এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। প্রশ্নটি হলো— “‘করুণাময়ী বনদেবীরা বনের তুচ্ছ ফুল-ফল মধুতে ভরাইয়া রাখেন।’ – উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।” এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘করুণাময়ী বনদেবীরা বনের তুচ্ছ ফুল-ফল মধুতে ভরাইয়া রাখেন।’ – উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।
প্রশ্নোক্ত অংশটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ছোটোদের পথের পাঁচালী’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
অপু ও দুর্গা একদিন পানফল সংগ্রহ করতে গড়ের পুকুরে যায়। তখন পুকুরধারে ঝোপের মধ্যে শেওড়ার পাকা ফল তুলে ভাই-বোন তা আস্বাদন করে। যত তুচ্ছই তা হোক না কেন-সেটাই ছিল তাদের কাছে পরম তৃপ্তির, পরম আদরের। তারা অত্যন্ত দরিদ্র, জন্মের পর থেকে ভালো জিনিস কখনও তারা খায়নি কিন্তু পৃথিবীতে তারা নতুন বলে পৃথিবীর রূপ-রস-মিষ্টত্বের স্বাদ পেতে তাদের রসনা লালায়িত সর্বক্ষণ। সন্দেশ-মিঠাই খেয়ে রসনার তৃপ্তিসাধন করা এদের পক্ষে সম্ভব নয়-কারণ মানুষের পৃথিবীতে তা পাওয়ার সামর্থ্য নেই তাদের। কিন্তু তার অকৃপণ দানে পৃথিবীকে সাজিয়ে তোলেন, তার কাছে ধনী বা দরিদ্রের সন্তানের জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা থাকে না। তাই প্রকৃতির কাছ থেকে সামান্য দান এই শিশুদের জন্য অনেক বলে মনে হয়, সেই দানেই দরিদ্র এই সন্তানেরা তৃপ্তিলাভ করে থাকে আর বনদেবীরা তাদের জন্যই তুচ্ছ ফলেও যেন মধুময় রসসঞ্চার করে দেন।
চকচকে দ্রব্যটি এমনভাবেই অপু-দুর্গা ও তাদের মা-বাবার মনে চঞ্চলতা সৃষ্টি করেছিল।
আরও পড়ুন – ‘হঠাৎ চারিদিক অন্ধকার করিয়া কালবৈশাখীর ঝড় উঠিল।’ – পাঠ্য গল্প অনুসারে কালবৈশাখীর পরিচয় দাও।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘করুণাময়ী বনদেবীরা বনের তুচ্ছ ফুল-ফল মধুতে ভরাইয়া রাখেন।’ – উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment