কালবৈশাখী ঝড়ে দুর্গা-অপুর আম কুড়োনোর ঘটনাটি লেখো।

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “কালবৈশাখী ঝড়ে দুর্গা-অপুর আম কুড়োনোর ঘটনাটি লেখো। ঝড়বৃষ্টিতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে তা উপভোগ করার কোনো অভিজ্ঞতা তোমার থাকলে তা লেখো।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কালবৈশাখী ঝড়ে দুর্গা-অপুর আম কুড়োনোর ঘটনাটি লেখো। ঝড়বৃষ্টিতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে তা উপভোগ করার কোনো অভিজ্ঞতা তোমার থাকলে তা লেখো।

কালবৈশাখী ঝড়ে দুর্গা-অপুর আম কুড়োনোর ঘটনাটি লেখো।

একদিন বিকেলে চারদিক অন্ধকার করে কালবৈশাখী ঝড় উঠেছিল। সেই ঝড়ের মধ্যে অপু ও দুর্গা ছুটেছিল আম কুড়োতে। অপু গেছিল সিঁদুরকৌটোতলায় আর দুর্গা গেছিল সোনামুখীতলায় আম কুড়োনোর জন্য। তারা আম পড়া দেখে যতটা উচ্ছ্বসিত হয়েছিল, সেই অনুপাতে বেশি আম কুড়োতে পারছিল না। দুর্গা আট-নয়টি আম কুড়োলেও, অপু মাত্র দুটির বেশি আম সংগ্রহ করতে পারেনি। আর তখনই ভুবন মুখুজ্যের বাড়ির ছেলেমেয়েরা এসে তাদেরকে তাড়িয়ে দেওয়ায় তারা সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়। এরপর অনেক ঘোরাঘুরি করার পরে নাছোড়বান্দা দুর্গা আট-দশটা আম সংগ্রহ করে তবে বাড়ি ফিরেছিল।

ঝড়বৃষ্টিতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে তা উপভোগ করার কোনো অভিজ্ঞতা তোমার থাকলে তা লেখো।

আমার তখন নয়-দশ বছর বয়স। খেলার মাঠে তখন পাড়ার ছেলেদের মধ্যে খেলায় মেতে উঠেছিলাম। অনেকক্ষণ ধরেই আকাশে মেঘ জমছিল, কিন্তু সেদিকে আমাদের খেয়াল ছিল না। হঠাৎ করেই ভীষণ মেঘগর্জনে চমকে উঠেছিলাম, দেখলাম আকাশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত বিদ্যুৎ খেলে গেল। শুরু হল কালবৈশাখীর প্রচণ্ড তাণ্ডব। চারদিক থেকে ধুলোবালি, গাছের পাতা উড়ে আসতে লাগল। চোখে-মুখে ধুলো নিয়েই ছুটতে লাগলাম বাড়ির দিকে। হঠাৎ করে একটি গাছ ভেঙে পড়ল রাস্তায়, থমকে গিয়ে একটা বাড়ির শেডের নীচে দাঁড়ালাম। একটু পরে ঝড়ের দাপট কমে গিয়ে শুরু হল বৃষ্টি। আমার সঙ্গে আরও দুই বন্ধুও ছিল, আমরা পাশাপাশি বাড়িতেই থাকি। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেও দেখলাম বৃষ্টি থামছে না, তখন ইচ্ছা করেই বৃষ্টির মধ্যে ভিজতে ভিজতেই বাড়িতে ফিরলাম। পায়ের নীচে জল মাথায় বৃষ্টির নৃত্য আমাদের খুব আনন্দ দিয়েছিল সেদিন। ঝড়ে ভীতত্রস্ততা কাটিয়ে ‘উঠে, বৃষ্টি-ভেজার আনন্দ উপভোগ করেছিলাম।

আরও পড়ুন – ‘সে জগৎ জানার, মানুষ জানার, মানুষ চেনার দিগ্বিজয়ে যাইবে’ – কার কথা বলা হয়েছে? ভবিষ্যতের যে রঙিন স্বপ্নে সে বিভোর তার কথা লেখো।


এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “কালবৈশাখী ঝড়ে দুর্গা-অপুর আম কুড়োনোর ঘটনাটি লেখো। ঝড়বৃষ্টিতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে তা উপভোগ করার কোনো অভিজ্ঞতা তোমার থাকলে তা লেখো।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি।

এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!

Please Share This Article

Related Posts

নিশ্চিন্দিপুরে অপুর দেখা শেষ চড়কমেলার পরিচয় দাও। এই প্রসঙ্গে অপুর মনোভাবের পরিচয় দাও।

নিশ্চিন্দিপুরে অপুর দেখা শেষ চড়কমেলার পরিচয় দাও। এই প্রসঙ্গে অপুর মনোভাবের পরিচয় দাও।

'এ সকল কথাই সে আজ পড়িয়াছে।'—কোন্ কথা সে পড়েছে? কোন্ ছবি তার মনকে মুগ্ধ করেছে?

‘এ সকল কথাই সে আজ পড়িয়াছে।’—কোন্ কথা সে পড়েছে? কোন্ ছবি তার মনকে মুগ্ধ করেছে?

'হঠাৎ অপুর মন এক বিচিত্র অনুভূতিতে ভরিয়া গেল!'—কখন, কোন্ অনুভূতিতে অপুর মন ভরে গিয়েছিল?

‘হঠাৎ অপুর মন এক বিচিত্র অনুভূতিতে ভরিয়া গেল!’—কখন, কোন্ অনুভূতিতে অপুর মন ভরে গিয়েছিল?

About The Author

Souvick

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

নিশ্চিন্দিপুরে অপুর দেখা শেষ চড়কমেলার পরিচয় দাও। এই প্রসঙ্গে অপুর মনোভাবের পরিচয় দাও।

‘এ সকল কথাই সে আজ পড়িয়াছে।’—কোন্ কথা সে পড়েছে? কোন্ ছবি তার মনকে মুগ্ধ করেছে?

‘হঠাৎ অপুর মন এক বিচিত্র অনুভূতিতে ভরিয়া গেল!’—কখন, কোন্ অনুভূতিতে অপুর মন ভরে গিয়েছিল?

‘সত্যই সে ভুলে নাই!’—কে, কাকে, কীভাবে মনে রেখেছে? | পথের পাঁচালী

‘দুর্গা তাহাকে আরও কাছে টানিয়া আনিয়া শেষ আশ্রয়ের সাহসে বারবার দ্রুত আবৃত্তি করিতে লাগিল’— দুর্গা কখন এমন করেছিল নিজের ভাষায় লেখো।