এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “গঠনগত পার্থক্যের ভিত্তিতে নিউরোনের শ্রেণিবিন্যাস করো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় “জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়” -এর “প্রাণীদের সাড়াপ্রদান ও ভৌত সমন্বয়-স্নায়ুতন্ত্র” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

গঠনগত পার্থক্যের ভিত্তিতে নিউরোনের শ্রেণিবিন্যাস করো।
নিউরোনের গঠনগত প্রকারভেদ –
কোশদেহ থেকে উৎপন্ন প্রবর্ধকের সংখ্যা অনুযায়ী নিউরোন বিভিন্ন প্রকারের হয় –
- মেরুবিহীন (Apolar) – কোশদেহে যখন কোনো প্রবর্ধক থাকে না, তখন তাকে মেরুবিহীন নিউরোন বলে।
- একমেরুবর্তী নিউরোন (Unipolar) – কোশদেহে যখন একটি প্রবর্ধক বা অ্যাক্সন থাকে তখন তাকে একমেরুবর্তী নিউরোন বলে।
- দ্বিমেরুবর্তী নিউরোন (Bipolar) – কোশদেহের দু-দিকে যখন দুটি প্রবর্ধক থাকে, অর্থাৎ একটি অ্যাক্সন এবং একটি ডেনড্রন থাকে, তখন তাকে দ্বি মেরুবর্তী নিউরোন বলে।
- বহুমেরুবর্তী নিউরোন (Multipolar) – কোশদেহে যখন একাধিক প্রবর্ধক অর্থাৎ একটিমাত্র অ্যাক্সন ও অসংখ্য ডেনড্রন থাকে, তখন তাকে বহুমেরুবর্তী নিউরোন বলে।
- ছদ্ম একমেরুবর্তী নিউরোন (Pseudounipolar) – প্রথম অবস্থায় কোশদেহে থাকা দুটি প্রবর্ধক একত্রিত হয়ে একটি প্রবর্ধকে পরিণত হলে তখন তাকে ছদ্ম একমেরুবর্তী নিউরোন বলে।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “গঠনগত পার্থক্যের ভিত্তিতে নিউরোনের শ্রেণিবিন্যাস করো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় “জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়” -এর “প্রাণীদের সাড়াপ্রদান ও ভৌত সমন্বয়-স্নায়ুতন্ত্র” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment