এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব: “মহাভারতে তোমার প্রিয় চরিত্র কোনটি? কেন তাকে তোমার ভালো লাগে লেখো।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মহাভারতে তোমার প্রিয় চরিত্র কোনটি? কেন তাকে তোমার ভালো লাগে লেখো।
মহাভারতের অনেক চরিত্রই আমাদের মনকে আকর্ষণ করে। এখানে যেমন আছে মহাবীর অর্জুন, কর্ণ, ভীম, যুধিষ্ঠির, ভীষ্ম, দ্রোণাচার্য, কৃষ্ণ চরিত্র; তেমনই আছে অগ্নিকন্যা দ্রৌপদী; গান্ধারী বা কুন্তী চরিত্রও। তবে এদের মধ্যে আমার প্রিয় চরিত্র হল পাণ্ডব-জননী কুন্তী চরিত্র।
প্রথম থেকে শেষপর্যন্ত কুন্তী চরিত্র ক্ষমা ও ত্যাগের বিরলমূর্তি। কুন্তী রাজনন্দিনী, তার শৈশব ও যৌবন কেটেছে রাজপুরীর ঐশ্বর্যময় অবস্থায় অথচ পাণ্ডুর সঙ্গে বনবাসী জীবনে সে পরম সুখে থেকেছে। কত সহজে তিনি রাজপ্রাসাদের বিলাসী জীবন ত্যাগ করেছেন, তা সকলের শিক্ষণীয়। আবার স্বামী পাণ্ডু যখন মাদ্রিকে বিবাহ করেছে তখনও কুন্তী স্বামীর প্রতি অসদ্ব্যবহার করেননি, মাদ্রিকে পরমাদরে গ্রহণ করেছেন। ধৃতরাষ্ট্র বা দুর্যোধন পাণ্ডবদের প্রতি অন্যায় আচরণ করলে কুন্তী কখনো কারও প্রতি অসদাচরণ করেননি। সকল যন্ত্রণা নীরবে সহ্য করেছেন। তিনি পঞ্চপাণ্ডবকে সর্বদা ধর্ম, ন্যায় ও সততার শিক্ষা দিয়েছেন। কুন্তীর চরিত্রে সহনশীলতা, ত্যাগের প্রকাশ ও মমতাময়ী জননী সত্তার সার্থক মিশ্রণ ঘটেছে। তার মতো এমন ধীরস্থির, মমতাময়ী চরিত্র আর আমি দেখিনি। তাই কুন্তী চরিত্রটি আমার সবথেকে প্রিয়।
আরও পড়ুন – বাবার সঙ্গে অপুর কুঠির মাঠ দেখতে যাবার অভিজ্ঞতাটি লেখো। ‘কুঠিবাড়ি’ বলতে তুমি কী বোঝো?
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “মহাভারতে তোমার প্রিয় চরিত্র কোনটি? কেন তাকে তোমার ভালো লাগে লেখো।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, Solution WBBSE-এর এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment