এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “অণুবিস্তারণ বা মাইক্রোপ্রোপাগেশন পদ্ধতির পর্যায়গুলি বিবৃত করো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

অণুবিস্তারণ বা মাইক্রোপ্রোপাগেশন পদ্ধতির পর্যায়গুলি বিবৃত করো।
অণুবিস্তারণ পদ্ধতি – অণুবিস্তারণ পদ্ধতির ধাপগুলি নিম্নরূপ –
- উন্নত মাতৃ উদ্ভিদের নির্বাচন এবং তার নির্বীজকরণ – সুস্থ, সবল, রোগমুক্ত এবং সতেজ উদ্ভিদকে প্রথমে নির্বাচিত করে বিশেষ রাসায়নিক দ্রবণে তার নির্বীজকরণ করা হয়।
- কলাপালন মাধ্যমে কাণ্ডের বৃদ্ধি – মাতৃ উদ্ভিদের নির্বাচিত অংশকে কলাপালন মাধ্যমে রেখে তাতে অক্সিন, সাইটোকাইনিন ইত্যাদি হরমোন ও কিছু পরিপোষক যোগ করে নতুন কাণ্ডের সৃষ্টি করা হয়।
- কলাপালন মাধ্যমে নির্বীজিত উদ্ভিদের স্থানান্তর – নির্বীজিত উদ্ভিদের কাণ্ডের শীর্ষভাগকে কেটে এক্সপ্ল্যান্ট (Explant) তৈরি করা হয়। কলাপালন মাধ্যমে এক্সপ্ল্যান্টের বৃদ্ধি ঘটিয়ে ক্যালাস তৈরি করা হয়।
- মূল সৃষ্টিকারী কলাপালন মাধ্যমে নতুন সৃষ্ট কাণ্ডের স্থানান্তরণ – উপযুক্ত কলাপালন মাধ্যমে নতুন সৃষ্ট কাণ্ডকে রাখলে নতুন সৃষ্ট কাণ্ডে মূলের উৎপত্তি ঘটে। অর্থাৎ, নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়।
- নতুন তৈরি উদ্ভিদের রোপণ – কম্পোস্ট সারযুক্ত মাটিতে নতুন তৈরি উদ্ভিদকে রোপণ করা হয়। এই নতুন তৈরি উদ্ভিদ বা চারাগাছের বৃদ্ধি সম্পূর্ণ হলে তাকে কৃষিক্ষেত্রে বসানো হয়।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “অণুবিস্তারণ বা মাইক্রোপ্রোপাগেশন পদ্ধতির পর্যায়গুলি বিবৃত করো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।”





মন্তব্য করুন