়াছে। — কীজন্য গাড়ি থেমেছে বলে লেখিকা ভেবেছিলেন?

যাত্রীসাধারণ যাতে প্রাণভরে জলপ্রপাতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে সেজন্য রেলগাড়ি থেমেছিল বলে মনে করেছিলেন লেখিকা।

লেখিকা কোথায় ঢেঁকিশাকের কথা পড়েছিলেন?

মহিলা নামক পত্রিকায় লেখিকা ঢেঁকিশাকের কথা পড়েছিলেন।

ঢেঁকিশাক কেমন প্রকৃতির বলে লেখিকা জানতেন?

ঢেঁকিশাক ক্ষুদ্র গুল্ম প্রকৃতির বলেই লেখিকা জানতেন।

ভারী আনন্দ হইল। — কী দেখে লেখিকার আনন্দ হল?

কার্সিয়াং–এ লেখিকা তাঁর ভূতত্ত্বগ্রন্থে পড়া ঢেঁকিতরু দেখে খুব আনন্দ পেয়েছিলেন।

কেবল ভূ–তত্ত্ব (Geology) গ্রন্থে পাঠ করিয়াছিলাম — লেখিকা কী পাঠ করেছিলেন?

ভূতত্ত্ব গ্রন্থে লেখিকা পাঠ করেছিলেন যে, কার্বোনিফেরাস যুগে ঢেঁকি গুল্ম নয়, বড়ো ঢেঁকি গাছের অস্তিত্ব ছিল।

ঢেঁকিতরুর উচ্চতা কত?

লেখিকা তাঁর হিমালয় দর্শন প্রবন্ধে কার্সিয়াং–এ দেখা 20-25 ফুট উঁচু ঢেঁকি গাছের কথা বলেছেন।

তাই নির্ভয়ে বেড়াইতে পারি – লেখিকা কেন নির্ভয়ে বেড়াতে পারার কথা বলেছেন?

পার্বত্য অঞ্চলের নিবিড় জঙ্গলে বাঘ না থাকায় লেখিকা নির্ভয়ে বেড়াতে পারতেন।

নির্জন বনমধ্যে লেখিকা কী দেখতে পেয়েছিলেন?

নির্জন বনমধ্যে লেখিকা শুঁয়ো জোঁক দেখতে পেয়েছিলেন।

এদেশের স্ত্রীলোকেরা জোঁক দেখিলে ভয় পায় না। – এদেশ বলতে কোন্ দেশকে বোঝানো হয়েছে?

এদেশ বলতে হিমালয়ান পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত কার্সিয়াং অঞ্চলকে বুঝিয়েছেন লেখিকা।

লেখিকাদের ভুটিয়া চাকরানির নাম কী?

লেখিকাদের ভুটিয়া চাকরানির নাম ছিল ভালু।

ভুটিয়ানিদের ঘাঘরার বিশেষত্ব কী ছিল?

ভুটিয়ানিরা সাত গজ লম্বা কাপড় ঘাঘরার মতো করে পরে এবং তাদের কোমরে একখানি বস্ত্রখণ্ড জড়ানো থাকে।

সেই পথে অবলীলাক্রমে উঠে। — কোন্ পথের কথা বলা হয়েছে?

পার্বত্য অঞ্চলের প্রস্তরময় বন্ধুর চড়াই পথ, যা দেখে সমতলবাসীরা শঙ্কিত হয়, সেই পথের কথা বলা হয়েছে।

রমণীজাতি দুর্বল বলে তাঁদের আর-এক নাম কী?

মহিলা পত্রিকার সম্পাদকের লেখা অনুযায়ী, রমণীজাতি দুর্বল বলে তাঁদের আর-এক নাম অবলা।

মহিলা পত্রিকার সম্পাদক মেয়েদের সম্পর্কে একবার কী লিখেছিলেন?

মহিলা পত্রিকার সম্পাদক মেয়েদের সম্পর্কে একবার লিখেছিলেন যে, রমণীজাতি দুর্বল বলে তাদের নাম অবলা।

ভুটিয়ানিরাও ঐ অবলা জাতির অন্তর্গত না কি? — কাদের অবলা জাতি বলা হয়?

মহিলাদের অবলা জাতি বলা হয়।

ভুটিয়ানিরা কীভাবে পেটের ভাত জোগাড় করে?

পুরুষদের থেকে অর্থসাহায্যের আশা না করে, পার্বত্য পথে পাথর বয়ে উপার্জনের মাধ্যমে পেটের ভাত জোগাড় করে ভুটিয়ানিরা।

পুরুষেরা বেশি বোঝা বহন করে না। — কোন্ পুরুষদের কথা বলা হয়েছে?

আলোচ্য উদ্ধৃতাংশে ভুটিয়া পুরুষদের কথা বলা হয়েছে, যারা মহিলাদের বয়ে আনা পাথর বিছিয়ে রাস্তা বানায়।

যেন ইহাদের মতে নীচেকা আদমিই অসভ্য! — কাদের মতে নীচেকা আদমি অসভ্য?

পাহাড়বাসী ভুটিয়ানিদের মতে, নীচেকা আদমি অর্থাৎ সমতলবাসীরা অসভ্য।

ইহারা ক্রমশ সদ্‌গুণরাজি হারাইতেছে। — কাদের, কোন্ সদ্‌গুণরাজির কথা এখানে বলা হয়েছে?

আলোচ্য উদ্ধৃতাংশে ভুটিয়ানি রমণীদের পরিশ্রমী, কর্মপ্রিয়, সাহসী, সত্যবাদী প্রভৃতি সদ্‌গুণের কথা বলা হয়েছে।


আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের তৃতীয় পাঠের প্রথম অধ্যায়, ‘হিমালয় দর্শন’ -এর কিছু অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নোত্তরগুলো নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে এসেছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

নবম শ্রেণী ইতিহাস - প্রাককথন: ইউরোপ ও আধুনিক যুগ

নবম শ্রেণী ইতিহাস – প্রাককথন: ইউরোপ ও আধুনিক যুগ

নবম শ্রেণী ইতিহাস - বিপ্লবী আদর্শ,নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ - বিষয়সংক্ষেপ

নবম শ্রেণী ইতিহাস – বিপ্লবী আদর্শ, নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ – বিষয়সংক্ষেপ

নবম শ্রেণী ইতিহাস - বিপ্লবী আদর্শ, নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ - অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

নবম শ্রেণী ইতিহাস – বিপ্লবী আদর্শ, নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

About The Author

Souvick

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

আলোর বিক্ষেপণ কাকে বলে? দিনের বেলায় আকাশকে নীল দেখায় কেন?

আলোর বিচ্ছুরণ ও আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে? আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণের মধ্যে পার্থক্য

আলোক কেন্দ্র কাকে বলে? আলোক কেন্দ্রের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে? উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্সের মধ্যে পার্থক্য

একটি অচল পয়সার আত্মকথা – প্রবন্ধ রচনা