অষ্টম শ্রেণি বাংলা – আদাব – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের সপ্তম পাঠের অন্তর্গত ‘আদাব’-এর কিছু ‘অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

আদাব - অষ্টম শ্রেণী - বাংলা - অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
Contents Show

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

দাঙ্গা বেধেছে হিন্দু আর – (শিখ-এ / মুসলমান-এ / বৌদ্ধ-এ)।

উত্তর – মুসলমান-এ।

কিছুই বোঝা যায় না। ‘আল্লাহু আকবর’ না (জয় হিন্দ / জয় বজরঙ্গী / বন্দেমাতরম্)।

উত্তর – বন্দেমাতরম্।

মাঝির মন আবার দুলে উঠল – (আবেগে / ভালোবাসায় / সন্দেহে)।

উত্তর – সন্দেহে।

মুহূর্তগুলি কাটে যেন মৃত্যুর – (প্রতীক্ষার মতো / আশঙ্কার মতো / কাতরতার মতো)।

উত্তর – প্রতীক্ষার মতো।

হঠাৎ বজ্রপাতের মতো নেমে এলো – (মৃত্যু / দাঙ্গা / মহামারি)।

উত্তর – দাঙ্গা।

তখন দানা জুটাইব কোন্ – (মামা / কাকা / সুমুন্দি)।

উত্তর – সুমুন্দি।

মাঝি তাড়াতাড়ি পুঁটলিটাকে – (আড়াল করে / লুকিয়ে ফেলে / বগলদাবা করে)।

উত্তর – বগলদাবা করে।

নৌকা না পাই সাঁতরাইয়া পার হমু – (গঙ্গা / পদ্মা / বুড়িগঙ্গা) নদী।

উত্তর – বুড়িগঙ্গা।

শূন্যস্থান পূরণ করো

শহরে ___ ধারা আর ___ অর্ডার জারি হয়েছে।

উত্তর – শহরে 144 ধারা আর কারফিউ অর্ডার জারি হয়েছে।

তার উপর এসে ঝাঁপিয়ে পড়েছে ___।

উত্তর – তার উপর এসে ঝাঁপিয়ে পড়েছে সৈন্যবাহী গাড়ি

সুতাকলের মজুর আর ___ দুজনেই ___ হয়ে একটু নড়েচড়ে ওঠে।

উত্তর – সুতাকলের মজুর আর নাওয়ের মাঝি দুজনেই সন্ত্রস্ত হয়ে একটু নড়েচড়ে ওঠে।

___ ভুলে রাগে-দুঃখে মাঝি প্রায় চেঁচিয়ে ওঠে।

উত্তর – স্থান-কাল ভুলে রাগে-দুঃখে মাঝি প্রায় চেঁচিয়ে ওঠে।

একটা হালকা বাতাস এসে যেন ___ নিভিয়ে দিল কাঠিটা।

উত্তর – একটা হালকা বাতাস এসে যেন ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে দিল কাঠিটা।

তোমাগো দু’গা লোক মরবে, আমাগো দু’গা মরবে। তাতে ___ কী উপকার হইব?

উত্তর – তোমাগো দু’গা লোক মরবে, আমাগো দু’গা মরবে। তাতে দ্যাশের কী উপকার হইব?

গলিটার যে মুখটা দক্ষিণ দিয়ে চলে গেছে সেদিকে ___ করল মাঝি।

উত্তর – গলিটার যে মুখটা দক্ষিণ দিয়ে চলে গেছে সেদিকে পথনির্দেশ করল মাঝি।

মাঝি বলে, এইটা ___ আস্তানা আর ইসলামপুর হইল ___।

উত্তর – মাঝি বলে, এইটা হিন্দুগো আস্তানা আর ইসলামপুর হইল মুসলমানগো

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সমরেশ বসুর ছদ্মনাম কী?

সমরেশ বসুর ছদ্মনাম ‘কালকূট’।

সমরেশ বসুর লেখা দুটি উপন্যাসের নাম লেখো।

তাঁর লেখা দুটি উপন্যাসের নাম ‘গঙ্গা’ ও ‘মহাকালের রথের ঘোড়া’।

কোন্ সময়পর্বের কথা গল্পে রয়েছে?

গল্পে বর্ণিত সময়কালটি হল প্রাক্-স্বাধীনতা পর্ব, অর্থাৎ 1946-1947 খ্রিস্টাব্দের বিশেষ সময়পর্ব।

‘ডাস্টবিনের দুই পাশে দুটি প্রাণী’ – প্রাণীদুটির পরিচয় দাও।

প্রাণীদুটির পরিচয় হল— একজন নাওয়ের মাঝি এবং অন্যজন সুতাকলের মজুর।

‘ওইটার মধ্যে কী আছে?’ – বক্তা কীসের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন?

বক্তা এখানে সুতামজুর। তিনি যে জিনিসটির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, সেটি হল মাঝির বগলে চেপে ধরা একটা পুঁটলি।

গল্পে কোন্ নদীর প্রসঙ্গ রয়েছে?

গল্পে বুড়িগঙ্গা নদীর প্রসঙ্গ রয়েছে।

‘সুতা-মজুরের ঠোঁটের কোণে একটু হাসি ফুটে উঠল’ – তার এই হাসির কারণ কী?

তার এই হাসির কারণ হল, সে ভেবেছিল ঘরে ফিরলে সোহাগে আর কান্নায় তার বিবি ভেঙে পড়বে মিয়াসাহেবের বুকে; বলবে – ‘মরণের মুখ থেইকা তুমি বাঁইচা আইছ?’

‘তা ছাড়া চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়েছে’ – কারা ছড়িয়ে পড়ে কী করছে?

গুপ্তঘাতকের দল চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে অন্ধকারকে আশ্রয় করে চোরাগোপ্তা হামলা হানছে।

‘হঠাৎ ডাস্টবিনটা একটু নড়ে উঠল।’ – এরপর কী ঘটল?

গলি থেকে এসে যে লোকটি ডাস্টবিনের আড়ালে আশ্রয় নিয়েছিল, হঠাৎ শিরশিরিয়ে উঠল তার দেহের সমস্ত শিরা-উপশিরা। দাঁতে দাঁত চেপে, হাত-পাগুলোকে কঠিন করে ভীষণ কিছুর জন্য সে প্রতীক্ষা করে রইল।

‘মাঝির মন আবার সন্দেহে দুলে উঠল।’ – প্রসঙ্গক্রমে মাঝির ভাবনা কী?

মাঝি ভাবল যে, লোকটার কোনো বদ মতলব নেই তো!

‘লোকটার জেদ দেখে সুতামজুরের গলায়ও ফুটে উঠল সন্দেহ।’ – এরপর সে কী বলেছিল?

সে বলেছিল – “তোমার মতলবডা তো ভালো মনে হইতেছে না। কোন জাতির লোক তুমি কইলা না, শেষে তোমাগো দলবল যদি ডাইকা লইয়া আহ আমারে মারণের লেইগা?”

নাওয়ের মাঝির পুঁটলিটার মধ্যে কী ছিল?

নাওয়ের মাঝির পুঁটলিতে ছিল ইদের পরব উপলক্ষ্যে কেনা ছেলেমেয়ের জন্য দুটো জামা আর বিবির জন্য একখানা শাড়ি।

গেল সনের রায়টের ফলে সুতামজুরের জীবনে কী ঘটেছিল?

গেল সনের রায়টে কারা যেন সুতামজুরের ভগ্নীপতিকে চার টুকরো করে মেরেছিল। তার ফলে বোন হয়েছিল বিধবা আর তার ছেলেমেয়েদের দায়িত্ব সুতামজুরের ঘাড়ের উপর এসে পড়েছিল।

বাঁ-পাশের মেথর যাতায়াতের সরু গলির মধ্যে দুই বিপন্ন মানুষ লুকিয়ে থাকাকালে কী হয়েছিল?

একটু পরেই এক ইংরেজ অশ্বারোহী রিভলবার হাতে তীব্র বেগে বেরিয়ে গিয়ে তাদের বুকের মধ্যেও অশ্বক্ষুরধ্বনি তুলে দিয়েছিল।

মরার আগে মাঝি সুতামজুরের উদ্দেশে কী বলেছিল?

মাঝি কাতরকণ্ঠে বলেছিল যে সে পারল না। তার বিবি, ছেলেরা পরবের দিন চোখের জলে ভাসবে, শত্রুরা তাকে তাদের কাছে যেতে দিল না।

ব্যাকরণ

নীচের বাক্যগুলি থেকে অব্যয় পদ খুঁজে নিয়ে কোনটি কোন্ শ্রেণির অব্যয় তা নির্দেশ করো –

  1. শহরে 144 ধারা আর কারফিউ অর্ডার জারি হয়েছে।
  2. তারা গুলি ছুঁড়ছে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে আইন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে।
  3. উভয়েই একটা আক্রমণের প্রতীক্ষা করতে থাকে, কিন্তু খানিকক্ষণ অপেক্ষা করেও কোনো পক্ষ থেকেই আক্রমণ এল না।
  4. তোমার মতলবডা তো ভালো মনে হইতেছে না।
  5. মাঝি এমনভাবে কথা বলে যেন সে তার কোনো আত্মীয়বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছে।
অব্যয়অব্যয়ের শ্রেণিবিভাগ
আরসংযোজক অব্যয়
সংযোজক অব্যয়
কিন্তুসংযোজক অব্যয়
তোআলংকারিক অব্যয়
যেনসংশয়সূচক অব্যয়

নীচের বাক্যগুলি থেকে সন্ধিবদ্ধ পদ খুঁজে নিয়ে তাদের সন্ধিবিচ্ছেদ করো –

  1. তা ছাড়া চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়েছে গুপ্তঘাতকের দল।
  2. মৃত্যু-বিভীষিকাময় এই অন্ধকার রাত্রি তাদের উল্লাসকে তীব্রতর করে তুলেছে।
  3. নির্জীবের মতো পড়ে রইল খানিকক্ষণ।
  4. দাঁতে দাঁত চেপে হাত পা-গুলোকে কঠিন করে লোকটা প্রতীক্ষা করে রইল একটা ভীষণ কিছুর জন্য।
  5. সমস্ত অঞ্চলটার নৈশ নিস্তব্ধতাকে কাঁপিয়ে দুবার গর্জে উঠল অফিসারের আগ্নেয়াস্ত্র।
সন্ধিবদ্ধ শব্দসন্ধি বিচ্ছেদ
চতুর্দিকেচতুঃ + দিকে
উল্লাসকেউৎ + লাস + কে
নির্জীবেরনিঃ + জীব + এর
প্রতীক্ষাপ্রতি + ঈক্ষা
আগ্নেয়াস্ত্রআগ্নেয় + অস্ত্র

ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখো –
(চোরাগোপ্তা, পথনির্দেশ, নির্জীব, দীর্ঘনিশ্বাস, পোলামাইয়া)

সমাসবদ্ধ পদব্যাসবাক্যসমাসের শ্রেণি
চোরাগোপ্তাচোরা অথচ গোপ্তা / চোরা ও গোপ্তাকর্মধারয় / দ্বন্দ্ব সমাস
পথনির্দেশপথের নির্দেশসম্বন্ধ তৎপুরুষ
নির্জীবনাই (নিঃ) জীবন যারনঞ বহুব্রীহি
দীর্ঘনিশ্বাসদীর্ঘ যে নিশ্বাসকর্মধারয়
পোলামাইয়াপোলা ও মাইয়াদ্বন্দ্ব সমাস

নিম্নরেখাঙ্কিত অংশের কারক-বিভক্তি নির্দেশ করো –

  1. দু-দিক থেকে দুটো গলি এসে মিশেছে এ জায়গায়।
  2. সন্দেহের দোলায় তাদের মন দুলছে।
  3. নিষ্ফল ক্রোধে মাঝি দু-হাত দিয়ে হাঁটু দুটোকে জড়িয়ে ধরে।
  4. আমাগো কথা ভাবে কেডা?
  5. মুহূর্তগুলি কাটে রুদ্ধ নিশ্বাসে।
শব্দকারক ও বিভক্তি
জায়গায়অধিকরণ কারকে ‘য়’ বিভক্তি
সন্দেহেরসম্বন্ধ পদে ‘এর’ বিভক্তি
ক্রোধেকরণ কারকে (বা হেত্বর্থে) ‘এ’ বিভক্তি
আমাগোসম্বন্ধ পদে ‘গো’ বিভক্তি
কেডাকর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি
রুদ্ধ নিশ্বাসেকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি

নীচের শব্দগুলিতে ধ্বনি পরিবর্তনের কোন্ কোন্ নিয়ম কাজ করেছে লেখো –
(হেইপারে, নারাইনগঞ্জ, ডাইকা, আঙুল, চান্দ)

শব্দধ্বনিতাত্ত্বিক পরিবর্তনধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম
হেইপারেসেইপারে > হেইপারেব্যঞ্জনবিকার বা ধ্বনিবিকার
নারাইনগঞ্জনারায়ণগঞ্জ > নারাইনগঞ্জঅপিনিহিতি / স্বরাগম
ডাইকাডাকিয়া > ডাইকাঅপিনিহিতি
আঙুলআঙ্গুল > আঙুলব্যঞ্জনলোপ (নাসিক্যীভবন)
চান্দচন্দ্র > চন্দ > চান্দসমিভবন ও ক্ষতিপূরক দীর্ঘীভবন

নির্দেশ অনুযায়ী বাক্য পরিবর্তন করো –

রাত্রির নিস্তব্ধতাকে কাঁপিয়ে দিয়ে মিলিটারি টহলদার গাড়িটা একবার ভিক্টোরিয়া পার্কের পাশ দিয়ে একটা পাক খেয়ে গেল। (জটিল বাক্যে)

উত্তর – রাত্রির যে নিস্তব্ধতা, তাকে মিলিটারি টহলদার গাড়িটা কাঁপিয়ে একবার ভিক্টোরিয়া পার্কের পাশ দিয়ে একটা পাক খেয়ে গেল।

খানিকক্ষণ চুপচাপ। (না-সূচক বাক্যে)

উত্তর – খানিকক্ষণ কোনো শব্দ নেই।

পরিচয়কে স্বীকার করতে উভয়েই নারাজ। (প্রশ্নবোধক বাক্যে)

উত্তর – পরিচয়কে স্বীকার করতে উভয়েই কি নারাজ নয়?

শোরগোলটা মিলিয়ে গেল দূরে। (যৌগিক বাক্যে)

উত্তর – শোরগোলটা উঠল এবং দূরে মিলিয়ে গেল।

মাঝি বলল, চল যেদিকে হউক। (পরোক্ষ উক্তিতে)

উত্তর – মাঝি যেদিকে হউক, যেতে নির্দেশ করল।

ক্রিয়ার কাল নির্দেশ করো –

  1. কান পেতে রইল দূরের অপরিস্ফুট কলরবের দিকে।
  2. সন্দেহের দোলায় তাদের মন দুলছে।
  3. ধারে-কাছেই য্যান লাগছে।
  4. অশান্ত চঞ্চল ঘোড়া কেবলি পা ঠুকছে মাটিতে।
  5. বাদামতলির ঘাটে কোন অতলে ডুবাইয়া দিছে তারে।
বাক্যক্রিয়ার কাল
কান পেতে রইল দূরের অপরিস্ফুট কলরবের দিকে।সাধারণ অতীত কাল
সন্দেহের দোলায় তাদের মন দুলছে।ঘটমান বর্তমান কাল
ধারে-কাছেই য্যান লাগছে।ঘটমান বর্তমান কাল
অশান্ত চঞ্চল ঘোড়া কেবলি পা ঠুকছে মাটিতে।ঘটমান বর্তমান কাল
বাদামতলির ঘাটে কোন অতলে ডুবাইয়া দিছে তারে।পুরাঘটিত বর্তমান কাল

নীচের শব্দগুলির শ্রেণিবিভাগ করো –
(মজুর, লীগওয়ালো, পুলিশ, নসিব, রাত্রি)

শব্দশ্রেণিবিভাগ
মজুরবিদেশি (ফারসি)
লীগওয়ালোমিশ্র বা সংকর শব্দ (ইংরেজি + হিন্দি / ফারসি প্রত্যয়)
পুলিশবিদেশি (ইংরেজি)
নসিববিদেশি (আরবি / ফারসি)
রাত্রিতৎসম শব্দ

এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের সপ্তম পাঠের অন্তর্গত ‘আদাব’-এর কিছু ‘অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করলাম। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিদ্যালয়ের বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

আশা করি, এই আর্টিকেলটি তোমাদের উপকারে এসেছে। যদি তোমাদের কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারো। তোমাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

নির্মিতি ব্যাকরণ - এক শব্দের একাধিক অর্থে প্রয়োগ - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – নির্মিতি ব্যাকরণ – এক শব্দের একাধিক অর্থে প্রয়োগ

নির্মিতি ব্যাকরণ - বাংলা প্রবাদ - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা

অষ্টম শ্রেণি – বাংলা – নির্মিতি ব্যাকরণ – বাংলা প্রবাদ

অষ্টম শ্রেণি বাংলা - ছোটোদের পথের পাঁচালী - সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ছোটোদের পথের পাঁচালী – সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

About The Author

Souvick

Tags

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

বায়ুদূষণ কাকে বলে? বায়ুদূষণের ক্ষতিকারক প্রভাবগুলি লেখো।

অ্যাজমা বা হাঁপানি কী? অ্যাজমা রোগের সৃষ্টিতে পরিবেশগত ভূমিকাগুলি উল্লেখ করো।

ব্রংকাইটিস কী? ব্রংকাইটিস রোগের সৃষ্টিতে পরিবেশের ভূমিকা উল্লেখ করো।

ক্যানসার রোগের জন্য দায়ী পরিবেশগত কারণগুলি সম্পর্কে লেখো।

জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে দূষণের সম্পর্ক লেখো।