এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “জনুক্রম কাকে বলে? একটি উদাহরণের দ্বারা বুঝিয়ে দাও। অথবা, জনুক্রম কাকে বলে? ফার্নের জনুক্রম একটি শব্দচিত্রের মাধ্যমে লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

জনুক্রম কাকে বলে?
জনুক্রম (Alternation of Generations) – জীবের জীবনচক্রে রেণুধর দশা বা ডিপ্লয়েড দশা (2n) এবং লিঙ্গধর দশা বা হ্যাপ্লয়েড দশা (n)-এর পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকে জনুক্রম বলে।

ফার্নের জনুক্রমের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা –
ফার্ন যেমন – Dryopteris (ড্রায়োপটেরিস)-এর ক্ষেত্রে মূল উদ্ভিদদেহ রেণুধর অর্থাৎ ডিপ্লয়েড (2n) এবং এরা স্বভোজী। রেণুধর উদ্ভিদের রেণুস্থলীতে রেণুমাতৃকোশ (2n) সৃষ্টি হয়। রেণুমাতৃকোশ থেকে মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে রেণু (n) উৎপন্ন হয়। রেণুস্থলী বিদীর্ণ হলে রেণুস্থলী থেকে রেণু (n) নির্গত হয়। রেণুস্থলী থেকে নির্গত রেণু অনুকূল পরিবেশে অঙ্কুরিত হয়ে প্রোথ্যালাস নামক লিঙ্গধর (n) দশার উদ্ভিদে পরিণত হয়। প্রোথ্যালাসে পুংধানী (antheridium) ও স্ত্রীধানী (archegonium) সৃষ্টি হয়। পুংধানী ও স্ত্রীধানীতে মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় যথাক্রমে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়। পুংধানী ও স্ত্রীধানী থেকে নির্গত জননকোশের মিলন ঘটে, ফলে জাইগোট (2n) সৃষ্টি হয়। এই জাইগোট (2n) বিভাজিত ও বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে পুনরায় রেণুধর উদ্ভিদ সৃষ্টি করে।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “জনুক্রম কাকে বলে? একটি উদাহরণের দ্বারা বুঝিয়ে দাও। অথবা, জনুক্রম কাকে বলে? ফার্নের জনুক্রম একটি শব্দচিত্রের মাধ্যমে লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা”-এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment