এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব— “মানুষ ব্যতীত অন্যান্য প্রাণীদের ওপর শব্দদূষণের প্রভাবগুলি উল্লেখ করো। মানবদেহের হৃৎপিণ্ড ও কানের ওপর শব্দদূষণ কী কী ক্ষতিকারক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে?” এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় ‘পরিবেশ, তার সম্পদ এবং তাদের সংরক্ষণ’-এর ‘পরিবেশদূষণ’ অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

মানুষ ব্যতীত অন্যান্য প্রাণীদের ওপর শব্দদূষণের প্রভাব
মানুষ ব্যতীত অন্যান্য প্রাণী এবং বন্যজীবনের ওপর শব্দদূষণের ক্ষতিকারক প্রভাবগুলি হলো –
- প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস – অতিরিক্ত শব্দদূষণে বন্যপ্রাণীদের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পায়, যার ফলে এদের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে যায়।
- শ্রবণ ক্ষমতার ক্ষতি – তীব্র শব্দদূষণের ফলে অন্যান্য প্রাণীদের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়।
- ভ্রূণের বৃদ্ধি ব্যাহত – গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ প্রাবল্যের শব্দে ইঁদুর বা অন্যান্য প্রাণীর ভ্রূণের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
মানবদেহের হৃৎপিণ্ড ও কানের ওপর শব্দদূষণের ক্ষতিকারক প্রভাব
শব্দদূষণ মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি অঙ্গ—কান ও হৃৎপিণ্ডের ওপর যে ক্ষতিকারক প্রভাবগুলি সৃষ্টি করে তা নিচে আলোচনা করা হলো –
- কানের ওপর প্রভাব – দীর্ঘদিন ধরে মাইক, টেলিভিশনের উচ্চ শব্দ, কলকারখানার শব্দ ইত্যাদি তীব্র মাত্রায় কানে প্রবেশ করলে আংশিক বা সম্পূর্ণ বধিরতা সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি ১৬০ (160) ডেসিবেলের বেশি মাত্রার শব্দে কানের পর্দা চিরতরে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
- হৃৎপিণ্ডের ওপর প্রভাব – উচ্চমাত্রার শব্দের কারণে মানুষের স্বাভাবিক রক্তচলাচল ব্যাহত হয়, যার ফলে উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) এবং অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন দেখা যায়।
আশা করি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই নোটসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের পাঠ্যক্রম সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, সরাসরি আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment