এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব: “‘আকাশে তাহা হইলে তো সকলেই উড়িত।’ – অপুর আকাশে ওড়ার ইচ্ছা কীভাবে জেগেছিল? সেই ইচ্ছার অবসান ঘটল কীভাবে?” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘আকাশে তাহা হইলে তো সকলেই উড়িত।’ – অপুর আকাশে ওড়ার ইচ্ছা কীভাবে জেগেছিল? সেই ইচ্ছার অবসান ঘটল কীভাবে?
একদিন দুপুরবেলা বাবার বইগুলি ঘাঁটতে ঘাঁটতে অপু একটি বই দেখতে পায়, যার নাম ‘সর্বদর্শন সংগ্রহ’। সেই বইয়েরই একটি স্থানে পারদের গুণ বর্ণনা প্রসঙ্গে লেখা ছিল, শকুনির ডিমে পারদ পুরে মানুষ পাখির মতো উড়তে সক্ষম। সে প্রথমে বিস্মিত হয়— এও কী সম্ভব! বারবার একই স্থান সে পড়তে থাকে এবং এভাবেই তার আকাশে ওড়ার ইচ্ছা জেগেছিল।
একদিন অপুর দিদি দুর্গা সলতে বানানোর জন্য ছেঁড়া কাপড়ের ন্যাকড়া খুঁজতে গিয়ে হাঁড়ি-কলসির পাশে রাখা ডিম দুটিকে ভেঙে ফেলে। এত সাধের ডিমগুলি ভেঙে ফেলায় অপু খুব মানসিক কষ্ট পেয়েছিল; সেদিন রাতে অপু কিছু খায়নি। ডিমগুলি ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অপুর শূন্যমার্গে উড়ে বেড়ানোর ইচ্ছারও অবসান হয়েছিল।
আরও পড়ুন – ‘বড়ো হইলে সে তামাকের দোকান করিবে।’ – কার ভাবনা? কার গল্প শুনে তার মনে এই ভাবনা? গল্পের বিষয়বস্তু কী ছিল?
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘আকাশে তাহা হইলে তো সকলেই উড়িত।’ – অপুর আকাশে ওড়ার ইচ্ছা কীভাবে জেগেছিল? সেই ইচ্ছার অবসান ঘটল কীভাবে?” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment