‘এসব গল্প কতবার শুনিয়াছে।’ — গল্পটির পরিচয় দাও।

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘এসব গল্প কতবার শুনিয়াছে।’ — গল্পটির পরিচয় দাও।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

'এসব গল্প কতবার শুনিয়াছে।' — গল্পটির পরিচয় দাও।

‘এসব গল্প কতবার শুনিয়াছে।’ — গল্পটির পরিচয় দাও।

অপুদের গ্রামে বহুদিন পূর্বে বিশালাক্ষী দেবীকে কেন্দ্র করে নানা ঘটনা ঘটে গেছে। গ্রামের বহু লোকের মুখেই সেসব কথা শোনা যায়। গল্পটি এমন— গ্রামের মজুমদার বংশের প্রতিষ্ঠিত দেবতা ছিলেন বিশালাক্ষী দেবী। কিন্তু একসময়ে কোনো বিষয়ে সফলমনস্কাম হয়ে তাঁরা দেবীর মন্দিরে নরবলি দিয়েছিলেন, তাতে রুষ্ট হয়ে দেবী সেই মন্দির ত্যাগ করেন।

আর একটি গল্প হলো— গ্রামের স্বরূপ চক্রবর্তী ভিন-গাঁ থেকে নিমন্ত্রণ খেয়ে সন্ধ্যার সময় ফিরছিলেন। নদীর ঘাটে নেমে আসতে পথের ধারে এক ষোড়শীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন। নির্জন, নিরালা বনের ধারে একটি অল্পবয়সি সুন্দরী মেয়েকে দেখে স্বরূপ চক্রবর্তী রীতিমতো বিস্মিত হয়েছিলেন। তিনি কোনো কথা বলার আগেই ঈষৎ গর্বমিশ্রিত মিষ্টি সুরে মেয়েটি বলেছিল— ‘আমি এ গ্রামের বিশালাক্ষী দেবী।’ দেবী বলেছিলেন যে, অল্পদিনের মধ্যেই গ্রামে ওলাওঠা মড়ক হয়ে দেখা দেবে, কিন্তু এর থেকে মুক্তি পেতে হলে চতুর্দশীর রাতে পঞ্চাননতলায় একশো আটটা কুমড়ো বলি দিয়ে কালীপূজা করতে হবে। দেবী কথা শেষ করেই শীতের সন্ধ্যায় কুয়াশায় ধীরে ধীরে মিলিয়ে যান। দেবীর ভবিষ্যদবাণীর কয়েক দিনের মধ্যেই গ্রামে ভয়ানক মড়ক দেখা দিয়েছিল। এইসব গল্পই অপু অনেকবার শুনেছিল।

আরও পড়ুন – ‘করুণাময়ী বনদেবীরা বনের তুচ্ছ ফুল-ফল মধুতে ভরাইয়া রাখেন।’ – উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।


এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘এসব গল্প কতবার শুনিয়াছে।’ — গল্পটির পরিচয় দাও।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!

Please Share This Article

Related Posts

মহাভারতের সমস্ত চরিত্রের মধ্যে অপুর কর্ণের চরিত্র বড়ো ভালো লাগে কেন?

মহাভারতের সমস্ত চরিত্রের মধ্যে অপুর কর্ণের চরিত্র বড়ো ভালো লাগে কেন?

কুঠির মাঠ দেখে বালকের কেমন অনুভূতি হয়েছিল লেখো।

কুঠির মাঠ দেখে বালকের কেমন অনুভূতি হয়েছিল লেখো।

'সে সবসময় আপন মনে ঘুরিতেছে'—কার কথা বলা হয়েছে? সে আপন মনে কী কী করত তার বর্ণনা দাও।

‘সে সবসময় আপন মনে ঘুরিতেছে’—কার কথা বলা হয়েছে? সে আপন মনে কী কী করত তার বর্ণনা দাও।

About The Author

Souvick

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

মহাভারতের সমস্ত চরিত্রের মধ্যে অপুর কর্ণের চরিত্র বড়ো ভালো লাগে কেন?

কুঠির মাঠ দেখে বালকের কেমন অনুভূতি হয়েছিল লেখো।

‘সে সবসময় আপন মনে ঘুরিতেছে’—কার কথা বলা হয়েছে? সে আপন মনে কী কী করত তার বর্ণনা দাও।

দুর্গাকে যখন তার মা মারধর করে বাড়ি থেকে বার করে দিয়েছিল, তখন অপুর মানসিক অবস্থা কেমন হয়েছিল? সে কী করেছিল?

‘বকুলতলার কথা তাহার মনেই হয় নাই।’ – কার কথা বলা হয়েছে? সে কেন বকুলতলায় গিয়েছিল? সেখানে তার কেমন অভিজ্ঞতা হয়েছিল?