এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “উদ্ভিদদেহে জোড়কলমের সাহায্যে কীভাবে কৃত্রিম অঙ্গজ বংশবিস্তার সংঘটিত হয়?” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

উদ্ভিদদেহে জোড়কলমের সাহায্যে কীভাবে কৃত্রিম অঙ্গজ বংশবিস্তার সংঘটিত হয়?
জোড়কলম পদ্ধতি –
সাধারণত গৌণ বৃদ্ধি সম্পন্নকারী দ্বিবীজপত্রী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ফুল ও ফল উৎপাদনকারী উদ্ভিদগুলির উৎকৃষ্ট প্রজাতি তৈরিতে জোড়কলম ব্যবহার করা হয়। জোড়কলম পদ্ধতির ধাপগুলি হল –
- প্রথমে লম্বায় বড়ো উৎকৃষ্ট শ্রেণির একটি জনিতৃ উদ্ভিদ নির্বাচন করা হয়, একে সিয়ন বলে। সিয়নের একটি ছোটো শাখা কেটে নেওয়া হয়।
- অন্যদিকে একই প্রজাতির অন্য একটি ছোটো মূলসহ উদ্ভিদ বা টবের গাছের অংশকে ভাজক কলার স্তর পর্যন্ত ইংরেজি ‘V’ বা ‘W’ আকৃতিতে কাটা হয়, একে স্টক বলে।
- এরপর সিয়ন ও স্টক অংশকে জোড় লাগানো হয় এবং জোড়স্থান দড়ি বা খড়ের সাহায্যে বেঁধে দেওয়া হয়।
- সিয়ন ও স্টকের মধ্যে কলাসংযোগ স্থাপিত হলে বাঁধন খোলা হয়।
- এইভাবে উৎপন্ন নতুন অপত্য উদ্ভিদ গুণমানে সিয়নের মতো হয়।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “উদ্ভিদদেহে জোড়কলমের সাহায্যে কীভাবে কৃত্রিম অঙ্গজ বংশবিস্তার সংঘটিত হয়?” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment