এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘তাহার খেয়ালই থাকে না কোনদিক দিয়া বেলা গেল।’—কার কথা বলা হয়েছে? কীভাবে তার বেলা যায়?” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘তাহার খেয়ালই থাকে না কোনদিক দিয়া বেলা গেল।’—কার কথা বলা হয়েছে? কীভাবে তার বেলা যায়?
প্রশ্নোক্ত অংশে অপুর কথা বলা হয়েছে।
অপু বই পড়তে খুব ভালোবাসে। তার বাবা হরিহর নানা স্থান থেকে তাকে বই সংগ্রহ করে এনে দিতেন পড়ার জন্য। এবার সে রানিদের বইয়ের আলমারি থেকে বই নিয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছে। সতুর জ্যাঠামশাই সতুকে দুপুরবেলায় পুকুর পাহারা দিতে বলেছিলেন। অপু যদি সতুর সেই কাজটি করে দেয়, তবে সতু অপুকে তাদের আলমারি থেকে বই নিয়ে পড়তে দেবে—এই শর্তে রাজি হয়ে অপু বই পাঠের সুযোগ পায়। অপু প্রতিদিন আলমারি থেকে বেছে একটি করে বই সতুর কাছ থেকে চেয়ে নিত এবং বাঁশবনের ছায়ায় কতকগুলি শেওড়াগাছের কাঁচা ডাল পেতে তার উপরে উপুড় হয়ে শুয়ে একমনে বই পড়ত। যতক্ষণ বইটি শেষ না হয়, ততক্ষণ ছাড়তে পারে না। চোখ টাটিয়ে ওঠে, রগ টিপটিপ করে, তবু পড়া ছাড়ে না। অপুর খেয়ালই থাকে না যে পুকুরধারে নির্জনে বাঁশবনের ছায়া কখন দীর্ঘ হয়ে পুকুরের পাটা-শেওলায় নেমে আসে! এভাবেই অপু তন্ময় হয়ে বই পড়ত—বেলা যায়—খেয়ালই থাকে না অপুর।
আরও পড়ুন – অপু ও পটুর নৌভ্রমণের পরিচয় নিজের ভাষায় লেখো।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘তাহার খেয়ালই থাকে না কোনদিক দিয়া বেলা গেল।’—কার কথা বলা হয়েছে? কীভাবে তার বেলা যায়?” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment