এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। প্রশ্নটি হলো— “‘তাহাদের পিপাসু হৃদয় কত বিচিত্র, কত অপূর্ব রসে ভরিয়া তোলে।’ – উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।” স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘তাহাদের পিপাসু হৃদয় কত বিচিত্র, কত অপূর্ব রসে ভরিয়া তোলে।’ – উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।
অপুদের ঘরের জানালার কয়েক হাত দূরেই, বাড়ির পাঁচিলের ওপার থেকে বনজঙ্গল শুরু হয়েছে। এই জঙ্গল একদিকে কুটির, মাঠ আর অন্যদিকে নদীর ধার পর্যন্ত একটানা চলে গেছে। অপুর কাছে এই বনজঙ্গল সীমাহীন; যত দূরেই যাওয়া যাক, এর যেন শেষ নেই। অপু তার দিদির সঙ্গে এই বনে বহু দূর পর্যন্ত গেছে, কিন্তু শেষ দেখেনি। তিত্তিরাজতলা দিয়ে পথ, মোটা মোটা গুলঞ্চলতা দোলানো, থোলো থোলো বনচালতার ফল চারদিকে ছড়িয়ে আছে। পথটি শেষ হয়েছে আমবাগানে এসে। আবার এ গাছের, ও গাছের তলা দিয়ে বনকলমি, নাটা কাঁটা, ময়না ঝোপের ভিতর দিয়ে চলতে চলতে, কোথায় সেই ত্রিশূন্যে দোলা প্রাচীন শিরীষ গাছের শেওলাধরা ডালের গায়ে পরগাছার ঝাড় নজরে আসে অপু-দুর্গার। এই বন তার শ্যামলতার নবীন স্পর্শটুকু দিয়ে এই বালক-বালিকার মনকে মুগ্ধ করে তুলত। এই বন ছিল তাদের সুপরিচিত; বালক-বালিকাদ্বয়ের হৃদয়কে তা বিচিত্র ও অপূর্ব রসে পূর্ণ করে তুলত।
আরও পড়ুন – ‘আকাশে তাহা হইলে তো সকলেই উড়িত।’ – অপুর আকাশে ওড়ার ইচ্ছা কীভাবে জেগেছিল? সেই ইচ্ছার অবসান ঘটল কীভাবে?
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘তাহাদের পিপাসু হৃদয় কত বিচিত্র, কত অপূর্ব রসে ভরিয়া তোলে।’ – উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment