এই আর্টিকেলে আমরা পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “বাবার সঙ্গে অপুর কুঠির মাঠ দেখতে যাবার অভিজ্ঞতাটি লেখো। ‘কুঠিবাড়ি’ বলতে তুমি কী বোঝো?” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাবার সঙ্গে অপুর কুঠির মাঠ দেখতে যাবার অভিজ্ঞতাটি লেখো। ‘কুঠিবাড়ি’ বলতে তুমি কী বোঝো?
মাঘ মাসের শেষে একদিন অপু তার বাবার সাথে কুঠির মাঠ দেখতে যায়। সে এই প্রথম নিজের বাড়ির গণ্ডি ছেড়ে এতদূর যাচ্ছিল। তাই প্রচণ্ড উত্তেজনায় সে বাইরের জগতের প্রত্যেকটি জিনিসই লক্ষ করতে থাকে। ঝোপের মধ্যে জ্যান্ত খরগোশ দেখে সে অবাক হয়ে যায়। বইয়ের ছবিতে দেখা খরগোশ যে বাস্তবে এভাবে লাফাতে পারে, তা সে ভাবতেও পারে না। পথে যেতে যেতে সে অসংখ্য গাছপালা লক্ষ করে। অবশেষে সে নদীর ধারে কুঠির মাঠ দেখতে পায়। পূর্বে অনেক মানুষের মুখে এই কুঠির গল্প শুনলেও তার ছয় বছরের জীবনে এই প্রথম তা স্বচক্ষে দেখার সুযোগ আসে। তার মনে অসংখ্য প্রশ্ন জাগতে শুরু করে কুঠির মাঠকে ঘিরে। কুঠির মাঠ দেখার অভিজ্ঞতা অপুর জীবনে অজানাকে জানা, অদেখাকে দেখার পিপাসাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
‘কুঠি’ কথাটি প্রথম ব্যবহৃত হয় ইউরোপীয়দের কার্যালয় বা বাসস্থান বোঝাতে। নীলবিদ্রোহের সময় ইংরেজরা প্রধানত এই কুঠিগুলি স্থাপন করেছিল, যাতে ইংরেজ সাহেবরা বসবাস করত।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “বাবার সঙ্গে অপুর কুঠির মাঠ দেখতে যাবার অভিজ্ঞতাটি লেখো। ‘কুঠিবাড়ি’ বলতে তুমি কী বোঝো?” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ছাত্রছাত্রীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment