এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—”ওজোন গহ্বর কী? ওজোন গহ্বরের ক্ষতিকর প্রভাব লেখো।”—নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় ‘পরিবেশ, তার সম্পদ এবং তাদের সংরক্ষণ’-এর ‘পরিবেশদূষণ’ অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ওজোন গহ্বর কী?
বায়ুমণ্ডলে অন্যতম শিল্পজাত গ্রিনহাউস গ্যাস—ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC)-এর পরিমাণ বেড়ে গেলে বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার (Stratosphere) স্তরে উপস্থিত ওজোনস্তরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই স্তরে ওজোনের পরিমাণ মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়ে যে গহ্বরের সৃষ্টি হয়, তাকেই ওজোন গহ্বর (Ozone Hole) বলে। এই ওজোন গহ্বরের মধ্য দিয়ে সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে প্রবেশ করে এবং জীবজগতের ব্যাপক ক্ষতি করে।
ওজোন গহ্বরের ক্ষতিকর প্রভাব
ওজোন গহ্বরের প্রধান ক্ষতিকর প্রভাবগুলি নিচে পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হলো –
- মানবদেহে প্রভাব – ওজোন গহ্বর সৃষ্টি হলে সূর্যালোকের ক্ষতিকর অতিবেগুনি বা UV রশ্মি (UVA) পৃথিবীপৃষ্ঠে নেমে আসে, যা মানুষের ত্বকের ক্যানসার (Skin Cancer), চোখের ছানি প্রভৃতি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।
- কৃষিকাজ ও বাস্তুতন্ত্রে প্রভাব – UV রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাবে মাটিতে থাকা উপকারী সায়ানোব্যাকটেরিয়া বিনষ্ট হয়। এর ফলে জমির উর্বরতা কমে যায় এবং ধান উৎপাদন অতিমাত্রায় ব্যাহত হয়।
আরও পড়ুন – ওজোন স্তরের বিলুপ্তির পরিণাম ব্যাখ্যা করো।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান পঞ্চম অধ্যায়ের অন্তর্গত ওজোনস্তর ক্ষয় বা ওজোন গহ্বর এবং পরিবেশের ওপর এর ক্ষতিকর দিকগুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই অংশটি ভালোভাবে আয়ত্ত করা প্রয়োজন।
আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment