এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “ইউক্রোমাটিন এবং হেটেরোক্রোমাটিন কাকে বলে? ইউক্রোমাটিন এবং হেটেরোক্রোমাটিনের মধ্যে পার্থক্য লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “কোশ বিভাজন এবং কোশচক্র” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ইউক্রোমাটিন এবং হেটেরোক্রোমাটিন কাকে বলে?
ইউক্রোমাটিন – কোশচক্রের ইন্টারফেজে অপেক্ষাকৃত প্রসারিত কিন্তু বিভাজন দশায় কুণ্ডলীকৃত এবং গাঢ়ভাবে রঞ্জিত, সক্রিয় জিনসমন্বিত ও ক্রসিং ওভারে অংশগ্রহণকারী ক্রোমাটিনকে ইউক্রোমাটিন বলে।
ইউক্রোমাটিনের একটি উল্ল্যেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল – এটি ক্রসিং ওভারে অংশগ্রহণ করে ও প্রকরণের সৃষ্টি করে।
হেটেরোক্রোমাটিন – কোশচক্রের ইন্টারফেজ ও বিভাজন দশায় কুণ্ডলীকৃত অবস্থায় বর্তমান গাঢ় বর্ণ গ্রহণকারী নিষ্ক্রিয় ক্রোমাটিনকে হেটেরোক্রোমাটিন বলে।
এটি ক্রসিং ওভারে অংশগ্রহণ করে না, ফলে প্রকরণ সৃষ্টি করে না।
ইউক্রোমাটিন এবং হেটেরোক্রোমাটিনের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
ইউক্রোমাটিন এবং হেটেরোক্রোমাটিনের মধ্যে পার্থক্য –
| ইউক্রোমাটিন | হেটেরোক্রোমাটিন |
| ক্রোমোজোম বা ক্রোমাটিনের যে অংশ ইন্টারফেজ দশায় সূক্ষ্ম, প্রসারিত এবং বিভাজন দশায় ঘনীভূত বা কুণ্ডলিত হয় সেই অংশ হল ইউক্রোমাটিন। | ক্রোমোজোম বা ক্রোমাটিনের যে অংশ কোশচক্রের সমস্ত দশাতেই ঘনীভূত বা কুণ্ডলিত থাকে সেই অংশ হল হেটেরোক্রোমাটিন। |
| ইন্টারফেজ দশায় হালকা ও বিভাজন দশায় গাঢ়ভাবে রঞ্জিত হয়। | ইন্টারফেজ ও বিভাজন উভয় দশায় গাঢ়ভাবে রঞ্জিত হয়। |
| ইউক্রোমাটিন ক্রসিং ওভারে অংশগ্রহণ করে এবং প্রকরণের সৃষ্টি করে। | হেটেরোক্রোমাটিন অংশে ক্রসিং ওভার হয় না তাই প্রকরণ সৃষ্টি করে না। |
| এটি সক্রিয় জিন বহন করে। | এটি নিষ্ক্রিয় জিন বহন করে। |
| এর ব্যাস 50-80 mm। | এর ব্যাস 200 mm। |
| mRNA তৈরির মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যকরী প্রোটিন সংশ্লেষে অংশ নেয়। | mRNA সংশ্লেষ করে না, ফলে কার্যকরী প্রোটিন সংশ্লেষে কোনো ভূমিকা নেই। |
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “ইউক্রোমাটিন এবং হেটেরোক্রোমাটিন কাকে বলে? ইউক্রোমাটিন এবং হেটেরোক্রোমাটিনের মধ্যে পার্থক্য লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “কোশ বিভাজন এবং কোশচক্র অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment