এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘সান্যাল মহাশয় দেশভ্রমণ-বাতিকগ্রস্ত ছিলেন।’ — তাঁর দেশভ্রমণের বিষয়ে যা যা জানো নিজের ভাষায় লেখো।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘সান্যাল মহাশয় দেশভ্রমণ-বাতিকগ্রস্ত ছিলেন।’ — তাঁর দেশভ্রমণের বিষয়ে যা যা জানো নিজের ভাষায় লেখো।
‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের প্রসন্ন গুরুমহাশয়ের পাঠশালায় যাঁরা গল্প করতে আসতেন, সান্যাল মহাশয় তাঁদের মধ্যে ছিলেন অন্যতম। তাঁর পুরো নাম রাজকৃষ্ণ সান্যাল। তিনি থাকতেন পাশের গ্রামে এবং দেশভ্রমণের বাতিকগ্রস্ত ছিলেন। দ্বারকা, সাবিত্রী পাহাড়, চন্দ্রনাথ—কোনোটাই একা দেখে তিনি তৃপ্তি পেতেন না। প্রত্যেক স্থানে তিনি তাঁর স্ত্রী ও পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে যেতেন এবং সর্বস্বান্ত হয়ে বাড়ি ফিরতেন। হঠাৎ হঠাৎ দেখা যেত, তাঁর দরজায় তালাবন্ধ। আবার কিছুদিন পরে তিনি যখন ফিরতেন, তখন তাঁকে বাড়ির সামনের জঙ্গল কেটে ঢুকতে হতো।
কোথায় সাবিত্রী পাহাড় আছে, সেখানে উঠতে তাঁর স্ত্রীর কীরকম কষ্ট হয়েছিল, নাভিগয়ায় পিণ্ড দিতে যাওয়ার ঘটনা, ফকিরের গল্প—সবই তিনি পাঠশালায় করতেন।
আরও পড়ুন – আতুরি ডাইনির বাড়িতে অপু আর নীলুর কেমন অবস্থা হয়েছিল, তা নিজের ভাষায় লেখো।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘সান্যাল মহাশয় দেশভ্রমণ-বাতিকগ্রস্ত ছিলেন।’ — তাঁর দেশভ্রমণের বিষয়ে যা যা জানো নিজের ভাষায় লেখো।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment