এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “বাংলা গদ্য সাহিত্যে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান লেখো। রাজা রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম লেখো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “বাংলা গদ্য সাহিত্যে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান লেখো। রাজা রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম লেখো।“ প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

বাংলা গদ্য সাহিত্যে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান লেখো।
রামমোহনের কাল ছিল আত্মসংগঠনের কাল, নির্মোহ মানসিকতা, যুক্তিশীলতার মধ্য দিয়ে যথার্থ আদর্শের অনুধ্যানের সময়। ব্যক্তিজীবনে রামমোহনের জ্ঞাননিষ্ঠা ছিল বিচিত্রচারী। তিনি বহুভাষাবিদ ছিলেন – সংস্কৃত শাস্ত্র, ইহুদী ধর্মশাস্ত্র, খ্রিস্টিয় ত্রিতত্ত্ববাদ, উপনিষদের রসতত্ত্বে বিশ্বাস, সমাজ সংস্কারের একনিষ্ঠ যোদ্ধা, রাজনৈতিক স্বৈরাচারের ঘোরতর শত্রু। স্বাধীনতা আন্দোলনের ক্ষেত্রে তিনি একজন চিন্তানায়ক। অর্থাৎ রামমোহন একাধারে পণ্ডিত, মনীষী, কর্মী, চিন্তানায়ক, সংস্কারক এবং অবহেলিত মানুষের বন্ধু। “রামমোহনের জন্ম হুগলী জেলার অন্তর্গত রাধানগর গ্রামে 1774 খ্রিস্টাব্দে (মতান্তরে 1772 খ্রিস্টাব্দ)। বাল্যে তিনি ফারসি ও আরবি ভাষা শিখেছিলেন। ষোলো বছর বয়সে হিন্দু পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে পুস্তক রচনা করেন। কিশোর বয়সেই ধর্মমত প্রসঙ্গে মনোমালিন্য হয়। কুড়ি বছর বয়সে পাশ্চাত্য জাতির সংস্পর্শে আসেন। ডিগবি নামে এক কালেক্টারের কাছে তিনি ইংরেজি শিক্ষা লাভ করেন। ইসলামি ভাষা ও তত্ত্ব তাঁর এতটা আয়ত্ত ছিল যে তাঁকে ‘মৌলভী রামমোহন’ বলা হত।
রাজা রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম লেখো।
রাজা রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠান হল –
- 1815 খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ‘আত্মীয়সভা’,
- 1825 খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ‘বেদান্ত কলেজ’,
- 1828 খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ‘ব্রাহ্মসভা’ প্রভৃতি।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “বাংলা গদ্য সাহিত্যে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান লেখো। রাজা রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম লেখো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “বাংলা গদ্য সাহিত্যে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান লেখো। রাজা রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment